নিচে প্রোক্যারিওটা ও ইউক্যারিওটা রাজ্যের মধ্যে পার্থক্য দেওয়া হলো-
| প্রোক্যারিওটা | ইউক্যারিওটা |
| ১. এরা আদিকোষী। | ১. এরা প্রকৃতকোষী। |
| ২. এদের কোষের কেন্দ্রিকা সুগঠিত নয়। | ২. এদের কোষের কেন্দ্রিকা সুগঠিত। |
| ৩. এদের ক্ষুদ্রাঙ্গ নেই। | ৩. এদের ক্ষুদ্রাঙ্গ থাকে। |
| ৪. নিউক্লিওলাস নেই। | ৪. নিউক্লিওলাস থাকে। |
Related Question
View Allপ্রকৃত পরজীবী কথাটির অর্থ হচ্ছে জীবিত জীবদেহ ছাড়া যেসব পরজীবীর অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। অর্থাৎ জীবদেহের বাইরে যেসব পরজীবী জীবনের কোনো লক্ষণই প্রকাশ করে না সেগুলোই প্রকৃত পরজীবী। যেমন- ভাইরাস।
ব্যাকটেরিয়াজনিত চারটি রোগ নিম্নরূপ-
১. নিউমোনিয়া,
২. রক্তামাশয়,
৩. ধনুষ্টংকার,
৪. কলেরা।
যেসব জীবকে খালি চোখে দেখা যায় না এবং যাদের নির্দিষ্ট কেন্দ্রিকাযুক্ত সুগঠিত কোষও নেই, তারাই অণুজীব। যেমন- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, শৈবাল ইত্যাদি।
ভাইরাসের দেহ দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত। এগুলো হলো-
১. আমিষ আবরণ ও ২. নিউক্লিক এসিড (ডিএনএ বা আরএনএ)।
অণুজীব জগৎকে তিনটি রাজ্যে ভাগ করা যায়। সেগুলো হলো-
১. এক্যারিওটা
২. প্রোক্যারিওটা ও
৩. ইউক্যারিওটা।
অকোষীয় রাজ্যের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এরা অতি অণুবীক্ষণিক জীব।
২. এদের দেখতে ইলেক্ট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!