রান্না করার কাজে যে তেল ব্যবহার করা হয় তাই ভোজ্য তেল।
উপক্রান্তীয় অঞ্চলের নদী বিধৌত দেশ হিসেবে এবং মাটির প্রকৃতির ভিন্নতার কারণে এদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন প্রকৃতির ফসল জন্মে। রকমারি পশু-পাখিরও আবাসস্থল হিসেবে এদেশের জলবায়ু উপযোগী। তাই বাংলাদেশকে কৃষিজ বৈচিত্র্যের দেশ বলা হয়।
উদ্দীপকে ফারহান টিভি চ্যানেলে কৃষিবিষয়ক অনুষ্ঠান 'সবুজ বাংলাদেশ' দেখছিল। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশে স্ট্রবেরি চাষের ওপর প্রতিবেদন দেখানো হয়। বসম্প্রতি আমাদের দেশে বিদেশি ফল স্ট্রবেরির চাষ বেশ জনপ্রিয়তা লাভকরেছে। আমাদের মাটি ও জলবায়ু এ ফল চাষের উপযোগী। এই ফলটি জুস, জ্যাম, আইসক্রীম, মিল্ক শেক এবং আরও অনেক খাদ্য তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। প্রক্রিয়াজাত খাদ্যে স্ট্রবেরির সুগন্ধ ব্যবহার করা হয়। বাণিজ্যিক ফল হিসেবেও আন্তর্জাতিক বাজারে এটি গুরুত্বপূর্ণ ৈ ফসল। এটি বসতবাড়ির ছাদে ও বারান্দায় অনায়াসে চাষ করা যায়। এই ফলটিতে লেবু ও কমলার চেয়েও অধিক পরিমাণে ভিটামিন 'সি' রয়েছে। অতএব, উল্লিখিত কারণে স্ট্রবেরি চাষ বাংলাদেশে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
উদ্দীপকের প্রতিবেদনে দ্বিতীয় ফসলটি হলো ফুল।
মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশ থেকেই সৌন্দর্যের প্রতীক ফুলের সূচনা ঘটে। ফুল আমাদের সংস্কৃতির আনন্দময় অংশ। এদেশে অভিজাত ফুল গোলাপ থেকে শুরু করে শত রকমের ফুল জন্মায়। ফুল উপহার পেলে খুশি হয় না এমন মানুষ পাওয়াও বিরল। নগর জীবনেও ফুল একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হয়ে দাঁড়িয়েছে। উদ্যান, পার্ক, বারান্দার টবে ফুল চাষের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উৎসব, অনুষ্ঠান, গৃহসজ্জা, তোড়া, মালা, অঙ্গসজ্জাসহ নানাবিধ উপলক্ষ্যে ফুলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। নগরায়ণের চাপে ফুল লাভজনক পণ্য হয়ে দাঁড়ানোতে বাংলাদেশের কৃষিতে ক্রমশ ফুল উৎপাদন ও বিপণন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমনকি বিদেশেও ফুল রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে।
তাই বলা যায়, নাগরিক জীবনের ক্লান্তি দূর করে মানসিক প্রফুল্লতা আনতে ও নগরের শোভা বর্ধনে ফুলের গুরুত্ব অপরিসীম।
Related Question
View Allকৃষিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার আগে মানুষ ২টি উপায়ে, যথা-পশুপাখি শিকার অথবা ফলমূল আহরণ করে খাদ্য সংগ্রহ করত।
কতদিনের দৈর্ঘ্যের তারতম্যের কারণে বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন ফসল জন্মায়। কিন্তু কলা সব ঋতুতে জন্মায়, কারণ দিনের দৈর্ঘ্যের তারতম্য কলার ফুল ধারণের ওপর কোন প্রভাব ফেলে না। তাই কলাকে ঋতু নিরপেক্ষ ফল বলা হয়।
উদ্দীপকে রফিকের কৃষিজ সম্পদ বলতে একটি ছোট্ট বসতবাড়ি, ভর মাঝারি আকারের পুকুর ও ৫০ শতাংশ ফসলি জমি ছিল।
রফিক তাঁর চাচার পরামর্শমতো কৃষিজ সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহারের দ উদ্যোগ নেন। তিনি পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেন। উৎপাদিত মাছের ৬ মাধ্যমে তাঁর পরিবারের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হয়। অতিরিক্ত মাছ নয় তিনি বাজারে বিক্রি করেন, যার ফলে তাঁর অর্থনৈতিক সংকট দূর হয়। পরবর্তীতে রফিক তাঁর জমিতে ঋতুভিত্তিক ও লাভজনক ফসলের চাষাবাদ ২ শুরু করেন। এক্ষেত্রেও পারিবারিক খাদ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জন অতিরিক্ত ফসল বিক্রি করে তিনি বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হন।
অর্থাৎ, রফিক উল্লিখিত উপায়ে তাঁর কৃষিজ সম্পদের বহুমাত্রিক ব্যবহার জন করে লাভবান হয়েছিলেন।
রফিক তাঁর পুকুরে মাছ চাষ ও ৫০ শতাংশ জমিতে ফসল আবাদের উদ্যোগ নেন।
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে বাংলাদেশের কৃষি জমি, নদনদী ও খালবিল ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফলে দেখা দিচ্ছে খাদ্য ও পুষ্টির ঘাটতি। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৮০ গ্রাম আমিষের প্রয়োজন অথচ আমরা বর্তমানে গড়ে মাত্র ২১ গ্রাম আমিষ পেয়ে থাকি। রফিকের পুকুরে মাছ চাষ করার উদ্যোগ তাঁর পরিবারের সদস্যদের আমিষের চাহিদা পূরণ করবে। এছাড়াও অতিরিক্ত মাছ বাজারে বিক্রির ফলে তার অর্থনৈতিক সংকট দূর হবে এবং দেশে মাছের মোট উৎপাদনের সাথে সেটা যোগ হবে। এই বাড়তি উৎপাদন দেশের খাদ্য ও পুষ্টির ঘাটতি কিছুটা হলেও কমিয়ে আনবে। জমি পতিত না রেখে যথাযথভাবে ব্যবহারের ফলে দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
সুতরাং, রফিকের কৃষিজ সম্পদ ব্যবহারের উদ্যোগগুলো যুক্তিযুক্ত ও সময়োপযোগী।
মানুষ শিকারের যুগে আগুনের ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণ শিখেছিল।
পরিবার হলো মানব সমাজের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
খাদ্যসহ সার্বিক নিরাপত্তার প্রথম ও প্রধান কেন্দ্র হলো পরিবার। পরিবারসমূহ স্নেহ, ভালোবাসা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ দিয়ে সুরক্ষিত।
এছাড়া বয়স ও সক্ষমতা অনুযায়ী পরিবারের সদস্যরা কাজ ভাগ করে নেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
