হজরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন সর্বোত্তম নৈতিক গুণাবলি ও মূল্যবোধের প্রতীক। তাঁর চরিত্রে ক্ষমা, উদারতা, ধৈর্য, সহিষ্ণুতা, সততা, সত্যবাদিতা, দয়া, মানবতা ও মহত্ত্ব ইত্যাদি গুণের সমাবেশ ঘটেছিল। সমাজের নিপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য তাঁর গভীর মমতা ছিল। তিনি এতিম, বিধবা ও দরিদ্রদের প্রতি দয়াশীল ও উদার ছিলেন। তাঁর জীবনাদর্শ আমাদের জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়। আমরাও আমাদের জীবনে মহানবি (স.)-এর আদর্শগুলো অনুসরণ। করব। সর্বদা সততা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে আমাদের দায়িত্ব পালন করব। অসহায়, অত্যাচারিত ও নিপীড়িতদের পাশে দাঁড়াব। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও মহান আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রাখব। সবসময় ধৈর্যের সঙ্গে ন্যায়ের লক্ষ্যে কাজ করে যাব। মদিনা সনদের আলোকে ভিন্ন ধর্মের মানুষের প্রতি সর্বোচ্চ সহনশীলতা প্রদর্শন করব। ভিন্ন ধর্মের সহপাঠীদের সঙ্গে সহনশীল আচরণ করব। এভাবে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে আমরা মহানবি (স.)-এর আদর্শ অনুসরণ করব।
Related Question
View Allহজরত আলী (রা.) ছিলেন খুবই বিনয়ী ও নিরহংকারী।
হজরত উসমান (রা.)-এর আদর্শ অনুসরণে জনকল্যাণে আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা করব।
মহানবি (স.)-এর আদর্শ অনুসরণে সততা ও বিশ্বস্ততার দায়িত্ব পালন করব।
হজরত উসমান (রা.) ছিলেন খুলাফায়ে রাশেদিনের তৃতীয় খলিফা।
হজরত দাউদ (আ.) খুবই বিনয়ী ও নিরহংকারী ছিলেন।
হজরত ফাতেমা (রা.)-এর অনুসরণে আর্থিক প্রতিকূলতা ও কষ্টের মধ্যে ধৈর্যধারণ করব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!