'প্রিয় স্বাধীনতা' কবিতায় কবি বাংলাদেশের গ্রামীণ প্রকৃতির সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন। নদীর পাশে গ্রাম খুব সুন্দর। গাছ-ঘেরা পুকুরপাড়ে আলো-ছাঁয়ার খেলা দেখা যায়। 'আবার কবি বাঁশবাগানের আধখানা চাঁদ ঝুলে থাকা আর জোনাকির সৌন্দর্যও তুলে ধরেছেন এ কবিতায়। ধানের গন্ধে কবি ছেলেবেলায় ফিরে যান। সে গ্রামে যেন প্রজাপতির মেলা বসে। কবি এমনই এক মায়াময় প্রকৃতিবেষ্টিত গ্রামের ছবি এঁকেছেন কবিতায়।
Related Question
View All'প্রিয় স্বাধীনতা' কবিতার কবির নাম শামসুর রাহমান। তিনি তাঁর পাড়াতলি গাঁয়ে যেতে চান।
কবি মেঘনা নদী ইঞ্জিনচালিত নৌকায় পাড়ি দেবেন। দুচোখ ভরে তিনি আলো-ছায়ার খেলা দেখবেন।
কবির গাঁয়ের পুকুরপাড় গাছে ঘেরা। তিনি সেখানে বিকেলবেলায় বসবেন।
কবি তাঁর গাঁয়ের রাতের সৌন্দর্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেছেন, সেখানে বাঁশবাগানে আধখানা চাঁদ দেখা যায়। আবার ঝোপেঝাড়ে বাতির মতো জোনাকি দেখা যায়।
'প্রিয় স্বাধীনতা' কবিতায় একটি নদীর কথা আছে। কবি মেঘনা নদীর বাঁকে ছুটে বেড়ান।
কবিতায় প্রজাপতির মেলার কথা বলা হয়েছে। কবি হলদে পাখির ডাকে চমকে ওঠেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!