স্তন্যপায়ী প্রাণীরা বাচ্চা জন্ম দেয়। এদের বাচ্চা মায়ের দুধ পান করে। তিমিও বাচ্চা জন্ম দেয় এবং এদের বাচ্চা মায়ের দুধ পান করে। এ কারণে তিমিকে স্তন্যপায়ী প্রাণী বলা হয়।
মেরুদণ্ডী ও অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মধ্যে চারটি পার্থক্য হলো-
| মেরুদণ্ডী প্রাণী | অমেরুদণ্ডী প্রাণী |
| ১। মেরুদণ্ড থাকে। | ১। মেরুদণ্ড থাকে না। |
| ২। দেহের অভ্যন্তরে কঙ্কাল থাকে। | ২। দেহের অভ্যন্তরে কঙ্কাল থাকে না। |
| ৩। প্রাণীর দেহ দৃঢ় হয়। | ৩। প্রাণীর দেহ নূরম হয় । |
| ৪। ত্বকে লোম বা আঁইশ থাকে। | ৪। ত্বকে লোম বা আঁইশ থাকে না। |
যেসকল প্রাণী পানিতে বাস করে, ডিম পাড়ে, দেহ আঁইশ দ্বারা আবৃত এবং পাখনার সাহায্যে পানিতে সাঁতার কাটে তাদেরকে মাছ বলে।
মাছের দেহে বিভিন্ন ধরনের অঙ্গ থাকে। যেমন- চোখ, মুখ, পাখনা, কান, আঁইশ ও ফুলকা।
মাছের দুইটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। পাখনার সাহায্যে পানিতে সাঁতার কাটে।
২। বেশির ভাগ মাছের দেহ আঁইশ দ্বারা আবৃত থাকে।
প্রাণীর পিঠের দিকে ছোট ছোট এক সারি হাড় নিয়ে তৈরি অঙ্গই হলো মেরুদণ্ড।
মেরুদণ্ডী ও অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে তিনটি পার্থক্য হলো-
| মেরুদণ্ডী প্রাণী | অমেরুদণ্ডী প্রাণী |
| ১। মেরুদণ্ড থাকে। | ১। মেরুদন্ড থাকে না। |
| ২। দেহের অভ্যন্তরে কঙ্কাল থাকে। | ২। দেহের অভ্যন্তরে কঙ্কাল থাকে না। |
| ৩। প্রাণীর দেহ দৃঢ় হয়। | ৩। প্রাণীর দেহ নরম হয়। |
যেসব প্রাণীর মেরুদণ্ড আছে সেগুলোকে মেরুদণ্ডী প্রাণী বলে। যেমন- বাঘ, সাপ, ব্যাঙ, মানুষ ইত্যাদি।
বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মেরুদণ্ডী প্রাণীদের পাঁচটি দলে ভাগ করা যায়। যেমন- মাছ, উভচর, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ী।
মেরুদণ্ডী প্রাণীদের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। দেহের অভ্যন্তরীণ কঙ্কাল কাঠামোতে মেরুদণ্ড থাকে।
২। মেরুদন্ড থাকায় সোজাভাবে দাঁড়াতে পারে।
৩। কিছু প্রজাতি ডিম পাড়ে ও কিছু প্রজাতি সন্তান জন্ম দেয়।
যেসব প্রাণী জল ও স্থল উভয় জায়গাতেই বাস করে সেগুলোকে উভচর প্রাণী বলে।
উভচর প্রাণীর তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। উভচর প্রাণী জল ও স্থল উভয় জায়গাতেই বাস করে।
২। এরা পানিতে ডিম পাড়ে।
৩। এদের দেহ এক ধরনের মসৃণ ও ভেজা ত্বক দ্বারা আবৃত থাকে।
যেসব প্রাণী পা দিয়ে হাঁটে অথবা বুকে ভর দিয়ে চলে তাদেরকে সরীসৃপ প্রাণী বলে।
তিনটি সরীসৃপ প্রাণী হলো-
১। সাপ, ২। টিকটিকি ও ৩। কুমির।
সরীসৃপ প্রাণীর তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। অধিকাংশ প্রাণী জলে বা স্থলে বাস করে।
২। এরা স্থলে ডিম পাড়ে।
৩। পা দিয়ে হাঁটে অথবা বুকে ভর দিয়ে চলে।
যেসকল প্রাণী ডানা মেলে উড়তে পারে, দেহ পালকে ঢাকা থাকে এবং ডিম পাড়ে তাদেরকে পাখি বলা হয়।
তিনটি পাখির নাম হলো-
১। দোয়েল, ২। ময়না ও ৩। টিয়া।
পাখির তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। বেশির ভাগ পাখি ডানা মেলে উড়তে পারে।
২। এদের দেহ পালকে ঢাকা থাকে।
৩। এরা ডিম পাড়ে।
কীটপতঙ্গ অমেরুদণ্ডী প্রাণী।
প্রায় সব কীটপতঙ্গের দেহ মূলত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-মস্তক, বক্ষ ও উদর।
কীটপতঙ্গের চারটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। এদের দেহে তিন জোড়া পা থাকে।
২। দেহ মূলত তিনটি অংশে বিভক্ত।
৩। দেহ এক ধরনের শক্ত খোলস বা আবরণ দ্বারা ঢাকা থাকে।
৪। সাধারণ কীটপতঙ্গের একজোড়া অ্যান্টেনা বা শুঙ্গ থাকে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!