বর্ণনামূলক/সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

যেসর মাছ পুকুরে চাষ করা মাছের পোনা ও খাদ্য খেয়ে ফেলে সেসব মাছকে রাক্ষুসে মাছ বলা হয়। যেমন- শোল, গজার, বোয়াল ইত্যাদি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

হাঁসকে গৃহপালিত জলজ পাখি বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কবুতরের ডিম ১৮ দিনে ফোটে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে চুন প্রয়োগ অপরিহার্য। নিচে চুন প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হলো-
১. চুন পানি শোধন করে।
২. পানিতে প্রাকৃতিক খাদ্যের পরিমাণ বাড়ায়।
৩. চুন মাছের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে।
৪. মাছের ক্ষতরোগ হ্রাস করে।
৫. মাটি ও পানির অম্লত্ব কমায় ও ক্ষারত্ব বাড়ায়।
৬. মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
৭. মাটি ও পানির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।
৮. চুন ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ ও.রোগজীবাণু ধ্বংস করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গৃহপালিত পশুর অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে গৃহপালিত পশুর দুইটি অর্থনৈতিক গুরুত্ব বর্ণনা করা হলো-

১. চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য বিশ্বে, চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্যের বিপুল চাহিদা আছে। এটি বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। গরু, মহিষ ও ছাগলের চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানি করা হয়। চামড়া দিয়ে সুটকেস, ব্যাগ, জুতা, বেল্ট, পোশাক, দস্তানা তৈরি করা হয় এবং এগুলো বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়।

২. হাড়ের ব্যবহার: আমাদের দেশে পশুপাখির খাদ্য ও সার হিসেবে হাড়ের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে দেশে রপ্তানিমুখী শিল্প গড়ে ওঠার সম্ভাবনা বাড়ছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কবুতর আমাদের অতিপরিচিত একটি গৃহপালিত পাখি।

কবুতর পালন যেমন আনন্দদায়ক তেমনি লাভজনক। কেননা কবুতর মাত্র ৫-৬ মাস বয়স থেকেই ডিম দিতে শুরু করে। মাত্র ২৮ দিন অন্তর ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে দুইটি ডিম পাড়ে। এতে করে কবুতর থেকে বছরে ৭-৮ জোড়া বাচ্চা পাওয়া যায়, যা মাত্র ৩-৪ সপ্তাহের মধ্যেই খাওয়ার উপযোগী হয়। অন্যদিকে মুক্ত পদ্ধতিতে কবুতর পালনে কবুতরকে প্রচুর খাবার সরবরাহ করতে হয় না। কেননা দিনের বেলা. এরা বিভিন্ন জায়গায় উড়ে বেড়ায় এবং খাদ্য সংগ্রহ করে খেয়ে থাকে। এছাড়াও কবুতরের রোগবালাই কম হয়। এ সমস্ত কারণে কবুতর পালনে খরচ খুবই কম হয়। তাইতো বলা যায়- "স্বল্প পুঁজিতে কবুতর পালন করা যায়।”

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বসতবাড়ির আশপাশের উঁচু জমিতে বাগান করে যে ফুল, ফল, শাকসবজি ইত্যাদি ফলানো হয় তাকে উদ্যান ফসল বলে।
যেমন- আম, কাঁঠাল, গোলাপ, মরিচ ইত্যাদি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্যান ফসলের ২টি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. স্বল্প পরিসরে নিবিড়ভাবে চাষাবাদ করা হয়।
২. সচরাচর তাজা অবস্থায় খাওয়া হয় এবং বেশিরভাগ রসাল ও পচনশীল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বকার সমস্যা সমাধানে উদ্যান ফসল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। যেমন- উদ্যান ফসল উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে নানা ধরনের কাজ করতে হয়। এসব কাজে অনেক লোকের প্রয়োজন হয়। যা বেকার যুবকদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দৈহিক বৃদ্ধি এবং জৈবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পুষ্টির। ফল ও শাকসবজি আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে। একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক ২৭৫ গ্রাম শাকসবজি ও ১১৫ গ্রাম ফল খাওয়া বাঞ্ছনীয়। শিশুর দেহ গঠন এবং রোগ প্রতিরোধেও ফল ও শাকসবজির ভূমিকা অপরিহার্য। ফল ও শাকসবজি খাওয়ার মাধ্যমে সবগুলো পুষ্টি উপাদানের চাহিদা পূরণ সম্ভব হয়। সুতরাং ফল ও শাকসবজি খাওয়া অপরিহার্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাঠ ফসলের ২টি বৈশিষ্ট্য:
১. মাঠ ফসল বৃহত্তর পরিসরে চাষাবাদ করা হয়।
২. মানুষ ও পশু খাদ্যের জন্য চাষ করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাঠ ফসলের তিনটি গুরুত্ব হলো-
১. আমাদের প্রধান খাদ্য শস্য হলো মাঠ ফসল।
২. ডালজাতীয় ফসল আমাদের আমিষের চাহিদা মেটায়।
৩. তেলজাতীয় ফসল থেকে ভোজ্যতেল পাওয়া যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

লালশাকের বীজ অত্যন্ত ছোট বলে সঠিকভাবে বপন করা যায় না। তাই বপনের সময়ে বীজ যাতে সব জায়গায় সমভাবে পড়ে তা নিশ্চিত করার জন্য বীজের সাথে বালি বা ছাই মিশিয়ে নেওয়া হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বীজ বপন বা চারা রোপণের পর থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত যেসব পরিচর্যা করা হয় তাকে আন্তঃপরিচর্যা বলে। যেমন- সেচ প্রদান, পানি নিষ্কাশন, আগাছা পরিষ্কার করা, মাটির চটা ভেঙে দেওয়া ইত্যাদি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মরিচের চারা লাগানোর পর এক ধরনের ক্ষুদ্র মাকড়ের আক্রমণ ঘটলে চারার পাতা কুঁকড়িয়ে যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

টবে মরিচ চাষে নিয়মিত পানি সেচ দিতে হয়। এভাবে ঘন ঘন সেচ দেওয়ার ফলে টবের উপরের মাটি শক্ত হয়ে যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে সকল মাছের পোনা সহজলভ্য, তাড়াতাড়ি বাড়ে, পুষ্টিমান ভালো ও খেতে সুস্বাদু সেসব মাছকেই চাষযোগ্য মাছ বলে। যেমন-রুই, কাতলা, মৃগেল ইত্যাদি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাজারে মাছের চাহিদা প্রচুর। তাই যে কেউ মাছ চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। একই সাথে দেশীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পুকুরে চুন দেওয়ার ৭ দিন পর সার দিতে হয়। সার প্রয়োগের ৫-৬ দিন পর যদি দেখা যায় পুকুরের পানি সবুজ হয়েছে তবে বুঝতে হবে পুকুরে প্রাকৃতিক খাবার তৈরি হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মৃগেল মাছের বৈশিষ্ট্য হলো-
১. মাথা দেহের তুলনায় ছোট।
২. মুখ কিছুটা নিচের দিকে।
৩. দেহ লম্বাটে, নিচের অংশ লম্বালম্বি সোজা।
৪. মুখের দুই পাশে দুই জোড়া শুড় আছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পাঙ্গাস মাছের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-
১. দেহের উপরের অংশ ধূসর এবং পেটের অংশ সাদা।'
২. গায়ে কোনো আঁইশ নেই।
৩. দেহ চ্যাপ্টা, লম্বা আকৃতির, মাথা ছোট।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

লম্বা পা ও ঝুলন্ত কানবিশিষ্ট ছাগল। যা সাধারণত দুধের জন্য পালন করা হয় তাকে রামছাগল বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গৃহপালিত পশুর ৪টি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. সহজে পোষ মানে।
২. পালনকারীদের সহজেই চেনে।
৩. মানুষের সান্নিধ্য পছন্দ করে।
৪. স্তন্যপায়ী হয়ে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

হাঁস, মুরগি, কবুতর ইত্যাদি যেসব পাখিকে পোষ মানিয়ে গৃহে পালন করা হয় তাকে গৃহপালিত পাখি বলে। যেমন- হাঁস, মুরগি, কবুতর ইত্যাদি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গৃহপালিত পাখির ৪টি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এরা সহজে পোষ মানে।
২. এরা বাড়ির পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেয়।
৩. এরা গৃহে ডিম পাড়ে ও ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফুটায়।
৪. এরা বাচ্চা পালনে দক্ষ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মুক্ত পদ্ধতিতে কবুতর পালনের একটি সুবিধা হলো--এ পদ্ধতিতে কবুতরকে আলাদাভাবে খাদ্য সরবরাহের প্রয়োজন হয় না। কারণ কবুতর বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে খাদ্য খায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কবুতর অত্যন্ত আদর ও যত্নের সাথে তার বাচ্চাকে খাবার খাওয়ায়। এরা বাচ্চার মুখের ভিতর ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে নিজ খাদ্য থলির রস মিশ্রিত নরম খাদ্য বাচ্চার মুখের ভেতর ঢুকিয়ে দেয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

গোলাপ ফুল, যা একটি ফুল জাতীয় ফসল। একে উদ্যান ফসল বলার কারণগুলো নিম্নরূপ-

১. উদ্যান ফসলের ন্যায় গোলাপ ফুলকে স্বল্প পরিসরে নিবিড়ভাবে চাষাবাদ করা হয়।
২. এটি চাষে একক জায়গায় অধিক পুঁজি ও শ্রম দরকার হয় যা উদ্যান ফসলের বৈশিষ্ট্য।
৩. উদ্যান ফসলের একটি বৈশিষ্ট্য হলো- এটিকে মানুষের সৌন্দর্য তৃষ্ণা মেটানোর জন্য চাষ করা হয়। গোলাপ ফুল চাষের উদ্দেশ্যও একই।
৪.. উদ্যান ফসলের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী গোলাপ ফুল চাষে প্রতিটি গাছের আলাদাভাবে যত্ন নেওয়া হয়, প্রতি গাছে আলাদাভাবে সেচ ও সার দেওয়া হয়।

উদ্যান ফসলের সাথে সংগতিপূর্ণ এতসব বৈশিষ্ট্যের কারণেই গোলাপ ফুলকে উদ্যান ফসল বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাঠ ফসলকে ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে ছয় ভাগ করা যায়, যথা-
১. দানা ফসল- ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি।
২. ডাল ফসল- মসুর, মুগ, ছোলা, খেসারি ইত্যাদি।
৩. তেল ফসল- সরিষা, তিল, সূর্যমুখী ইত্যাদি।
৪. আঁশ ফসল- পাট, তুলা, মেস্তা ইত্যাদি।
৫. চিনি ফসল- আখ, সুগারবিট ইত্যাদি।
৬. পশুখাদ্য ফসল- ফেলন, গিনি, প্যারা, নেপিয়ার ইত্যাদি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দানা, ডাল ও তৈল ফসল আমাদের খাদ্য শস্য ফসল। দানা জাতীয় ফসলের মধ্যে ধান, গম, ভুট্টা মানুষের প্রধান খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ডাল জাতীয় ফসল আমাদের আমিষের চাহিদা মেটায়। বিভিন্ন তৈল জাতীয় ফসল থেকে আমরা ভোজ্য তেল পাই।

গম, ভুট্টা ও ডাল ফসল পশু, পাখি ও মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গবাদিপশুর খাদ্যের জন্য প্যারা, গিনি, নেপিয়ার, খেসারি চাষ করা হয়। আঁশ ফসল থেকে সুতা, কাপড়, দড়ি, বস্তা, কার্পেট ইত্যাদি তৈরি হয়। আমাদের দেশে আঁশ ফসলের মধ্যে পাট অন্যতম। দেশ-বিদেশে পাট ও পাটজাত দ্রব্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। পাট ও পাটজাত দ্রব্য বিদেশে রপ্তানি করে আমরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

লালশাকের বীজ ছিটিয়ে ও সারিতে বপন করা যায়। সারিতে বপন করলে পরিচর্যা করা সুবিধাজনক এবং ফলনও বেশি হয়। বর্ষার সময় চাষ করলে, এক মিটার চওড়া. এবং ১৫ সে.মি. উঁচু বেড করে বীজ বপন করতে হয়। সেক্ষেত্রে দুটি বেডের মাঝে ৩০ সে.মি. সেচ নালা রাখতে হয়। বপনের সময় বালির সাথে মিশিয়ে বপন করলে বীজ সব জায়গায় সমভাবে পড়তে পারে। প্রতি শতক জমিতে ১০ গ্রাম বীজ হলেই চলে। সারিতে বপন করলে, ২০ সে.মি. দূরে দূরে কাঠির সাহায্যে ১.৫-২.০ সে.মি. গভীর করে লাইন টেনে লাইনে বীজ ছিটিয়ে মাটি সমান করে দিতে হবে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কাতলা ও রূপচাঁদা মাছের পার্থক্য হলো-

কাতলা

রূপচাঁদা

১. এটি স্বাদু পানির মাছ।১. এটি লোনা পানির মাছ।
২. এটি চাষযোগ্য মাছ।২. এটি চাষযোগ্য নয়।
৩. এ মাছের আকৃতি বড়।৩. এ মাছের আকৃতি কাতলা মাছের চেয়ে ছোট।
৪. কৃত্রিমভাবে এ মাছের পোনা উৎপাদন করা যায়।৪. শুধুমাত্র প্রাকৃতিকভাবেই এ মাছের পোনা উৎপাদন হয়।
Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পাঙ্গাস মাছ চাষের জন্য পুরনো পুকুরের প্রস্তুত প্রণালি হলো-

১. প্রথমে পুকুরের পাড় মেরামত ও উঁচু করে বেঁধে দিতে হবে। পুকুর পাড়ে ঝোপ-ঝাড় থাকলে কেটে ফেলতে হবে।

২. পুকুরে কোনো ধরনের জলজ আগাছা থাকবে না। পুকুরের তলায় বেশি কাদা মাটি থাকলে তা তুলে ফেলতে হবে।

৩. পুকুরে রাক্ষুসে মাছ ও অপ্রয়োজনীয় মাছ রাখা যাবে না। সেচের মাধ্যমে পুকুর শুকিয়ে বা ঘন ফাঁসের জাল বার বার টেনে এ কাজ করা যেতে পারে। পুকুর শুকানো সম্ভব না হলে, ৩০ সে.মি. পানির গভীরতার জন্য প্রতি শতকে ৩০-৫০ গ্রাম মাছ মারার বিষ রোটেনন পাউডার প্রয়োগ করে রাক্ষুসে মাছ মেরে ফেলতে হবে।

৪. উক্ত কাজগুলো শেষ হলে পুকুরের প্রতি শতকে ১ থেকে ২ কেজি করে চুন দিতে হবে। চুন পুকুরের পানি পরিষ্কার ও রোগ জীবাণু দূর করে।

৫. চুন দেওয়ার ৭ দিন পর পুকুরে শতক প্রতি ৫-৭ কেজি গোবর অথবা ৩-৪ কেজি হাঁস মুরগির বিষ্ঠা, ১০০-১৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ২০ গ্রাম এমপি সার দিতে হবে। সার প্রয়োগের ৫-৬ দিন পর পুকুরের পানি সবুজ হলে বোঝা যাবে যে পুকুরে প্রাকৃতিক খাবার তৈরি হয়েছে। তখন মাছের পোনা ছাড়তে হবে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আবদ্ধ অবস্থায় বড় ঘরের মধ্যে কবুতর পালন করা হয়। এ অবস্থায় কবুতরের ঘরে যেন প্রচুর আলো-বাতাস ঢুকতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এখানে ঘরের মধ্যে কবুতরকে বাসা বা খোপ তৈরি করে দেওয়া হয়। তাছাড়া ঘরের মধ্যে কবুতরের জন্য খাদ্য ও পানির পাত্রের ব্যবস্থা করতে হয়। বৃষ্টির পানি যাতে ঘরে না আসে, সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে। ঘরের মধ্যে কবুতর যাতে উড়তে পারে, সেদিকে লক্ষ রেখে বসার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। তবে যে পদ্ধতিতেই কবুতর পালন করা হোক না কেন, খড়-কুটা টেনে বাসায় তোলা, ডিম পাড়া এবং ডিমে তা দেওয়ার সময় এদের বিরক্ত করা যাবে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কবুতরের একক খোপ তৈরি পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো-
১. হালকা কাঠ, পাতলা টিন, বাঁশ বা প্যাকিং কাঠ দিয়ে ঘর তৈরি করা যেতে পারে।
২. একটি খোপে ২টি কবুতর থাকার মতো জায়গা থাকতে হবে।
৩. প্রতি জোড়া কবুতরের জন্য ৩০ সে. মি. চওড়া ও ৩০ সে. মি. উঁচু মাপের খোপ বানাতে হবে।
৪. ঘরে আলোবাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে। বৃষ্টির পানি যাতে ঘরে না ঢোকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
৫. ঘরটি উঁচু স্থানে স্থাপন করতে হবে যাতে কুকুর, বিড়াল, ইঁদুর ইত্যাদি কবুতরকে আক্রমণ করতে না পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
105

কৃষিজ উৎপাদন বলতে ফসল, গৃহপালিত পশু-পাখি এবং মাছ উৎপাদনকে বুঝায়। এই অধ্যায়ে উদ্যান ও মাঠ ফসল, গৃহপালিত পশু-পাখি এবং চাষযোগ্য মাছের পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি শাকসবজি উৎপাদন (লালশাক, টমেটো ও মরিচ), পাখি পালন (কবুতর) এবং মাছ চাষ (পাঙ্গাশ) পদ্ধতির কলাকৌশল বর্ণনা করা হয়েছে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা -

  • উদ্যান ফসলের বৈশিষ্ট্য ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব।
  • মাঠ ফসলের বৈশিষ্ট্য ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব।
  • শাকসবজি উৎপাদন পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব।
  • চাষযোগ্য মাছের বৈশিষ্ট্য ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব।
  • মাছ চাষ পদ্ধতি (পাঙ্গাশ) বর্ণনা করতে পারব।
  • গৃহপালিত পশু-পাখির বৈশিষ্ট্য ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব।
  • পাখি পালন পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব।
  • বসতবাড়ি কিংবা বাড়ির আঙ্গিনায় কৃষিজ দ্রব্য (শাকসবজি) উৎপাদন করতে পারব।
  • কৃষিজ দ্রব্য উৎপাদনে আগ্রহী হব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বসতবাড়ির আশপাশের উঁচু জমিতে বাগান করে যে ফুল, ফল,, শাকসবজি ইত্যাদি ফলানো হয় তাকে উদ্যান ফসল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
146
উত্তরঃ

লালশাকের বীজ অত্যন্ত ছোট বলে সঠিকভাবে বপন করা যায় না। তাই বপনের সময়ে বীজ যাতে সব জায়গায় সমভাবে পড়ে তা নিশ্চিত করার জন্য বীজের সাথে বালি বা ছাই মিশিয়ে নেওয়া হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
138
উত্তরঃ

রওশন আরার টমেটো চাষের জমির পরিমাণ ৩ শতাংশ।

আমরা জানি,

১ শতাংশ জমিতে গোবর সার লাগে ৩০ – ৫০ কেজি

৩ শতাংশ জমিতে গোবর সার লাগবে  (৩০-৫০) ×

                                                           = ৯০ – ১৫০ কেজি

সুতরাং ৯০ – ১৫০ কেজি গোবর সার প্রয়োগ করেছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
197
উত্তরঃ

একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক ২৭৫ গ্রাম শাকসবজি খাওয়া উচিত। অথচ বেশিরভাগ মানুষই অর্থ ও সচেতনতার অভাবে এ চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। আমাদের প্রত্যেকের বাড়ির পাশে কিছু না কিছু খালি জায়গা পড়ে থাকে। আমরা যদি এ খালি জায়গায় নানা রকম শাকসবজি চাষ করি তবে খুব সহজেই আমরা আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে পারি। অথচ শুধুমাত্র উদ্যোগের অভাবে আমরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। যেমন উদ্যোগ নিয়েছেন রওশন আরা। তার শাকসবজি চাষের উদ্যোগটি তার পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণে যথেষ্ট হবে। অধিকন্তু অতিরিক্ত সবজি বিক্রি করে সে টাকা দিয়ে তিনি নানা রকম ফল ক্রয় করতে পারেন। যা তার পরিবারের সদস্যদের দৈনিক ফলের চাহিদাও পূরণ করবে।

অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে পারিবারিক খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে রওশন আরার উদ্যোগটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
145
উত্তরঃ

যে সকল মাছের পোনা সহজলভ্য, তাড়াতাড়ি বাড়ে, পুষ্টিমান ভালো ও খেতে সুস্বাদু সেসব মাছকেই চাষযোগ্য মাছ বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
280
উত্তরঃ

বাজারে মাছের চাহিদা প্রচুর। তাই যে কেউ মাছ চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। একই সাথে দেশীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
348
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews