ধূমপান একটি মারাত্মক বদভ্যাস।
ধূমপানের ফলে দীপুর খাদ্যে অরুচি, শারীরিক শীর্ণতা, অপুষ্টি, ওজন কমে যাওয়া, কফ, কাশি, শ্বাসনালীর ক্ষতি, লিভার ও কিডনি নষ্ট ইত্যাদি শারীরিক ক্ষতি হয়।
ধূমপান একটি মারাত্মক বদভ্যাস। বিশেষ করে যুব সম্প্রদায় ধূমপানে আসক্ত' হয়ে ধীরে ধীরে ধ্বংসের মুখে পা বাড়াচ্ছে। বাংলাদেশে ধূমপান যদিও তেমন একটি বড় সমস্যা নয়, তথাপি' এদেশে দিনে দিনে ধূমপায়ীর সংখ্যা বাড়ছে এবং তৈরি হচ্ছে পারিবারিক, সামাজিক ও দৈহিক সমস্যা।
ধূমপানে আসক্ত দীপু হাতে টাকা না থাকলে প্রায় সময়ে মায়ের কাছে টাকা চাইত। টাকা না পেলে সংসারে ঝগড়া করত এমনকি মূল্যবান জিনিসপত্র অল্প টাকায় বিক্রি করত। সে প্রতিদিন ধূমপান করে গভীর রাতে বাসায় ফিরত আবার কোনোদিন ফিরতও না। এ নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা সবসময় উদ্বিগ্ন অবস্থায় থাকত। ধূমপানের ফলে দীপু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হলে তাকে নিয়ে মা-বাবা গভীর চিন্তায় পড়ে বিভিন্ন ডাক্তারের কাছে গিয়ে এ ব্যাপারে পরামর্শ চাইত ও বিভিন্ন রকম ওষুধ কিনে দিত। মোটকথা ধূমপানে আসক্ত হওয়ার পর দীপুর পরিবারে সর্বদা অশান্তি লেগে থাকে।
ধূমপান একটি ক্ষতিকর বদভ্যাস। ধূমপানের ফলে ধূমপায়ী ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি হয়। এছাড়া ধূমপানের সময় ধূমপায়ী ব্যক্তির আশপাশে থাকা সকলেরই ক্ষতি হতে পারে।
ধূমপান বলতে বোঝায় বিড়ি, সিগারেট, চুরুট, তামাক ইত্যাদির ধোঁয়া পান। বিড়ি, সিগারেট, তামাক ও চুরুটের ধোঁয়ায় নিকোটিন জাতীয় পদার্থ থাকে। এ পদার্থ বিষ। ধূমপান করলে এ বিষ ধীরে ধীরে মানবদেহে প্রবেশ করে মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ডাক্তারগণ বলেন, ধূমপানের ফলে মানবদেহে নানারকম রোগ হতে পারে। ধূমপানের ফলে কোনো ব্যক্তি যেকোনো রোগে আক্রান্ত হতে পারে। ধূমপানের ফলে শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, যক্ষ্মা, ফুসফুসের ক্যানসার, গ্যাসট্রিক, আলসার, ক্ষুধামান্দ্য ও হৃদরোগের মতো ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হয়ে এয়নকি মৃত্যুও হতে পারে। তাই বলাহয়, ধূমপান মানে বিষপান।
Related Question
View Allধর্মগ্রন্থের বর্ণনানুযায়ী যা ধারণ করে, তাই ধর্ম। অর্থাৎ যে বিশেষ গুণ, যা আমাদের ধারণ করে, যার অনুশীলন দ্বারা জীবের কল্যাণ হয় এবং নিজের মোক্ষ লাভ হয়, তাই ধর্ম।
নৈতিকতা বলতে বোঝায় ভালো কাজ ও মন্দ কাজের পার্থক্য বুঝে ভালো কাজ করার এবং মন্দ কাজ না করার মানসিকতা। নৈতিকতা একটি চারিত্রিক গুণ। নৈতিকতা একটি মূল্যবোধ।
কর্তব্যনিষ্ঠা মানুষের একটি নৈতিক গুণ। সবাইকেই কিছু না কিছু কর্ম বা কাজ করতে হয়। কৃতকগুলো অবশ্য পালনীয় কর্ম রয়েছে যেটিকে বলা হয় কর্তব্য। এ কর্তব্য পালন করা আমাদের প্রত্যেকের উচিত। এটিই করতে হবে নিষ্ঠার সাথে, শ্রদ্ধার সাথে। তবেই কাজটি সম্পূর্ণভাবে করা সম্ভব হবে, এটিই হলো কর্তব্যনিষ্ঠা; যেমন- বীরবল তার কর্তব্যনিষ্ঠার জন্য নিজের পুত্রকে পর্যন্ত বিসর্জন দিয়েছিলেন।
পূজনীয় শ্রদ্ধাশীল ব্যক্তির প্রতি আমাদের প্রাণের যে টান বা অনুরাগ তার নাম ভক্তি। এ শব্দটি আমরা বিভিন্ন জায়গায়, কথায় প্রয়োগ করি; যেমন- মায়ের প্রতি যে ভক্তি, তার নাম মাতৃভক্তি। এ রকম পিতৃভক্তি, গুরুভক্তি ঈশ্বরভক্তি ইত্যাদি। ভগবানের প্রতি ঐকান্তিক ভালোবাসাও ভক্তি।
আমরা জানি, যা ধারণ করে, তাকে ধর্ম বলে। অন্যভাবে বলা যায়, যা আমাদের ধারণ করে, যার অনুশীলন দ্বারা জীবের কল্যাণ হয়-এবং নিজের মোক্ষলাভ হয়, তার নাম ধর্ম। মানুষের ধর্ম মনুষ্যত্ব, ঠিক যেভাবে আগুনের ধর্ম দহন করা।
'মনুসংহিতা' নায়ক হিন্দুধর্ম গ্রন্থে বলা হয়েছে-মানুষের ধর্মের বা মনুষ্যত্বের পাঁচটি বিশেষ লক্ষণ রয়েছে। যথা- অহিংসা, চুরি না করা, সংযমী হওয়া, দেহ ও মনে শুচি বা পবিত্র থাকা সৎপথে থাকা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!