আসিয়ানের সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জার্কাতায়।
কোনো সামরিক জোটের সদস্য নয় এমন দেশগুলো নিয়ে গড়ে উঠেছে জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন বা Non-Aligned Movement (NAM)। বাংলাদেশ জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
উদ্দীপকে উল্লিখিত আঞ্চলিক সংস্থাগুলো হলো SAARC, OAU, ASEAN এবং EU। এসব সংস্থা গড়ে ওঠার গুরুত্ব অপরিসীম।
আধুনিক বিশ্বের রাষ্ট্রসমূহ এঁকে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। বিভিন্ন রাষ্ট্রের সমস্যা ও প্রয়োজন বিভিন্ন রকম। কোনো রাষ্ট্রের পক্ষেই এককভাবে তার সব প্রয়োজন পূরণ করা সম্ভব নয়। অথচ এ সমস্ত প্রয়োজন ও সমস্যার সমাধান না হলে কোনো রাষ্ট্রের জনগণেরই কল্যাণ ও উন্নয়ন সম্ভব হয় না। প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো যদি পরস্পরকে সহযোগিতা করে, তাহলে অনেক সমস্যার সহজ সমাধান হয়। তাই একই অঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রগুলো পরস্পর সহযোগিতা করে। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গড়ে ওঠে। যেমন এশিয়াতে SAARC ও ASEAN, আফ্রিকাতে OAU এবং ইউরোপে EU গঠিত হয়েছে। উদ্দীপর্কেও তেমনি এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকাতে বিভিন্ন ধরনের আঞ্চলিক সংস্থা কেন গড়ে উঠেছে তাই উত্থাপিত হয়েছে, যা উল্লিখিত আলোচনার দ্বারা স্পষ্ট বোঝানো হয়েছে।
সুতরাং বলা যায়, প্রয়োজনের তাগিদ থেকেই বিভিন্ন রাষ্ট্র মিলে গড়ে তুলে এক একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ইউরোপ মহাদেশে গঠিত আঞ্চলিক সংস্থাটি হলো ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বা (EU)।
পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো সহযোগিতার লক্ষ্যে প্রথম গঠন করেছিল কমন মার্কেট। তারপর এর আওতা বেড়ে হয় ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU)। ইউরোপের প্রায় সব দেশই এর সদস্য। ইইউ তার নিজস্ব মুদ্রা চালু করেছে। যার নাম 'ইউরো'। ইউরোপের সদস্য দেশগুলোর নাগরিকেরা আজ অবাধে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াত, বসবাস, ব্যবসায় বাণিজ্য করতে পারে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। উদ্দীপকেও উল্লেখ রয়েছে ইউরোপের একটি আঞ্চলিক সংস্থার কথা, যা EU-কেই নির্দেশ করেছে বলে আমি মনে করি।
Related Question
View Allআসিয়ানের পূর্ণরূপ- Association of South-East Asian Nations.
পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে দুটি দেশের মধ্যে যে চুক্তি সম্পন্ন হয় তাকে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি বলা হয়।
বর্তমানে এ ধরনের চুক্তি বেড়েই চলেছে। কারণ সহযোগিতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর হলো দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তি।
নেপালে গিয়ে রাহাতের গান পরিবেশন করা সার্কের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মিলে গঠন করেছে সার্ক (SAARC)। এ দেশসমূহ হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভুটান ও আফগানিস্তান। সার্ক সদস্য দেশগুলোর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে কাজ করে।
উদ্দীপকের রাহাত বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে নেপালের শিল্পকলা একাডেমিতে গান পরিবেশন করে, যা সার্কের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত। আর দুই দেশের পারস্পরিক সাংস্কৃতিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই রাহাত বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে নেপালে গান পরিবেশন করেন। এটি যুক্তিযৌক্তিক।
উক্ত কাজটি তথা সাংস্কৃতিক কাজটি ছাড়াও সার্ক দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে কাজ করে উক্তিটি যথার্থ। সার্ক সংস্থাটির মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য। কল্যাণমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু করা। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে তোলা। উক্ত অঞ্চলে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে কাজ করা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিরাজমান বিরোধ ও সমস্যা দূর করে পারস্পরিক সমঝোতা সৃষ্টি করা। উদ্দীপকে রাহাতের নেপালে গিয়ে গান পরিবেশন করা সার্কের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের অংশ। সংস্কৃতি ছাড়াও সংস্থাটির কর্মকান্ড সমাজ, শিক্ষা, যোগাযোগ, প্রযুক্তিসহ উন্নয়নের সর্বক্ষেত্রেই বিস্তৃত। অর্থাৎ সার্কের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সম্প্রীতি ও সম্ভাব বজায় রাখার মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
বর্তমানে আধুনিক যুগে কোনো রাষ্ট্রই এককভাবে তাদের প্রয়োজন সম্পন্ন করতে পারে না। এ প্রয়োজনীয়তা থেকেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। গড়ে তুলেছে বিভিন্ন সহযোগিতা সংস্থা। যেমন- সার্ক, আসিয়ান, ইইউ, জাতিসংঘ ইত্যাদি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
