হজরত ঈসা (আ.) অসংখ্য গুণাবলির অধিকারী ছিলেন। মহান আল্লাহর প্রতি ছিল তাঁর অগাধ বিশ্বাস ও আস্থা। পৃথিবীর সকল প্রাণীর প্রতি দয়া, ভালোবাসা, সেবা ও নম্রতা প্রদর্শনের জন্য তিনি সুপরিচিত ছিলেন। তিনি দুঃখ-কষ্টে জর্জরিত ও দরিদ্র মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। তিনি অসুস্থদের সুস্থ করেছেন। একবার তিনি একজন কুষ্ঠরোগীর দেখা পান। তার কষ্ট ও দুর্দশা দেখে তিনি তাকে স্পর্শ করেন। সঙ্গে সঙ্গে কুষ্ঠরোগী সুস্থ হয়ে ওঠে। অন্যের সেবা করার জন্য তিনি কোনো বিনিময়, প্রশংসা বা স্বীকৃতি চাইতেন না।
তিনি ছিলেন নম্র, বিনয়ী, দয়ালু ও ক্ষমাশীল। পাপীদের প্রতি করুণা ছিল তাঁর, পাপের প্রতি ছিল ঘৃণা। যারা অপরাধ করে আন্তরিকভাবে, অনুতপ্ত হতো, তিনি তাদের ক্ষমা করে দিতেন। তিনি মানুষের সেবা করার প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব দিতেন। তাঁর অনুসারীদেরকে তাদের দৈনন্দিন জীবনে এ গুণ চর্চা করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতেন। হজরত ঈসা (আ.)-এর জীবনাচরণ ও শিক্ষা আমাদের জন্য অনুসরণীয়।
হজরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন সর্বোত্তম নৈতিক গুণাবলি ও মূল্যবোধের প্রতীক। তাঁর চরিত্রে ক্ষমা, উদারতা, ধৈর্য, সহিষ্ণুতা, সততা, সত্যবাদিতা, দয়া, মানবতা ও মহত্ত্ব ইত্যাদি গুণের সমাবেশ ঘটেছিল। সমাজের নিপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য তাঁর গভীর মমতা ছিল। তিনি এতিম, বিধবা ও দরিদ্রদের প্রতি দয়াশীল ও উদার ছিলেন। তাঁর জীবনাদর্শ আমাদের জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়। আমরাও আমাদের জীবনে মহানবি (স.)-এর আদর্শগুলো অনুসরণ। করব। সর্বদা সততা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে আমাদের দায়িত্ব পালন করব। অসহায়, অত্যাচারিত ও নিপীড়িতদের পাশে দাঁড়াব। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও মহান আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রাখব। সবসময় ধৈর্যের সঙ্গে ন্যায়ের লক্ষ্যে কাজ করে যাব। মদিনা সনদের আলোকে ভিন্ন ধর্মের মানুষের প্রতি সর্বোচ্চ সহনশীলতা প্রদর্শন করব। ভিন্ন ধর্মের সহপাঠীদের সঙ্গে সহনশীল আচরণ করব। এভাবে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে আমরা মহানবি (স.)-এর আদর্শ অনুসরণ করব।
হজরত আলী (রা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে আমরা যেসব কাজ করব তার একটি তালিকা নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. সত্য কথা বলব।
২. অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে অবস্থান করব।
৩. অন্যায় ও অন্যায়কারীর বিরোধিতা করব।
৪. ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করব।
৫. দরিদ্র ও অসহায়দের সাহায্য করব।
৬. পরিশ্রম ও সততার সঙ্গে জীবনযাপন করব।
হজরত ফাতেমা (রা.)-এর জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষণীয়
পাঁচটি বিষয় হলো-
১. মহান আল্লাহর স্মরণেই বেশিরভাগ সময় ব্যয় করা।
২. বিপদে ধৈর্যধারণ করা।
৩. ইসলামের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখা।
৪. নিজের কাজ নিজে করা।
৫. আর্থিক প্রতিকূলতা ও কষ্টের মধ্যে ধৈর্যধারণ করা।
Related Question
View Allহজরত আলী (রা.) ছিলেন খুবই বিনয়ী ও নিরহংকারী।
হজরত উসমান (রা.)-এর আদর্শ অনুসরণে জনকল্যাণে আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা করব।
মহানবি (স.)-এর আদর্শ অনুসরণে সততা ও বিশ্বস্ততার দায়িত্ব পালন করব।
হজরত উসমান (রা.) ছিলেন খুলাফায়ে রাশেদিনের তৃতীয় খলিফা।
হজরত দাউদ (আ.) খুবই বিনয়ী ও নিরহংকারী ছিলেন।
হজরত ফাতেমা (রা.)-এর অনুসরণে আর্থিক প্রতিকূলতা ও কষ্টের মধ্যে ধৈর্যধারণ করব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!