ফরমালডিহাইড বা মিথান্যাল এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ। ফরমালডিহাইড বা মিথান্যাল (H-CHO) এর ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে। বর্ণহীন ও দূর্গন্ধযুক্ত গ্যাস হিসেবে এর সবিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এটি আগুনে জ্বলে এবং বিষাক্ত পদার্থবিশেষ।
Related Question
View Allইনসুলিন হলো এক ধরনের হরমোন, যা অগ্ন্যাশয় (Pancreas) থেকে নিঃসৃত হয়। এটি শরীরের রক্তের শর্করার (গ্লুকোজ) পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ইনসুলিনের কাজ:
ইনসুলিন রক্তের গ্লুকোজ কোষে প্রবেশ করতে সাহায্য করে, যেখানে গ্লুকোজ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় বা সঞ্চিত হয়। এটি রক্তে অতিরিক্ত চিনি জমা হওয়া রোধ করে এবং শরীরের শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। ইনসুলিনের অভাব বা কার্যক্ষমতায় সমস্যা হলে ডায়াবেটিস রোগ হতে পারে।
NATO (North Atlantic Treaty Organization) হলো একটি সামরিক জোট, যা ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে সম্মিলিত প্রতিরক্ষা প্রদান করা। এটি মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও প্রতিরক্ষার জন্য গঠিত হয়।
NATO-এর সদর দফতর:
NATO-এর সদর দফতর বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে অবস্থিত।
ভিটামিন ডি ছাড়া, হাড়গুলি পাতলা, ভঙ্গুর বা বিকৃত হতে পারে। শিশুদের মধ্যে, ভিটামিন ডি-এর অভাব রিকেটস হতে পারে, এমন একটি অবস্থা যা হাড়ের বিকৃতি ঘটায়, যখন প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে, এটি অস্টিওম্যালাসিয়া হতে পারে, যার ফলে হাড়ের ব্যথা এবং পেশী দুর্বলতা দেখা দেয়।
শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম অডিওমিটার ।
ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ ।
ডায়াবেটিস (বহুমূত্ররোগ) একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ, যেখানে শরীর রক্তে শর্করার (গ্লুকোজ) মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। এর প্রধান কারণ হলো ইনসুলিন হরমোনের অভাব বা ইনসুলিনের কার্যকারিতার ঘাটতি।
ডায়াবেটিসের প্রধান কারণগুলো হলো:
টাইপ-১ ডায়াবেটিস: এটি একটি অটোইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষগুলো ধ্বংস করে। ফলে ইনসুলিন উৎপাদন একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। এটি সাধারণত শিশু ও কিশোরদের মধ্যে দেখা যায়।
টাইপ-২ ডায়াবেটিস: এই ধরনের ডায়াবেটিসে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না বা তৈরি হওয়া ইনসুলিন সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না। এর প্রধান কারণগুলো হলো:
অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা: শরীরে অতিরিক্ত চর্বি ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।
শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা: নিয়মিত ব্যায়ামের অভাব ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা হ্রাস করে।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
পারিবারিক ইতিহাস: পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
বয়স: বয়স বাড়ার সাথে সাথে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস: গর্ভাবস্থায় কিছু নারীর রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়, যা গর্ভকালীন ডায়াবেটিস নামে পরিচিত।
অন্যান্য কারণ:
হরমোনজনিত সমস্যা: কিছু হরমোনের অতিরিক্ত উৎপাদন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ওষুধ, যেমন স্টেরয়েড, রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।
চাপ ও মানসিক স্ট্রেস: দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!