কোনো দেশের জলবায়ু, ভূপ্রকৃতি, মৃত্তিকা, নদনদী, সাগর, আয়তন, অবস্থান ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে ওঠে তাকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ বিচিত্র ধরনের। এ সকল উপাদানের পার্থক্যহেতু দেশের ব্যবসায় কার্যকলাপও ভিন্নতর হয়ে থাকে। বাংলাদেশে পাট শিল্প, নরওয়েতে মৎস্য শিল্প, কুয়েতে পেট্রোলিয়াম শিল্প গড়ে ওঠার পেছনে এরূপ কারণ বিদ্যমান। নেপাল ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র হওয়ায় বৈদেশিক বাণিজ্যে সুবিধা করতে পারছে না। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো আবহাওয়া ও ভূপ্রকৃতির কারণে কৃষিতে পশ্চাৎপদ।
বলা হয় মানুষ পরিবেশের দাস। জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি পরিবেশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মানুষকে চালিত করে । আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তা নিয়ে আমাদের পরিবেশ। অপরদিকে ব্যবসায় পরিবেশ সামগ্রিক পরিবেশের একটি অংশ, যা শুধু ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগে ব্যবসায়ের সাফল্য অর্জন সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে ব্যবসায়ের পরিবেশের উপর। যেসব পারিপার্শ্বিক উপাদান ব্যবসায়কে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করে তার সমষ্টিকে ব্যবসায়ের পরিবেশ বলে। পরিবেশের উপাদানগুলো ব্যবসায়ের কার্যাবলিকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা জানতে পারব—
- ব্যবসায় পরিবেশের ধারণা।
- ব্যবসায় পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান।
- ব্যবসায়ের উপর পরিবেশের উপাদানগুলোর প্রভাব ।
- ব্যবসায় পরিবেশের উপাদানগুলোর মধ্যে কোনগুলো বাংলাদেশে অনুকূল বা প্রতিকূল তা চিহ্নিতকরণ।
- বাংলাদেশে ব্যবসায় পরিবেশ উন্নয়নের সমস্যা ।
- বাংলাদেশে ব্যবসায়ের পরিবেশ উন্নয়নের পথে বিদ্যমান সমস্যাগুলো দূর করার উপায় চিহ্নিতকরণ ।
সূত্র: ক্যামব্রিয়ান পাবলিকেশন্স
Related Question
View Allসঞ্চয় ও বিনিয়োগ অর্থনীতিক পরিবেশের উপাদান
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!