প্রিয় অর্ণব

আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। এই দূরদেশে বসে আজ তোমার কথা খুবই মনে পড়ছে। তোমরা নিশ্চয় আজ শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহিদ মিনারে উপস্থিত হয়েছ। আজ তোমাদের সাথে শামিল হওয়ার জন্য মন কাঁদছে। আমার জন্য দোয়া করবে যেন আমিও আগামী বছর তোমাদের সাথে এই মহৎ কাজের অংশীদার হতে পারি।

ইতি
তোমার বন্ধু
রাফিদ

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

লখার পায়ে বাবলার কাঁটা ফুটল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

পায়ে বাবলার কাঁটা ফুটে যাওয়ার কষ্টে লখা কেঁদে দিলো।

২১শে ফেব্রুয়ারি প্রভাতে লখা শহিদ মিনারে ফুল দিতে চায়। তাই সে ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠেই ছুটতে থাকে ফুল সংগ্রহের জন্য। যখন সে বনজজালে ঘেরা জায়গাটা পার হচ্ছিল তখন তার পায়ে একটি কাঁটা ফুটে যায়। কাঁটাটা খুলে ফেলে দিলেও বিষের ব্যথায় সে জর্জরিত হয়। তাই সে কাঁটার ব্যথায় আঁ আঁ বলে কেঁদে দিলো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

লখার আবেগের মধ্যে রাফিদের দেশপ্রেম, ভাষা আন্দোলনের শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং জাতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে নিজেকে শরিক করার ব্যাকুলতা ফুটে উঠেছে। ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন অবস্থানে থাকলেও, একুশের প্রতি তাদের মানসিক আবেগ এবং দেশাত্মবোধ একই তারে বাঁধা।

উদ্দীপকের রাফিদ একজন প্রবাসী। মহান একুশে ফেব্রুয়ারির এই দিনে দূরদেশে বসেও তার মাতৃভূমি, দেশের শহিদ মিনারে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য এবং সেই অনুষ্ঠানে অর্ণবদের অংশগ্রহণের কথা বারবার মনে পড়ছে। সে নিজে এই মহৎ কাজে শামিল হতে না পারার জন্য কষ্ট পাচ্ছে এবং আগামী বছর যেন সেও অংশ নিতে পারে তার জন্য দোয়া চাইছে। এটি তার গভীর দেশপ্রেম, জাতীয় চেতনা এবং ভাষা আন্দোলনের শহিদদের প্রতি অবিচল শ্রদ্ধারই পরিচায়ক।

অন্যদিকে, পাঠ্যবইয়ের ‘একুশের গল্প’ বা ‘একুশের গান’ (ধারণা করা হচ্ছে পাঠ্যবইয়ে লখা চরিত্রটি একুশে ফেব্রুয়ারির প্রেক্ষাপটে আছে) গল্পের লখা প্রতিকূল পরিবেশ, শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে খালি পায়ে বরফশীতল ভোরে ফুল কুড়িয়ে শহিদ মিনারে যায় শ্রদ্ধা জানাতে। তার এই আত্মত্যাগ ও গভীর অনুরাগ রাফিদের দেশের প্রতি টান এবং একুশের চেতনায় শরিক হওয়ার আকুলতারই প্রতিচ্ছবি। উভয়ের আবেগের মূল সুর একই – মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা এবং শহিদদের প্রতি অপরিমেয় মমতা।

Satt AI
Satt AI
17 hours ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত রাফিদ এবং 'লখার একুশে' গল্পের লখা উভয়েই একুশে ফেব্রুয়ারির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রদর্শন করেছে। তবে তাদের পরিস্থিতি, দেশপ্রেম প্রকাশের ধরন এবং আত্মত্যাগের ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে। আলোচ্য উক্তিটি যথার্থ, কারণ রাফিদ চরিত্রে লখার প্রকৃত প্রতিফলন ঘটেনি।

'লখার একুশে' গল্পের লখা হলো একজন পথশিশু, যে শীতের ভোরে খালি পায়ে, শত কষ্ট সত্ত্বেও শহীদ মিনারে ফুল দিতে যায়। তার গায়ে গরম কাপড় নেই, পায়ে জুতো নেই, এমনকি পেট ভরা খাবারও নেই। তবুও মাতৃভাষার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা তাকে কাঁটাঝোপ থেকে রক্ত ঝরিয়ে ফুল সংগ্রহ করতে অনুপ্রাণিত করে। সে কোনো জ্ঞান বা ইতিহাস জেনে নয়, বরং হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে একুশের চেতনাকে ধারণ করে। তার দেশপ্রেম সক্রিয় অংশগ্রহণ ও চরম প্রতিকূলতা অতিক্রমের মাধ্যমে প্রকাশিত।

অন্যদিকে, উদ্দীপকের রাফিদ একজন প্রবাসী। সে দূরদেশে বসে একুশে ফেব্রুয়ারির কথা স্মরণ করছে এবং শহীদ মিনারে উপস্থিত হতে না পারার কষ্ট অনুভব করছে। তার দেশপ্রেম একুশের চেতনাকে মনে রাখার মধ্য দিয়ে এবং আগামী বছর অংশ নেওয়ার আকাঙ্ক্ষার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়। রাফিদের অবস্থা হচ্ছে দূর থেকে স্মৃতিরোমন্থন ও অংশ নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা, যেখানে শারীরিক কষ্ট বা সরাসরি আত্মত্যাগের বিষয়টি অনুপস্থিত। সে আরামদায়ক পরিবেশে থেকেও দিবসটি স্মরণ করছে, যা লখার কষ্টকর ও আত্মত্যাগমূলক অংশগ্রহণের থেকে ভিন্ন।

লখা প্রতিকূল পরিবেশে থেকেও স্বতঃস্ফূর্তভাবে আত্মত্যাগের মাধ্যমে একুশের চেতনাকে ধারণ করেছে, যা সংগ্রাম ও অর্জনের প্রতীক। পক্ষান্তরে রাফিদ ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে সরাসরি অংশ নিতে না পারলেও একুশের চেতনার প্রতি তার গভীর সম্মান ও অংশীদার হওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। তাই, উভয়ের দেশপ্রেম ও শ্রদ্ধাবোধ থাকলেও, রাফিদ চরিত্রে লখার স্বতঃস্ফূর্ত, আত্মত্যাগমূলক ও কষ্টসাধ্য অংশগ্রহণের যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি – এই বিশ্লেষণটি সঠিক।

Satt AI
Satt AI
23 hours ago
78

লখার রাতের বিছানা ফুটপাতের কঠিন শান। এই শান দিনের বেলায় রোদে পুড়ে গরম হয়। রাতে হিম লেগে বরফের মতো ঠান্ডা হয়। ঠান্ডা শানে শুয়ে লখার বুকে কাশি বসে। গায়ে জ্বর ওঠে।

বাপকে লখা দেখেনি। চেনে না। মা তার ত্যানাখানি পরে দিনভর কেঁদে-কেঁদে ভিখ মেঙে ফেরে। লখার দিন কাটে গুলি খেলে, ছেঁড়া কাগজ কুড়িয়ে, বন্ধুদের সঙ্গে মারামারি করে আর খাবারের দোকানের এঁটোপাতা চেটে। রাতে মায়ের পাশে লখা খিদের কষ্ট ভুলে যায়।

এই লখা, ছায়া দেখলে বুক কাঁপে যার, সে আজ ভোররাতে মায়ের পাশ থেকে উঠে পড়ল। মা মুখ হাঁ করে ঘুমুচ্ছে। লখা চুপি চুপি পা ফেলে হারিয়ে গেল ধোঁয়া-ধোঁয়া কুয়াশার মধ্যে।

খানিকটা এগিয়ে উঁচু রেললাইন যেন দুটো মরা সাপ। পাশাপাশি শুয়ে আছে চুপচাপ। লখা ইটের টুকরো দিয়ে ইস্পাতের লাইনে ঠুক-ঠুক ঠুকে তার উপর কান পাতল। হ্যাঁ, শব্দ শোনা যাচ্ছে। যেন গানের সুরলহরি বয়ে যাচ্ছে কানের ভিতর দিয়ে। লখা ভারি মজার দুষ্টু ছেলে। গানের মজা ফুরিয়ে গেলে পর এক লাফে লাইন পেরিয়ে ওপারে পৌঁছে গেল। সেখানে মস্ত নিচু খাদ। তার ভিতর গড়িয়ে পড়লে হাত-পা ভাঙবে নির্ঘাত। খুব সাবধানে খাদ পেরিয়ে ওপারের ডাঙায় উঠে এলো সে। ডাঙাটা আসলে বনজঙ্গলে অন্ধকার। ঝিঁঝি পোকা ডাকছে আর ধেড়ে ধেড়ে গাছের ঝাঁকড়া ছায়া মাথা নেড়ে নেড়ে ভয় দেখাচ্ছে লখাকে।

খচ করে কাঁটা ঢুকে গেল বাঁ পায়ে। কীসের কাঁটা? হবে হয়তো বাবলা-টাবলার। লখা উবু হয়ে বসে কাঁটাটা খসিয়ে দূরে ছুড়ে ফেলে দিলো। কিন্তু বিষ তো যায় না। কী অসহ্য যন্ত্রণা! আঁ আঁ বলে কেঁদে দিল লখা। কিন্তু কাঁদলে তো চলবে না। সময় নেই আর। তাকে যে যেতেই হবে। আবছা অন্ধকার। ফিনফিনে ঠান্ডা।

গাছের পাতা বেয়ে শিশির গড়িয়ে পড়ছে। খুক খুক করে কাশি আসছে লখার। খালি গা শিশিরে ভিজে শীত লাগছে। একটা ছ্যাঁচড়া ডাল লখার হাফপ্যান্টটা টেনে ধরেছে পিছন দিক দিয়ে। প্যান্ট আধখসা অবস্থায় দৌড়াতে লাগল সে।

একটা খেঁকশেয়াল বুঝি তাকিয়ে দেখছিল তাকে। দেখুক গে। এখন ভয় ভয় করলে দেরি হয়ে যাবে। কাজেই এবার চোখ-কান বুজে দৌড় শুরু করতে হলো তাকে। আর শেষটায় সেই অদ্ভুত গাছটার নিচে পৌঁছে গেল লখা, যার ডালে ডালে রক্তের মতো টুকটুকে লাল ফুল। দিনের বেলায় রেললাইনের উপর দাঁড়িয়ে অবাক হয়ে থোকা থোকা ফুলের লাল ঝুঁটির পানে তাকিয়ে থাকে সে। এখন ওই উপরের এক থোকা ফুল তার পেড়ে আনা চাই।

হাতের মুঠো পাকিয়ে মনটাকে শক্ত করে নিল লখা। তারপর চড় চড় করে গাছে উঠে গেল। একেবারে কাঠবেড়ালির বাচ্চা যেন। মগডালের কাছাকাছি এসে কয়েকটা তুলোমিঠের মতো বড়ো বড়ো থোকা পেয়ে গেল সে। শিশিরে ভেজা তুলতুলে। তা হোক, তোমরা এখন আমার। নাও সব টুপটাপ নেমে এসো তো আমার মুঠোর মধ্যে। কষ্ট লাগছে। আহা! কীসের কষ্ট? এই তো একটু পরে আমি তোমাদের এমন একটা উঁচু জায়গায় নিয়ে রেখে দেবো, যেখান অবধি তোমরা এই গাছের মগডালে কোনোদিন উঠতে পারবে না। এসো, এসো, লক্ষ্মীসোনারা সব নেমে এসো তো।

ফুল নিয়ে যখন মাটিতে নেমে এলো লখা, তখন সারা শরীর জ্বলে যাচ্ছে তার। কনুই ও বুকে চটচটে ঠান্ডা। হাত দিয়ে টের পায়, টাটকা রক্ত। গাছের ডালপালা কাঁটায় ভর্তি। গা-হাত-পা ছিঁড়ে গেছে আঁচড় লেগে। তাতে কী! জিতে গেছি আমি। গর্বে বুক ফুলে ওঠে লখার।

সেদিন সকাল ছিল বড় আশ্চর্য সুন্দর। আকাশে হালকা কুয়াশা। অল্প অল্প শীত। আর দক্ষিণের সামান্য বাতাস। পথে পথে মিছিলের ঢল নেমেছে। শত শত মানুষ। হাতে ফুলের গুচ্ছ। ঠোঁটে প্রভাতফেরির গান। ধীর পায়ে শহিদ মিনারের দিকে এগিয়ে চলেছে। এই ভিড়ের মধ্যে ক্ষুদে টোকাই লখাকে ঠিকই দেখা যাচ্ছে। তাকে চিনতে কষ্ট হয় না। কারণ মিছিলের সবার গায়ে চাদর, কোট, সোয়েটার। শুধু তার গা খোলা উদাম, গাঢ় কালো। হাত উপচে পড়ছে রক্তলাল ফুলের গুচ্ছ। মিছিলে পা মিলিয়ে সেও চলেছে শহিদ মিনারে ফুল দিতে। সবার সঙ্গে গলা মিলিয়ে গেয়ে চলছে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি? কিন্তু তার গলা দিয়ে কথা তো ফোটে না, শুধু শব্দ হয় আঁ আঁ আঁ আঁ।
আসলে কথা ফুটবে কী করে! লখা যে জন্মবোবা। বাংলা বুলি তার মুখে ফুটতে পায় না। সে মনে মনে বলে অআকখ। বাইরে শব্দ হয় - আঁ আঁ আঁ আঁ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ফুল সংগ্রহ করতে পেরে লখা অন্তঃকরণে গর্ব অনুভব করে।

ফুটপাতে ঘুমানো এক প্রতিবন্ধী কিশোর লখা। ভাষা শহিদদের প্রতি তার বুকে রয়েছে অপরিমেয় শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা। তাই সে একুশে ফেব্রুয়ারির ভোর রাতে অনেক কষ্টে গাছের মগডাল থেকে থোকা থোকা লাল ফুল সংগ্রহ করে। ফুলগুলো হাতে নিয়ে আত্মতৃপ্তিতে লখা ভাবে, তার জয় হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ইশতিয়াক আর 'লখার একুশে' গল্পের লখার কাছে শহিদ দিবস ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে হাজির হয়েছে।

'লখার একুশে' গল্পে লখা নামের এক পথশিশুকে কেন্দ্র করে গল্পকার একুশের অবিনাশী চেতনার দিকটি তুলে ধরেছেন। শারীরিক সমস্যা সত্ত্বেও লখা একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদানের জন্য অন্য সবার মতো আগ্রহী হয়ে ওঠে।

পরিবেশ ও পরিস্থিতি বদলে গেলে মানুষের আবেগ প্রকাশের ধরনও বদলে যায়। বদলে যায় মানুষের কাজের কৌশল। লখার মতো ইশতিয়াকও শহিদ দিবসে প্রভাতফেরিতে অংশগ্রহণ করত। তাছাড়া সে বক্তৃতা ও আবৃত্তি শুনত। কিন্তু জাপানে পড়াশোনা করতে চলে যাওয়ায় ইশতিয়াক শহিদ দিবস উদ্যাপন করতে পারবে না ভেবে কষ্ট পায়। তাই সে শহিদ দিবস উদ্যাপন করার পরিকল্পনা করে ভিন্ন আঙ্গিকে। সহপাঠীদের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ইতিহাস শোনানোর পরিকল্পনা করে সে। অন্যদিকে, ফুটপাতে বড়ো হওয়া লখার বাস্তবতা ভিন্ন। সে অনেক কষ্ট করে লাল ফুল সংগ্রহ করে শহিদদের প্রতি সম্মান জানায়। কথা বলতে পারে না বলে 'আঁ আঁ' করে প্রভাতফেরির গান গায়। তাই বলা যায়, লখা এবং ইশতিয়াক দুজনের কাছে শহিদ দিবস ভিন্ন আঙ্গিকে এসেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
274
উত্তরঃ

ইশতিয়াক জাপানে গিয়ে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও শহিদ দিবস উদ্‌যাপন করতে চায়। তার এই আকাঙ্ক্ষাকে লখার আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন হিসেবে গণ্য করা যায়।

'লখার একুশে' গল্পে বাষ্প্রতিবন্ধী লখা ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য একুশের প্রথম প্রহরে কাঁটাওয়ালা উঁচু গাছের মগডাল থেকে লাল ফুল পেড়ে আনে। ফুল পাড়তে গিয়ে গা-হাত-পা ছিঁড়ে রক্ত ঝরতে থাকে তার। তবুও সে দমে না গিয়ে ফুল নিয়ে আসে শহিদ মিনারে অর্পণের জন্য।

উদ্দীপকের ইশতিয়াক প্রতি বছর প্রভাতফেরিতে অংশগ্রহণ করত। আলোচনা, আবৃত্তি এসব শুনত। এবার পড়াশোনার জন্য জাপানে গিয়ে সেসব দিনের কথা মনে করে চোখে পানি আসে তার। এ কারণে সে তার বিদেশি সহপাঠীদের নিয়ে অন্যভাবে দিনটি উদ্‌যাপন করতে চায়।

ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর অভিপ্রায়ে লখা অনেক কাঁটার আঘাত সহ্য করে ফুল সংগ্রহ করে শহিদ মিনারে ছুটে যায়। তার এমন ইচ্ছার প্রতিফলন ইশতিয়াকের চিন্তাতেও লক্ষণীয়। জাপানে অবস্থান করেও একুশে ফেব্রুয়ারি দিনটিকে খুব মনে পড়ে তার। এজন্য সহপাঠীদের ভাষা সংগ্রামের ইতিহাস শুনিয়ে দিনটি উদ্যাপন করতে চায় সে। যা মূলত লখার শহিদ দিবস উদ্যাপনের আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথাযথ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
409
উত্তরঃ

প্রভাতফেরীতে লখার গলায় গানের শুধু আঁ আঁ আঁ শব্দ হয়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
195
উত্তরঃ

লখার জীবনের একমাত্র আপনজন তার মা। তাই সে সারাদিন পর রাতে মাকে পাশে পেয়ে খেতে না পাওয়ার কষ্ট ভুলে যায়।

লখার মা ছাড়া আর কেউ নেই। সে তার বাবাকে কখনো দেখেনি, চেনে না। লখা সারাদিন রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়ায়, দোকানের এঁটোপাত চেটে খায়। কিন্তু সারাদিনের এত দুঃখ, এত খিদের কষ্ট সে ভুলে যায় রাতের বেলা তার স্নেহময়ী মাকে কাছে পেয়ে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
260
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews