প্রযুক্তি-'ক' হচ্ছে জিপিএস। কোনো একটি স্থানের গ্লোবালি অবস্থান জানা যায় জিপিএস এর মাধ্যমে। এর মাধ্যমে কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, উচ্চতা জানা যায়। এছাড়া ঐ স্থানের উত্তর দিক, তারিখ ও সময় জানা যায়।
জিপিএস তার রিসিভার দিয়ে ভূ-উপগ্রহ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। এ তথ্য সংগ্রহের জন্য মোটামুটি মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশের প্রয়োজন হয়। তখন জিপিএস যন্ত্রটি সঠিকভাবে কাজ করে। কোনো কোনো সময় উঁচু খাড়া পাহাড়, উঁচু ইমারত থাকলে জিপিএস দ্বারা সেই স্থানের অবস্থান নির্ণয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং এতে বেশি সময় লাগে।
প্রযুক্তির নব নব আবিষ্কারের মধ্যে ভূগোলবিদদের জন্য জিপিএস একটি অত্যন্ত মূল্যবান যন্ত্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এর সঠিক প্রয়োগ ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহের কাজে খুবই ফলপ্রসূ।
Related Question
View Allআকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
জাউদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা = ৬ ঘণ্টা = (৬ × ৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
উদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা
সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা
= ৬ ঘণ্টা
= (৬৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!