সকলের মধ্যে রয়েছে একই মনুষ্যত্ব। কেননা, মিলের দিক থেকে যদি দেখি, তাহলে দেখব, সবাই মানুষ। এক অঞ্চলের বসবাসরত লোকদের মধ্যে ধর্মপালন, বিশ্বাস, উপাসনা পদ্ধতি, সংস্কার ও আচার-অনুষ্ঠান উদ্যাপনে পার্থক্য রয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলমানরা যে যে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে তা হলো-
১. হিন্দুরা দুর্গাপূজা, সরস্বতীপূজা, লক্ষ্মীপূজা, জন্মাষ্টমী, দোলযাত্রা, শিবরাত্রি প্রভৃতি ধর্মানুষ্ঠান পালন করে।
২. বৌদ্ধরা বুদ্ধপূর্ণিমা, কঠিন চীবর দান, মাঘী পূর্ণিমা প্রভৃতি ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে।
৩. খ্রিস্টানরা বড়দিন, ইস্টার সান ডে প্রভৃতি ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে।
৪. মুসলমানরা ঈদুল-ফিতর, ঈদুল-আজহা, ঈদে মিলাদুন্নবী প্রভৃতি ধর্মীয় উৎসব পালন করে।
মানুষে মানুষে কোনো পার্থক্য করা উচিত নয়। সকলকে-সকল মত ও পথের মানুষকে সমতার দৃষ্টিতে দেখা উচিত। একেই বলে ধর্মীয় সাম্য।
সকল ধর্মের মানুষের সাথে আমাদের সম্পর্ক নিম্নরূপ হওয়া উচিত-
১. সকল ধর্মের মানুষ একে অপরের ভাই।
২. মানুষে মানুষে কোনো পার্থক্য করা উচিত নয়।
৩. সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ করা উচিত।
৪. সকলের সাথে সম্প্রীতিপূর্ণ আচরণ করা উচিত।
৫. কারো ধর্ম পালনে বাধা দেওয়া উচিত নয়।
৬. সকল মত ও পথের মানুষকে সমতার দৃষ্টিতে দেখা উচিত।
মানুষে মানুষে কোনো পার্থক্য করা উচিত নয়। সকলকে; সকল মত ও পথের মানুষকে সমতার দৃষ্টিতে দেখা উচিত। একেই বলে ধর্মীয় সাম্য। আর ধর্মীয় সাম্য বজায় রাখার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় সম্প্রীতি। ধর্মীয় সাম্য রক্ষার জন্য আমি যা করি তা নিচে তুলে ধরা হলো-
১. সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ করি।
২. সকল মানুষের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করি।
৩. ধর্ম, জাতি, বর্ণের বিচার না করে তাদের সাথে মেলামেশা করি।
৪. আপদে-বিপদে তাদের পাশে দাঁড়াই/সাহায্য করি।
৫. অন্য ধর্মের মানুষকে ঘৃণা করি না।
৬. সকল মত ও পথের মানুষকে সমতার দৃষ্টিতে দেখি।
Related Question
View Allসকল মানুষের মধ্যে রয়েছে একই মনুষ্যত্ব1
মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা উপাসনালয়কে বলেন মসজিদ।
ধর্মীয় সাম্য আমাদের বিশ্বাস জাগ্রত করে।
মানুষে-মানুষে কোনো পার্থক্য করা উচিত নয়
'সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই।'
সকল মানুষকে সমতার দৃষ্টিতে দেখাই ধর্মীয় সাম্য।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!