ক্যারাম অভ্যন্তরীণ খেলা।
যে খেলা গৃহের বাইরে খোলা মাঠ বা জায়গায় খেলা হয় তাকে বহিরাঙ্গন খেলা বলে। যেমন: ফুটবল, কাবাডি, গোল্লাছুট ইত্যাদি। এ ধরনের খেলায় অঙ্গ সঞ্চালন হয়। বহিরাঙ্গন খেলা শরীর সুস্থ রাখে।
ফাহিম বহিরাঙ্গন খেলাধুলা করে।
'বহিরাঙ্গন খেলাগুলো হলো ফুটবল, ক্রিকেট, গোল্লাছুট, হা-ডু-ডু ইত্যাদি। এ ধরনের খেলা তার শারীরিক বিকাশে সহায়তা করে। বহিরাঙ্গন খেলাধুলার ফলে ফাহিমের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সুগঠিত এবং রক্ত চলাচল ভালো হয়। দূষিত পদার্থ তার ঘামের মাধ্যমে বের হয়ে যায় এবং মাংসপেশী সতেজ ও সবল থাকে। এতে ফাহিমের পেশী চালনার নৈপুণ্য অর্জিত হয়। ফলে তার হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়, ক্ষুধা বাড়ে এবং ঘুম ভালো হয়। খেলাধুলার ফলে বাড়তি খাদ্যশক্তি দহনের মাধ্যমে তার শরীর থেকে বের হয়ে যায়। ফলে তার দেহে মেদ জমে না।
সুতরাং, বহিরাঙ্গন খেলাধুলা ফাহিমের শারীরিক বিকাশ ও সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
খেলা অভ্যন্তরীণ ও বহিরাঙ্গন উভয় ধরনের হয়।
বহিরাঙ্গন খেলা অতিরিক্ত খাদ্যশক্তি শরীর হতে বের করে দিয়ে শিশুকে সুস্থ, সবল ও প্রাণবন্ত রাখে। জাহিদ দাবা, লুডু খেলতে পছন্দ করে। এ ধরনের খেলায় তার শক্তি ব্যয় হয় না। ফলে অতিরিক্ত শক্তি তার দেহে মেদ আকারে জমা হতে থাকে। এভাবে দিন দিন সে মোটা হয়ে যাচ্ছে এবং কর্ম উদ্দীপনা হারাচ্ছে। ফলে সে কোনো কাজ করলে দুর্বল হয়ে পড়ে। তার ঘুম হচ্ছে না, শরীর প্রায়ই অসুস্থ থাকছে। এ কারণে জাহিদের বহিরাঙ্গন খেলা জরুরি। দৌড়ঝাঁপ, সাঁতার কাটা, ফুটবল বা ক্রিকেট খেললে তার শারীরিক পরিশ্রম হবে। এতে তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ব্যায়াম এবং রক্ত চলাচল ভালো হবে। তার হজমশক্তি বৃদ্ধি পাবে ও ঘুম ভালো হবে। এছাড়াও তার মাংসপেশী সতেজ থাকবে এবং মেদ জমবে না। তার হৃদযন্ত্রের ও শ্বাসযন্ত্রের বিশেষ উপকার হবে। তাই জাহিদের জন্য বহিরাঙ্গনের খেলা প্রয়োজন।
Related Question
View Allবিভিন্ন দেশের মুদ্রা ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়ে থাকে। এদের নামও ভিন্ন।
মুদ্রায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, স্থান ও প্রতীকের ছাপ থাকে। যেমন- বাংলাদেশের মুদ্রার উপর শাপলা, যমুনা সেতু, পরিবার ইত্যাদির ছবি আছে। এসব ছবি থেকে বাংলাদেশের কৃষ্টি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায়। তাই মুদ্রা সংগ্রহ বিনোদনের পাশাপাশি জ্ঞান বৃদ্ধিতেও সহায়ক।
ফারাজের অবসর সময় কাটানোর উপায়টি বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়।
সে অবসর সময়ে কাগজ কেটে বিভিন্ন রকম ফুল, পাখি ও নকশা তৈরি করে, যা তার সৃজনশীল গুণাবলিকে বিকশিত করে। এর মাধ্যমে ফারাজ
নিজের উদ্ভাবনী ক্ষমতার প্রকাশ বা নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারবে। এছাড়া ডাকটিকিট সংগ্রহের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের নাম, প্রতীক, ঐতিহ্য সম্পর্কে সে জানতে পারবে। আবার ছড়া, রম্য রচনা, মুক্তিযুদ্ধের বই, কার্টুন, রহস্যমূলক বই, গল্প, বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গের জীবনী পড়ে ফারাজের জ্ঞান ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে এবং কল্পনা ও চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটবে। এভাবেই অবসর সময় কাটানোর উপায়গুলো ফারাজের বুদ্ধি ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটাবে।
খেলাধুলা আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দলগত খেলার মাধ্যমে আমরা সামাজিক গুণাগুণ অর্জন করি।
খেলাধুলার মাধ্যমে আমরা যখন অন্যের সাথে মেলামেশা করি, কথা বলি, দল গঠন করি তখন আমাদের মধ্যে সামাজিক বিকাশ ঘটে। এছাড়া খেলাধুলার মাধ্যমে আমাদের দলীয় নিয়মকানুন মেনে চলা, সচেতনতা ও একে অপরকে সহযোগিতা করার প্রবণতা গড়ে ওঠে। যেমন- ফুটবল, হা-ডু-ডু, ক্রিকেট, কানামাছি ইত্যাদি দলগত খেলা সামাজিক বিকাশ ঘটায়।
ফারাজ ফুটবল টিমের নির্ভরযোগ্য একজন গোলকিপার। যেহেতু ফুটবল খেলা সামাজিক বিকাশ ঘটায় সেহেতু আমরা বলতে পারি, ফারাজকে অনুসরণ করার মাধ্যমে সামাজিক গুণাবলি অর্জন সহজেই সম্ভব। এছাড়া ফারাজ প্রতিবেশির বিপদে আপদে সহযোগিতা করার চেষ্টা করে, যার মাধ্যমেও সামাজিক গুণ অর্জন সম্ভব।
প্রতিটি সুস্থ শিশু দিনের অধিকাংশ সময় খেলাধুলা করে কাটায়।
শিশু জন্মের প্রথম বছরে একা একা নিজের হাত-পা নিয়ে খেলে।
দেড় থেকে তিন বছর বয়সী শিশুরা সাধারণত একে অন্যের সাথে না খেলে পাশাপাশি বসে একই খেলনা দিয়ে খেলে। তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুরা পরস্পরের মধ্যে খেলার সামগ্রী বিনিময় করে খেলে। পাঁচ-ছয় বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে দল গঠন করে খেলার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। এভাবেই বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে খেলার প্রকৃতি পরিবর্তিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!