বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহার করা হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। উদাহরণ: আমি, আমরা, তুমি,তোমরা,আপনি,তিনি ,তুই , সে, সব,ইনি,উনি,যে, কে, কী, কারা ইত্যাদি।তাই কী এখানে সর্বনাম পদ।
একইসাথে 'কি' এবং কী এর মধ্যে পার্থক্য :
'কি' এর ব্যবহার: কোনো প্রশ্নবোধক বাক্যের উত্তর যদি শুধুই 'হ্যাঁ' (yes) বা 'না' (no) দিয়ে দেয়া যায়, তাহলে ঐ প্রশ্নে 'কি' বসবে। কিছু উদাহরণ দেয়া যেতে পারে: (i) তুমি 'কি' দুপুরে ভাত খেয়েছো? (ii) সে 'কি' তোমাকে সাহায্য করেছিলো? (iii) তোমার বাবা 'কি' বাসায় আছেন? (iv) তোমার নাম 'কি' শিশির?
উপরের এই প্রশ্নগুলোর উত্তর শুধুই হ্যাঁ বা না দিয়ে দেয়া যাবে। আর তাই উপরের প্রতিটি বাক্যেই 'কি' বসেছে।
'কী' এর ব্যবহার: কোনো প্রশ্নের উত্তর যদি 'হ্যাঁ' বা 'না' দিয়ে দেয়া না যায়, উত্তরে যদি কিছু কথা বলার প্রয়োজন পড়ে, তাহলে ঐ প্রশ্নবোধক বাক্যে 'কী' বসবে। "তোমার নাম কী?" বাক্যটির উত্তর কিন্তু 'হ্যাঁ' বা 'না' দিয়ে যাবে না, উত্তরে নামটিই বলতে হবে, তাই প্রশ্নটিতে 'কী' বসেছে। (এর বিপরীতে এই বাক্যটি লক্ষ্য করুন - "তোমার নাম কি শিশির?" এর উত্তর কিন্তু শুধুই হ্যাঁ বা না দিয়ে দেয়া যাবে।) যাহোক 'কী' যুক্ত কিছু প্রশ্নবোধক বাক্যের উদাহরণ নিয়ে আসি: (i) তোমার বাবা 'কী' করেন? (ii) তুমি আজ মঞ্চে 'কী' প্রদর্শন করবে? (iii) তুমি আজ দুপুরে 'কী' খেয়েছো? (iv) লোকসঙ্গীত কত প্রকার ও 'কী' 'কী'? (v) কোষ কত প্রকার ও কী কী?
বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহার করা হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। উদাহরণ: আমি, আমরা, তুমি,তোমরা,আপনি,তিনি ,তুই , সে, সব,ইনি,উনি,যে, কে, কী, কারা ইত্যাদি।
বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহার করা হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। উদাহরণ: আমি, আমরা, তুমি,তোমরা,আপনি,তিনি ,তুই , সে, সব,ইনি,উনি,যে, কে, কী, কারা ইত্যাদি।
"সকলের তরে সকলে আমরা,প্রত্যেকে আমরা পরের তরে" উক্তিটির লেখক -কামিনী রায়।
কামিনী রায় (জন্মঃ অক্টোবর ১২, ১৮৬৪ - মৃত্যুঃ সেপ্টেম্বর ২৭, ১৯৩৩) একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি, সমাজকর্মী এবং নারীবাদী লেখিকা। তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের প্রথম মহিলা স্নাতক ডিগ্রীধারী ব্যক্তিত্ব। তিনি একসময় "জনৈক বঙ্গমহিলা" ছদ্মনামে লিখতেন।
তার কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে - আলো ও ছায়া (১৮৮৯), নির্মাল্য (১৮৯১), পৌরাণিকী (১৮৯৭), মাল্য ও নির্মাল্য (১৯১৩), অশোক সঙ্গীত (সনেট সংগ্রহ, ১৯১৪), অম্বা (নাট্যকাব্য, ১৯১৫), দীপ ও ধূপ (১৯২৯), জীবন পথে (১৯৩০), অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত 'মহাশ্বেতা' ও 'পুণ্ডরীক' তার দুটি প্রসিদ্ধ দীর্ঘ কবিতা। এ ছাড়া ১৯০৫ সালে তিনি শিশুদের জন্য ‘গুঞ্জন’ নামে কবিতা সংগ্রহ ও প্রবন্ধ গ্রন্থ রচনা করেন।
‘আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে/ সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’
"সকলের তরে সকলে আমরা,প্রত্যেকে আমরা পরের তরে" উক্তিটির লেখক -কামিনী রায়।
"সকলের তরে সকলে আমরা,প্রত্যেকে মোরা / আমরা পরের তরে" উক্তিটির লেখক -কামিনী রায়।
"সকলের তরে সকলে আমরা,প্রত্যেকে আমরা পরের তরে" উক্তিটির লেখক -কামিনী রায়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২১ সালে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২১ সালে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করেন।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর এবং কবি কায়কোবাদ আধুনিক বাংলাসাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি।
নজরুলের প্রথম গদ্য রচনা ছিল "বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী"। ১৯১৯ সালের মে মাসে এটি সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সৈনিক থাকা অবস্থায় করাচি সেনানিবাসে বসে এটি রচনা করেছিলেন। এখান থেকেই মূলত তার সাহিত্যিক জীবনের সূত্রপাত ঘটেছিল।
তদ্ধিত প্রত্যয় নাম প্রকৃতির সাথে যুক্ত হয়।
'বাবা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে
তুর্কি ভাষা হতে। তুর্কি "বাবাম" শব্দ হতে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় "বাবা" শব্দটি এসেছে।
মণিকাঞ্চন যোগ - বাগধারার সমার্থক বাগধারা - সোনায় সোহাগা।
যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় - সর্বংসহা।
'অভিরাম' শব্দটির অর্থ সুন্দর
অভিরাম - [বিশেষণ পদ] সুন্দর, আনন্দদায়ক।
Related Question
View Allমাছের মায়ের কান্না বাগধারার অর্থ মিথ্যাশোক।
বাক্য: খেলার সময় একটু আঘাত পেয়েই সে মাছের মার কান্না করছে।
কান পাতলা অর্থ যে সব বিশ্বাস করে
>সে একজন কান পাতলা মানুষ তাকে সব কথা বলতে নেই।
কলির সন্ধ্যা বাগধারাটির অর্থ দুর্দিন বা দুঃখের সূত্রপাত।
বাক্য: চাকরি চলে যাওয়ায় তার জীবনে কলির সন্ধ্যা নেমে এসেছে।
লম্বা দেওয়া বাগধারাটির অর্থ: চম্পট দেওয়া
বাক্য: সে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়ে লম্বা দিয়েছে।
চম্পট দেওয়া
সোনায় সোহাগা
অর্থ: উপযুক্ত মিলন
বাক্য: তার সুন্দর চোখ আবার মিষ্টি হাসি যেন সোনায় সোহাগা।
মিছরির ছুরি বাগধারাটির অর্থ হল মুখে মধু অন্তরে বিষ।
বাক্য: সে মিছরির ছুরি দিয়ে অনেকের সাথে প্রতারণা করেছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
