তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে সংক্ষেপে আইসিটি বলা হয়।
'তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. যোগাযোগ প্রযুক্তি, যেমন- টেলিফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদি।
২. তথ্য সংরক্ষণ প্রযুক্তি, যেমন- কাগজ, সিডি ইত্যাদি।
তথ্যের যথাযথ ব্যবহারের চারটি ধাপ রয়েছে। ধাপগুলোর নাম হলো-
ধাপ-১: কোন বিষয়ের তথ্য প্রয়োজন তা নির্দিষ্ট করা,
ধাপ-২ : তথ্যের উৎস ও সংগ্রহের উপায় নির্ণয়,
ধাপ-৩: তথ্য সংগ্রহ ও
ধাপ-৪: তথ্য বিনিময়।
তথ্য সৃষ্টি, তথ্য সংগ্রহ, তথ্য বিশ্লেষণ ও তথ্য বিনিময়ের জন্য বিভিন্ন যন্ত্রের উদ্ভাবন ও ব্যবহার এসব কিছু মিলেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। একে সংক্ষেপে আইসিটি বলা হয়। যোগাযোগ প্রযুক্তির ইতিহাস শুরু হয়েছে হাজার বছর আগে। তখন ধোঁয়ার সংকেত পাঠিয়ে ও ঢোল বাজিয়ে মানুষ যোগাযোগ করত। তথ্য ও যোগাযোগের পরবর্তী ধাপে চিঠিপত্র আদান-প্রদান, সংবাদপত্রের প্রচলন, বই, গবেষণা পত্রিকা ইত্যাদির মাধ্যমে মানুষ যোগাযোগ করত। আধুনিককালে যোগাযোগের জন্য বিজ্ঞানী ব্যারন শিলিং টেলিগ্রাফ আবিষ্কার করেন। দূরের মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলার জন্য আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল আবিষ্কার করেন টেলিফোন। এরপর রেডিও ও টেলিভিশন আবিষ্কার হয়। বর্তমানে যোগাযোগের জন্য রয়েছে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদি।
তথ্যের যথাযথ ব্যবহার বলতে বোঝায় তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিনিময় পদ্ধতি।
আমাদের জীবনে তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য ব্যবহার করে আমরা জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে পারি। আমাদের কখন কী করতে হবে তাও আমরা ঠিক করতে পারি তথ্যের মাধ্যমে
তথ্য সংরক্ষণের চারটি উপায় হলো-
১. কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
২. ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে তথ্য সংরক্ষণ করা যায়.।
৩. পেন ড্রাইভে তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
৪., নোট বই বা কাগজে লিখে তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
প্রাচীনকালে মানুষ গুহার দেয়ালে ছবি এঁকে বা লিথোগ্রাফের সাহায্যে তথ্য সংরক্ষণ করত।
বর্তমানে আমরা নোটবই বা কাগজে লিখে তথ্য সংরক্ষণ করতে পারি। আবার বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ প্রযুক্তি যেমন- ক্যামেরা, সিডি, ডিভিডি ইত্যাদি ব্যবহার করেও তথ্য সংরক্ষণ করতে পারি।
তথ্যের বিভিন্ন উৎস রয়েছে। এর মধ্যে চারটি উৎস হলো-
১. জনসাধারণ তথ্যের একটি উৎস। আমরা সরাসরি মানুষকে জিজ্ঞাসা করে তথ্য সংগ্রহ করতে পারি।
২. সংবাদপত্র তথ্যের একটি উৎস।
৩. টিভি থেকেও আমরা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করি।
৪. তথ্যের আধুনিকতম উৎস হচ্ছে ইন্টারনেট
বাসায় ব্যবহৃত চারটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি হলো-
১. টেলিভিশন,
২. মোবাইল ফোন,
৩. ইন্টারনেট ও
৪. কম্পিউটার।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির চারটি ব্যবহার হলো-
১. ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদানে,
২. চিকিৎসা ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ে,
৩. গবেষণা ক্ষেত্রে ও
৪. শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে।
চারটি তথ্য প্রযুক্তির নাম হলো-
১. কম্পিউটার,
২. ইন্টারনেট,
৩. মোবাইল ফোন ও
৪. টিভি।
তথ্য বিনিময়ের সময় মনোযোগী হতে করণীয় চারটি পরামর্শ হলো-
১. সংরক্ষিত তথ্য সুন্দরভাবে সাজাতে হবে।
২. সঠিকভাবে বিনিময় করছি কিনা সে বিষয়ের প্রতি মনোযোগী হতে হবে।
৩. তথ্য বিনিময়ের সময় কোন কোন তথ্যগুলো বিনিময় করছি তা লক্ষ রাখতে হবে।
৪. তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমটি নিরাপদ কি-না সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
আইসিটির পূর্ণরূপ হলো- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
দুইটি তথ্য সংরক্ষণ প্রযুক্তির নাম হলো সিডি ও পেনড্রাইভ।
আমাদের জীবনে তথ্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা চারটি বাক্যে
নিচে লেখা হলো-
১. আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ছবি, সার্টিফিকেট প্রভৃতি তথ্য সংরক্ষণ না করলে ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে হয়।
২. বাস, ট্রেন, বিমান প্রভৃতির যাত্রার সময় সংরক্ষণ না করলে যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো যায় না।
৩. তথ্য সংরক্ষণের কারণেই আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ সম্পর্কে জানতে পারি।
৪. তথ্য সংরক্ষণের কারণে আমরা আমাদের প্রিয় খেলোয়াড় ও তারকাদের সম্পর্কে জানতে পারি।
Related Question
View Allটেলিফোন আবিষ্কৃত হয় ১৮৭৬ সালে।
আমাদের জীবনে তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্য ব্যবহার করে জীবন ধারায় পরিবর্তন আনা যায়।
প্রতিদিন আমরা প্রচুর তথ্য পাই।
সরাসরি মানুষকে জিজ্ঞাসা করে আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে পারি।
ব্যারন শিলিং টেলিগ্রাফ আবিষ্কার করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!