ভিটামিন হলো এক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান যা
দেহকে কর্মক্ষম রাখতে সহায়তা করে।
ভিটামিন 'সি' এর চারটি কাজ হলো-
১. দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
২. দেহের বৃদ্ধি সাধন করা।
৩. দেহকে কর্মক্ষম রাখতে সহায়তা করা।
৪. স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করা।
ভিটামিন 'সি' এর অভাবজনিত দুইটি রোগ হলো-
১. স্কার্ভি ও ২. মাড়ির রোগ।
ভিটামিন 'সি' এর তিনটি উৎস হলো- ১। পেয়ারা, ২।
কমলা ও ৩. আমলকি।
ভিটামিন 'এ' এর কাজ তিনটি বাক্যে উল্লেখ করা হলো-
১। স্বাভাবিক দৃষ্টি শক্তি বজায় রাখে।
২। সুস্থ ত্বক ও দাঁত গঠন করে।
৩। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
ভিটামিন 'এ' এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
ভিটামিন ছয় প্রকার। যথা- ভিটামিন 'এ', 'বি', 'সি', 'ডি', 'ই', এবং 'কে'।
ভিটামিন 'বি' বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন নিয়ে গঠিত, তাই একে ভিটামিন 'বি' কমপ্লেক্স বলা হয়।
ভিটামিন 'এ' এর চারটি কাজ হলো-
১. স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখে।
২. সুস্থ ত্বক গঠন করে।
৩. দাঁত গঠনে সহায়তা করে।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
সকল প্রকার পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ খাদ্যকে সুষম খাদ্য বলে।
সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা হলো-
১. শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
২. শরীরকে কর্মক্ষম ও রোগমুক্ত রাখে।
৩. মোটা হওয়া বা অপুষ্টি প্রতিরোধ করে।
আদর্শ খাদ্য তালিকার তিনটি সুবিধা হলো-
১. প্রতিবেলার খাবারে প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
কি-না তা নিশ্চিত করা যায়।
২. প্রতিবেলায় কোন খাদ্য কতটুকু খেতেহবে তা জানা যায়।
৩. খাবারে কোন খাদ্য উপাদান বেশি প্রয়োজন তা জানা যায়।
ভিটামিন 'কে'-এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধে না।
ভিটামিন 'কে'-এর তিনটি উৎস হলো-
১. পাতাবিশিষ্ট সবুজ শাকসবজি,
২. ঢেঁড়স ও
৩. সয়াবিন।
ক ট *,
ভিটামিন 'কে'-এর কাজ হলো কেটে যাওয়া স্থানে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
ক
ভিটামিন 'কে'-এর অভাবজনিত দুইটি রোগ হল্লো-
১. যকৃতের রোগ ও
২. রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমে যাওয়া।
উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তাকে উদ্ভিজ্জ আমিষ বলে।
তিনটি উদ্ভিজ্জ আমিষ হলো-
১. মটরশুঁটি,
২. শিমের বিচি ও
৩. ডাল।
আমাদের দেহের জন্য আমিষ একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। আমিষ দেহের গঠন, ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধিসাধন করে। তাই আমিষ জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
মাছ ও দুধ আমিষ জাতীয় খাদ্যদলের অন্তর্ভুক্ত।
আমিষের অভাবে দেহের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং পেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
আমিষের কাজ:
১. দেহ গঠন করে।
২. দেহের ক্ষয়পূরণ করে।
৩. দেহের বৃদ্ধি সাধন করে।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
৫. হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে।
৬. দেহে শক্তি সরবরাহ করে
দেহের পুষ্টি চাহিদা মেটানোর জন্য খাদ্য থেকে প্রাপ্ত শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন এবং খনিজ লবণই হলো পুষ্টি উপাদান।
পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদান সহজে পাওয়ার জন্য আমাদের প্রতিদিন সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। এজন্য সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারে ছয়টি খাদ্য দলের পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ খাদ্যদ্রব্য উপস্থিত রয়েছে কি-না তা নিশ্চিত করতে হবে। মোটকথা সঠিক খাদ্য তালিকা নির্বাচনের মাধ্যমেই সহজে পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদান পাওয়া সম্ভব।
৪.
খাদ্য নিরাপদ রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তিনটি উপায় হলো-
১. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা।
২. খাদ্য টাটকা ও সতেজ রাখা।
৩. খাবার ঢেকে রাখা।
Related Question
View Allআমরা পরিবেশের উদ্ভিদ এবং প্রাণী থেকে খাদ্য পেয়ে থাকি।
মাছ, মাংস এবং ডিম থেকে পাওয়া আমিষকে প্রাণিজ আমিষ, বলে।
সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন সুষম খাদ্য খেতে হবে।
ভিটামিন-এ এর অভাব হলে রাতকানা হয়।
বেঁচে থাকার জন্য আমাদের খাদ্য প্রয়োজন।
বেশির ভাগ খাদ্যই আমরা উদ্ভিদ থেকে পেয়ে থাকি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!