উত্তরঃ

জিআইএস (GIS) এর পূর্ণরূপ হলো Geographical Information System.

উত্তরঃ

মধ্যাহ্ন সূর্যের অবস্থানকে সেই স্থানের দুপুর ১২টা ধরে স্থানীয় সময় নির্ধারণ করলে বড় দেশের ক্ষেত্রে সময় গণনায় বিভ্রাট হয়। এ কারণে প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়।
কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলে।

উত্তরঃ

প্রযুক্তি-'ক' হচ্ছে জিপিএস। কোনো একটি স্থানের গ্লোবালি অবস্থান জানা যায় জিপিএস এর মাধ্যমে। এর মাধ্যমে কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, উচ্চতা জানা যায়। এছাড়া ঐ স্থানের উত্তর দিক, তারিখ ও সময় জানা যায়।

জিপিএস তার রিসিভার দিয়ে ভূ-উপগ্রহ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। এ তথ্য সংগ্রহের জন্য মোটামুটি মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশের প্রয়োজন হয়। তখন জিপিএস যন্ত্রটি সঠিকভাবে কাজ করে। কোনো কোনো সময় উঁচু খাড়া পাহাড়, উঁচু ইমারত থাকলে জিপিএস দ্বারা সেই স্থানের অবস্থান নির্ণয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং এতে বেশি সময় লাগে।

প্রযুক্তির নব নব আবিষ্কারের মধ্যে ভূগোলবিদদের জন্য জিপিএস একটি অত্যন্ত মূল্যবান যন্ত্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এর সঠিক প্রয়োগ ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহের কাজে খুবই ফলপ্রসূ।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদত্ত '১নং' চিত্রটি হচ্ছে ক্যাডাস্ট্রাল বা মৌজা মানচিত্র এবং '২ নং' চিত্রটি দেয়াল মানচিত্র। নিচে মৌজা মানচিত্র ও দেয়াল মানচিত্রের বৈশিষ্ট্য তুলনা করা হলো-

মৌজা মানচিত্র ব্যবহার করা হয় রেজিস্ট্রিকৃত ভূমি বা বিল্ডিং এর সীমানা চিহ্নিত করার জন্য। এবং দেয়াল মানচিত্র তৈরি করা হয় শ্রেণিকক্ষে ব্যবহার করার জন্য। মৌজা মানচিত্র বৃহৎ স্কেলে অঙ্কন করা হয় যা ১৬ ইঞ্চিতে ১ মাইল বা ৩২ ইঞ্চিতে ১ মাইল। দেয়াল মানচিত্র বড় অথবা ছোট স্কেলে প্রকাশ করা হয়। এতে চাহিদা মতো একটি দেশ অথবা একেকটি মহাদেশকে আলাদাভাবে প্রকাশ করা হয়। দেয়াল মানচিত্রে সারাবিশ্বকে অথবা কোনো গোলার্ধকে দেখানো হয়। অন্যদিকে মৌজা মানচিত্রে গ্রামের বিবিধ তথ্য প্রকাশ করা হয় এবং শহরের পরিকল্পনার মানচিত্রও মৌজা মানচিত্রের মাধ্যমে দেখানো যায়।
সুতরাং, উভয় মানচিত্র বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে দুটি মানচিত্রই ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের অধিকারী।

161

মানচিত্র একজন ভূগোলবিনের জন্য একটি অতি প্রয়োজনীয় উপকরণ (Tools)। এর সাহায্যে সমগ্র পৃথিবী বা কোনো অঞ্চল সরল্যে সুস্পষ্ট জ্ঞান লাভ করা যায়। একটি মানচিত্রের মধ্যে আমরা সব পৃথিবীকে অথবা এর কোনো এক অঞ্চলকে দেখাতে পারি। আমরা কোনো একটি কাগজের মধ্যে মানচিত্র এঁকে সেখানে চিহ্ন নিয়ে সেই অঞ্চলের অবস্থা সম্বন্ধে বুঝাতে পারি। একটি মানচিত্র যে কেবল ভূগোলবিদদের প্রয়োজন হয় তা নয়। এটি প্রশ্ন সকল মানুষের বিশেষ করে পর্যটক, প্রশাসক, পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ, আবহাওয়াবিদ এমনকি সাধারণ মানুষেরও বিশেষ প্রয়োজনে লাগে। এ অধ্যায়ে মানচিত্র, এর প্রকারভেল, গুরুত্ব, ব্যবহার, স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময় ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করব।

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে। 

7.7k
উত্তরঃ

সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।

3.5k

জাউদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা = ৬ ঘণ্টা = (৬ × ৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]

উত্তরঃ

উদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা

সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা

= ৬ ঘণ্টা

= (৬×৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]

1.9k
উত্তরঃ

পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন করে এবং এই আবর্তনের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন সময় অনুভূত হয়। নিরক্ষরেখার উপর অবস্থিত প্রতিটি দ্রাঘিমা রেখার উপর দিয়ে সূর্য অতিক্রম করতে সময় লাগে ৪ মিনিট। প্রধান দ্রাঘিমা রেখা (Prime Meridian) বা গ্রিনিচ মানমন্দিরের দ্রাঘিমা (0°) থেকে পূর্ব দিকে গেলে প্রতি ১° দ্রাঘিমার জন্য ৪ মিনিট সময় বাড়ে এবং পশ্চিম দিকে গেলে কমে। এই নীতি অনুসারেই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের সময় নির্ধারিত হয়, যা স্থানীয় সময় (Local Time) ও প্রমাণ সময় (Standard Time) নামে পরিচিত।

উদ্দীপকে ফ্লোরা বেগমের ঢাকা থেকে লন্ডন যাত্রাপথে সময়ের যে তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে, তা দ্রাঘিমাগত পার্থক্যেরই ফল। ঢাকা, বাংলাদেশের রাজধানী, প্রায় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত এবং লন্ডন গ্রিনিচ মানমন্দিরের উপর অবস্থিত হওয়ায় ০° দ্রাঘিমাংশে পড়ে। যেহেতু ঢাকা লন্ডনের পূর্বে অবস্থিত, তাই ঢাকার সময় লন্ডনের সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকবে। ৯০° দ্রাঘিমা পার্থক্যের কারণে সময়ের পার্থক্য হলো \(৯০^\circ \times ৪ মিনিট = ৩৬০ মিনিট\), অর্থাৎ ৬ ঘণ্টা। তাই ঢাকার সময় লন্ডনের চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে। উদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগম যখন লন্ডন বিমানবন্দরে নামলেন, তখন বিমানবন্দরের ঘড়িতে সন্ধ্যা ৬টা (লন্ডনের স্থানীয় সময়)। কিন্তু তার নিজের ঘড়িতে তখন রাত ১২টা বাজছিল, যা ঢাকার সময়কে নির্দেশ করে। এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে ঢাকার সময় লন্ডনের চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে ছিল (সন্ধ্যা ৬টা + ৬ ঘণ্টা = রাত ১২টা)।

লন্ডন থেকে ঢাকা পূর্ব দিকে অবস্থিত হওয়ায় ঢাকার বাসিন্দারা লন্ডনের আগে সূর্যোদয় দেখে। যেহেতু পৃথিবী প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° আবর্তন করে, তাই একই সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দ্রাঘিমাংশে সূর্যের আপেক্ষিক অবস্থান ভিন্ন হয়, যার ফলে দিনের ও রাতের ভিন্নতা এবং সময়ের পার্থক্য দেখা দেয়। এই সময়ের তারতম্য আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন প্রমাণ সময় অঞ্চল (Time Zones) নির্ধারণের মাধ্যমে সমন্বয় করা হয়, যাতে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও যাতায়াত সহজ হয়। ফ্লোরা বেগমের অভিজ্ঞতাই দ্রাঘিমা অনুসারে সময়ের এই পার্থক্যের একটি বাস্তব উদাহরণ।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.1k
উত্তরঃ

আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।

581
উত্তরঃ

সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।

530
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews