উৎপাদনকারীর নিকট থেকে পণ্যসামগ্রী যে পথ ধরে বা মধ্যস্থব্যবসায়ীর হাত ঘুরে প্রকৃত ভোগকারী বা শিল্প ব্যবহারকারীর নিকট পৌঁছে তাকেই পণ্য বণ্টনপ্রণালি বলে।
বণ্টনপ্রণালি হলো কতিপয় আন্তঃসম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সমষ্টি। এরা ভোক্তাদের নিকট পণ্যের প্রবাহ পরিচালনা করে। বণ্টনপ্রণালিতে পণ্যের মালিকানাস্বত্ব হস্তান্তরিত হয়। এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা উৎপাদনকারীর নিকট হতে ভোক্তার নিকট পৌঁছে। বণ্টন
প্রক্রিয়াটি সংক্ষিপ্ত বা দীর্ঘ হতে পারে। নিচে চিত্রের মাধ্যমে পণ্য
বণ্টনপ্রণালিকে উপস্থাপন করা হলো: উৎপাদনকারী ডিলারপাইকারখুচরা ব্যবসায়ীভোক্তা
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allবিক্রয়কর্মীর মধ্যে মিশুকতা, মার্জিত আচরণ, সামাজিক মূল্যবোধ প্রভৃতি গুণের সমষ্টিকে সামাজিক গুণাবলি বলে।
যে বিশেষ কৌশল বা প্রক্রিয়ায় বিক্রেতা ক্রেতাকে সরাসরি পণ্য বা সেবা ক্রয়ে প্ররোচিত করে প্রকৃত ক্রেতায় পরিণত করে তাকে ব্যক্তিক বিক্রয় বলে।
ব্যক্তিক বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রয়কর্মী সম্ভাব্য ক্রেতার নিকট সরাসরি উপস্থিত হয়ে পণ্য বা সেবার নানান তথ্য তাদেরকে প্রদান করে। তাছাড়া পণ্য বা সেবা সম্পর্কে ক্রেতাদের আরো কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে তার উত্তর বিক্রয়কর্মীরা তাৎক্ষণাৎ মৌখিকভাবে প্রদান করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে লিখিত আকারে পণ্য বা সেবা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা হলেও তা সারসংক্ষেপ মাত্র। এক্ষেত্রে মৌখিক উপস্থাপনাই মূখ্য ভূমিকা রাখে। তাই বলা যায়, ব্যক্তিক বিক্রয় হলো পণ্য বা সেবার মৌখিক উপস্থাপনা।
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি বিক্রয়কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে শারীরিক গুণাবলির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
মানুষের যেসব গুণ জন্মগত এবং প্রকৃতি প্রদত্ত সেসব গুণকে শারীরিক গুণাবলি বলে। শারীরিক গুণাবলি দৃশ্যমান এবং অদৃশ্যমান উভয়ই হতে পারে।
উদ্দীপকের রকি ফোন কোম্পানি 'একতা' সীম বিক্রয়ের জন্য প্রখর দৃষ্টিশক্তি, সুন্দর চেহারা এবং সুস্বাস্থ্যোর অধিকারী মি. মিঠু ও মি. রিমুকে নিয়োগ দেয়। এক্ষেত্রে তারা বিক্রয়কর্মীর শারীরিক গুণাবলিকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েছে। প্রখর দৃষ্টিশক্তি হলো বিক্রয়কর্মীর শারীরিক গুণাবলির অন্তর্গত একটি অদৃশ্য গুণ এবং সুন্দর চেহারা ও সুস্বাস্থ্য হলো একটি দৃশ্যমান গুণ। সুতরাং প্রতীয়মান হয় যে, উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি বিক্রয়কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বিক্রয়কর্মীর শারীরিক গুণাবলিকে প্রাধান্য দিয়েছে।
হ্যাঁ, আমি মনে করি উদ্দীপকের মি. মিঠু ও মি. রিমুর কর্মপ্রচেষ্টা শিক্ষালব্ধ।
একজন বিক্রয়কর্মীর মধ্যে যেসব গুণাবলি পরিলক্ষিত হয় সেগুলোর মধ্যে শারীরিক গুণাবলি অন্যতম। বিক্রয়কর্মীর শারীরিক গুণাবলি জন্মগত এবং প্রকৃতি প্রদত্ত হলেও শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এর কিছু কিছু উপাদান নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
উদ্দীপকের রকি ফোন কোম্পানি 'একতা' সীম বিক্রয়ের জন্য প্রখর দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন, সুন্দর চেহারা এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী মি. মিঠু ও মি. রিমুকে নিয়োগ দেয়। নিয়োগের পর প্রতিষ্ঠানটি তাদেরকে এক সপ্তাহ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিক্রয়ের কাজে পারদর্শী করে তোলে। এরূপ প্রশিক্ষণের ফলে তারা অধিক পারদর্শী হয়ে উঠে এবং অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে। উল্লেখ্য যে, তারা যদি সঠিক প্রশিক্ষণ না পেতেন তাহলে দৃষ্টিশক্তি, সুন্দর চেহারা এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে সফলতার সাথে বিক্রয়কার্য সম্পন্ন করতে পারতেন না। কেননা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন বিক্রয়কর্মী সফল বিক্রয়কর্মী হয়ে ওঠার কলাকৌশল রপ্ত করতে পারেন। পরবর্তীতে এসব কৌশল প্রয়োগ করে সহজেই সফলতা অর্জন করা যায়।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের মি. মিঠু ও মি. রিমু প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই বিক্রয়িকতার গুণাবলি অর্জন করেছেন। এ অর্থে তাদের কর্মপ্রচেষ্টা শিক্ষালব্ধ।
বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য গৃহীত স্বল্পকালীন উদ্দীপনামূলক কার্যক্রমকে বিক্রয় প্রসার বলে।
যে বিশেষ কৌশল বা প্রক্রিয়া অবলম্বনের মাধ্যমে একজন বিক্রয়কর্মী সম্ভাব্য ক্রেতাকে বিক্রয়তব্য পণ্য বা সেবা সম্পর্কে আগ্রহী করে তুলে প্রকৃত ক্রেতায় পরিণত করে তাকেই বিক্রয়িকতা বলে।
বিক্রয়িকতা শিক্ষালব্ধ এবং জন্মগত উভয়ই। বিক্রয়িকতা আশাবাদ, অধ্যাবসায়, শিক্ষা, আন্তরিকতা, বুদ্ধিমত্তা, ভদ্রতা, সামাজিক আচরণ ইত্যাদি কতিপয় গুণের সমাহার। শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে বিক্রয়কর্মীকে এগুলো অর্জন করতে হয়। তাই বিক্রয়িকতা শিক্ষালব্ধ। আবার, বিক্রয় দক্ষতা অর্জনে অপরিহার্য কতিপয় গুণাবলি যেমন- চেহারা, হাসি, স্বাস্থ্য, শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ইত্যাদি বিক্রয়কর্মী জন্মগতভাবেই অর্জন করে থাকে। তাই বিক্রয়িকতা জন্মগত। অর্থাৎ বিক্রয়িকতা হলো শিক্ষালব্ধ এবং জন্মগত উভয়ের সমন্বয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!