প্রাকৃতিক জ্বালানি বলতে সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, পেট্রোলিয়াম ইত্যাদিকে বোঝানো হয়। এগুলো ব্যবহারে আমাদের সচেতনতার বিষয়টি নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- আজ
আমাদের যে প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ আছে তা অফুরন্ত নয়। মজুদ প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিমাণ নির্দিষ্ট ও সীমিত। ক্রমাগত ব্যবহারের ফলে
একসময় তা শেষ হয়ে যাবে। তাই এই মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারে আমাদের অত্যন্ত সচেতন হতে হবে, কোনোমতেই অপচয় করা যাবে না। অনেকে বাসাবাড়িতে বিনা প্রয়োজনে গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখে। এতে অতি মূল্যবান এই সম্পদের অপচয় করে, যা কোনোমতেই সমীচীন নয়। এক্ষেত্রে অবশ্যই যার যার নিজের বাসায় ও মহল্লায় সবাইকে সচেতন করতে হবে।
এছাড়াও আমাদের আরেকটি মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ কয়লা ইটের ভাটায়, জ্বালানি হিসেবে শিল্প-কারখানায় ও বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রেও আমাদের এ সম্পদটি ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। আলোচিত এসব প্রাকৃতিক জ্বালানির সবগুলোই এক সময় নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে। তাই এগুলোর ব্যবহার কমানো ও সংরক্ষণের জন্য আমরা নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে পারি। সৌরশক্তি, বায়ুপ্রবাহ, পানির স্রোত ইত্যাদিকে কাজে লাগিয়ে আমরা প্রাকৃতিক জ্বালানির চাপ কমাতে পারি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শক্তি সংরক্ষণ করতে পারি।
উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, পেট্রোলিয়াম ইত্যাদি জ্বালানি সংরক্ষণে আমাদের সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!