প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে সেগুলো হলো-
১. মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ ইত্যাদির পাসওয়ার্ড গোপন রাখা
২. বিভিন্ন সেবার জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা।
৩. কম্পিউটারে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার এবং নিয়মিত স্ক্যান করা।
৪. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগত তথ্য বিনিময় করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা।
৫. মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাব, ইন্টারনেট ইত্যাদি অতিমাত্রায় ব্যবহার থেকে বিরত থাকা।
৬. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাচাই বাছাই করে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করা।
৭. অপ্রয়োজনে কোনো সাইটে প্রবেশ থেকে বিরত থাকা।
৮. ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বা ভুল তথ্য প্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকা।
Related Question
View Allপ্রযুক্তির কল্যাণে আমরা সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনযাপন করি।
বিজ্ঞানীরা জলীয়বাষ্পের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবন করেছেন।
প্রযুক্তির অতি ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্য ও সামাজিক ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে
প্রযুক্তির কল্যাণে আমরা সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন যাপন করছি।
প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম সময়ে ও সহজে সেবা গ্রহণ করতে পারি।
বিজ্ঞান ওপ্রযুক্তির মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!