ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি প্রদানকারী সর্বশেষ রাষ্ট্র কোনটি?

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ফিলিস্তিনকে সর্বশেষ স্বীকৃতি প্রদানকারী রাষ্ট্রটি হলো ভুটান। ভুটান ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

Md Obydul Islam
Md Obydul Islam
11 months ago
399
  • রাষ্ট্রীয় নামঃ State of Palestine
  • রাজধানীঃ জেরুজালেম
  • ভাষাঃ আরবি
  • মুদ্রাঃ দিনার

ফিলিস্তিন সমস্যার প্রেক্ষাপট

ভূমধ্যসাগরের পূর্বে ১০,৪২৯ বর্গমাইলব্যাপী ফিলিস্তিন দেশটি ছিল উসমানীয় খেলাফতের অধীন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যারা ছিল ব্রিটেন-বিরোধী জোটে। তখন যুদ্ধ জয়ে ফিলিস্তিনদের সহযোগিতা পাওয়ার আশায় ১৯১৭ সালে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড বেলফোর যুদ্ধে জয়ী হলে এই ভূমিতে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে বলে আশ্বাস দেন। যা ইতিহাসে "বেলফোর ঘোষণা" হিসেবে পরিচিত। যেহেতু ফিলিস্তিন অঞ্চলে আরবীয়রা ছিল ইহুদিদের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি, সেহেতু ঘোষণাটি তাদের অনুকূল বলেই ধরে নেয় স্থানীয় আরবীয়রা।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রয়োজনে দূর্লভ বোমা তৈরির উপকরণ কৃত্রিম ফসফরাস তৈরি করতে সক্ষম হন ইহুদি বিজ্ঞানী ড. ওয়াইজম্যান। ফলে আনন্দিত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলেন কী ধরনের পুরস্কার তিনি চান? উত্তর ছিল- "অর্থ নয়, আমার স্বজাতির জন্য এক টুকরো ভূমি আর তা হবে ফিলিস্তিন ফলে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডটি ইহুদিদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেয় ব্রিটেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ জয়ের পর ব্রিটেন স্বাধীনতা দেয়ার অঙ্গীকারে ১৯১৮ সাল থেকে ৩০ বছর দেশটিকে নিজেদের অধীন রাখে। মূলত এই সময়টিই ফিলিস্তিনকে আরব-শূন্য (বিশেষত মুসলিম-শূন্য) করার জন্য কাজে লাগায় ইঙ্গ-মার্কিন শক্তি ।

জেনে নিই

  • ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মার্যাদা পায় ২৯ নভেম্বর ২০12 |
  • পি.এল.ও গঠিত হয়- ১৯৬৪ সালে।
  • পি.এল.ও এর বর্তমান প্রধান মাহমুদ আব্বাস।
  • পি.এল.ও এর সদর দপ্তর ফিলিস্তিনের রামাল্লায় (ওরিয়েন্ট হাইজ)।
  • স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয়- আলজেরিয়া। ফিলিস্তিনের সার্বভৌমত্ব নেই।
  • আরব ইসরাইল যুদ্ধ হয় ৪ বার (১৯৪৮, ১৯৫৬, ১৯৬৭, ১৯৭৩)
  • ১৯৬৭ সালে আরব- ইসরাইল যুদ্ধ স্থায়ী ছিল ৬ দিন ।
  • ওয়াফা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা।
  • UNESCO হেবরন শহরকে শান্তির শহর বলে ঘোষণা করে।
  • হেরবন মসজিদে হত্যাকান্ড চালায়- ডা: গোল্ড স্টেইন।
  • 'ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির উদ্যোক্তা- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
  • ‘ক্যাম্প ডেভিড’ যুক্তরাষ্ট্রের মেরীল্যান্ডে অবস্থিত।
  • ইন্তিফাদা আরবি শব্দ এর অর্থ জাগরণ বা প্রতিরোধ বা অভ্যূত্থান ।
  • ফিলিস্তিনিদের নিকট গাজা হস্তান্তর করা হয়- ১৭মে, ১৯৯৮ সালে।
  • ইয়াসির আরাফাতের দলের নাম- ‘আল ফাতাহ'।
  • ফাতাহ দিবস ১ জানুয়ারী, ১৯৬৫ সালে ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে ফিলিস্তিন মুক্তি আল ফাতাহ গ্রুপে গঠিত হয়। তাই এর দিনটি ফাতাহ দিবস নামে পরিচিত
  • ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউজে পিএলও -ইসরায়েল স্বায়ত্তশাসন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।
  • স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সর্ব প্রথম স্বীকৃতি দানকারি দেশ আলজেরিয়া ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সম্প্রতি (মে-২৪) ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউরোপের তিন দেশ- স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে।

511
উত্তরঃ

গাজা উপত্যকা এবং সমস্ত ফিলিস্তিনের বৃহত্তম শহর হলেন গাজা শহর এবং পশ্চিম তীরে বৃহত্তম ফিলিস্তিনের শহর হেব্রন। কিছু শহর অন্যান্য শহর বা শহরগুলির সাথে মিলিত করে, যেমন বেইট জালাহা এবং বিট সাহুরের সাথে বেথলেহেম মহানগর অঞ্চল। রামাল্লাহ এবং আল-বীরহও একত্রিত হয় এবং প্রায়শই একটি শহর হিসাবে বিবেচিত হয়।

242
উত্তরঃ

ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংঘাত বর্তমান বিশ্বের দীর্ঘতম এবং সবচেয়ে জটিল ভূ-রাজনৈতিক সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি মূলত ভূমি, ধর্ম, জাতীয়তাবাদ এবং আত্মপরিচয়ের অধিকার নিয়ে একটি বহুমুখী সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের এই ভূখণ্ডটি মুসলিম, খ্রিস্টান ও ইহুদি এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছেই পবিত্র, যা এই সংকটকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংকটের মূলে রয়েছে বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে চলে আসা ভূমি ও জাতীয়তাবাদের লড়াই। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯১৭ সালে ব্রিটিশ সরকার 'বেলফোর ঘোষণা'-র মাধ্যমে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিলে এই সংকটের আনুষ্ঠানিক সূত্রপাত হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯২০ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ ম্যান্ডেট চলাকালে ইউরোপ থেকে প্রচুর ইহুদি ফিলিস্তিনে অভিবাসিত হতে থাকে, যা স্থানীয় আরবদের মধ্যে অস্তিত্বের সংকট তৈরি করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৭সালে জাতিসংঘ ফিলিস্তিনকে আরব ও ইহুদি এই দুই ভাগে বিভক্ত করার প্রস্তাব দেয়, যা ইহুদিরা মেনে নিলেও আরবরা প্রত্যাখ্যান করে। ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরাইল স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলে শুরু হয় প্রথম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ। এই যুদ্ধে ইসরাইল জয়লাভকরে এবং বিপুল পরিমাণ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়, যা ফিলিস্তিনিদের কাছে 'নাকবা' বা বিপর্যয় হিসেবে পরিচিত। সংকটের সবচেয়ে জটিল পর্যায়টি আসে ১৯৬৭ সালের 'ছয় দিনের যুদ্ধ'-এর মাধ্যমে। এই যুদ্ধে ইসরাইল জর্ডানের কাছ থেকে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম এবং মিশরের কাছ থেকে গাজা উপত্যকা দখল করে নেয়। এরপর থেকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপন এবং জেরুজালেমের পবিত্র স্থানসমূহের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত চরম আকার ধারণ করে। ১৯৯৩ সালের ওসলো চুক্তি একটি আশার আলো দেখালেও সীমানা নির্ধারণ, উদ্বাস্তুদের অধিকার এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের মতো মৌলিক বিষয়গুলো আজও অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য সুচিন্তিত মতামত:

এই দীর্ঘমেয়াদী সংকটের একটি স্থায়ী ও ন্যায়সংগত সমাধানের জন্য নিম্নলিলখিত পদক্ষেপগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে:

১. দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়ন: আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃত পথ হলো ১৯৬৭ সালের যুদ্ধপূর্ব সীমানা অনুযায়ী একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। যেখানে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করবে।

২. জেরুজালেমের মর্যাদা নির্ধারণ: জেরুজালেম উভয় পক্ষের কাছে অত্যন্ত সংবেদনশীল। সমাধান হিসেবে পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী এবং পশ্চিম জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া যেতে পারে, অথবা শহরটিকে আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা যেতে পারে।

৩. অবৈধ বসতি স্থাপন বন্ধ: আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপন অবৈধ। শান্তি আলোচনার স্বার্থে ইসরাইলকে এই বসতি স্থাপন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে এবং অধিকৃত ভূখণ্ড থেকে ক্রমান্বয়ে সৈন্য প্রত্যাহার করতে হবে।

৪. ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের প্রত্যাবর্তন: ১৯৪৮ এবং ১৯৬৭ সালে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমিতে ফেরার অধিকার অথবা সম্মানজনক ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. বৈশ্বিক মধ্যস্থতা ও নিরাপত্তা পরিষদের সক্রিয়তা: জাতিসংঘ ও পরাশক্তিগুলোকে (যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া ও ইইউ) পক্ষপাতহীনভাবে একটি টেকসই শান্তি রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে যাতে উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

1
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews