বাংলাদেশের রাঙামাটিতে অবস্থিত কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চলে ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য দেখা যায়। শীতকালে এরূপ বনের পাতা সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায়। শাল, গজারি, কড়ই, বহেরা, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম প্রভৃতি এ বনের প্রধান বৃক্ষ। শাল বা গজারি গাছ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় বলে একে শালবন বা গজারি বনও বলা হয়।
উদ্দীপকে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার কথা বলা হয়েছে।
পানির অপর নাম জীবন। বিশুদ্ধ পানি জীবনের জন্য অপরিহার্য। কিন্তু প্রকৃতিতে এ পানি অফুরন্ত নয়। প্রকৃতিতে প্রাপ্ত পানির অধিকাংশই লবণাক্ত। স্বাদু পানি যা আছে তার খুব কমই আমাদের নাগালে আছে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান নগরায়ণ ও শিল্পায়নের ফলে এ পানি দূষিত হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে ব্যবহারের ফলে পানি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে উঠছে। এমনকি পানির অধিকার নিয়ে যুদ্ধের মতো ঘটনাও ঘটেছে। তাই পানি ব্যবস্থাপনার ইস্যুটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যথাযথভাবে পানির ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পানির অপচয় রোধ করতে হবে। পানি দূষণ রোেধ এবং সবার জন্য পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সুষ্ঠু পানি ব্যবস্থাপনা আবশ্যক।
উদ্দীপকে পানি সম্পদের কথা বলা হয়েছে। হ্যাঁ, আমিও মনে করি, এ পানি সম্পদ রক্ষায় সম্পদটির সদ্ব্যবহারই যথেষ্ট।
পানি এমন একটি সম্পদ, যা প্রাকৃতিক উপায়ে রূপান্তরিত হয়ে বার বার আমাদের কাছে ফিরে আসে। পানিচক্রের মাধ্যমে পানি আমরা বার বার ফিরে পাই। কিন্তু মানুষের কতিপয় অবিবেচনাপ্রসূত কাজের ফলে এ পানিসম্পদ নষ্ট হচ্ছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে। পানির চক্রটি ব্যাহত হচ্ছে। অথচ এ প্রক্রিয়া চলে এসেছে হাজার কোটি বছর ধরে। কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু আমরা যখন এর অপব্যবহার করতে শুরু করি, দূষণ ঘটাতে থাকি, তখনই এটি আমাদের ওপরও প্রতিশোধ নিতে থাকে। পানির গতিপ্রবাহ নষ্ট করার ফলে নদীর স্বাভাবিক ধারা নষ্ট হচ্ছে। ফলে দেখা দিচ্ছে বন্যা, খরা কিংবা নদীভাঙন। পানির অতিরিক্ত দূষণের ফলে পানিচক্রে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিচ্ছে। যা পানির ওপর নির্ভরশীল অন্যান্য সম্পদের ক্ষতিসাধন করছে। পানি ব্যবস্থাপনার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি করার ফলে পানির প্রাপ্যতা কমে যাচ্ছে। ফলে মরুকরণ হচ্ছে। এতসব বিপর্যয় ও দুর্যোগের কারণ একটিই, আর তা হলো পানির যথাযথ ব্যবহারের পথে বাধা সৃষ্টি করা।
পরিশেষে মনে করি, পানির যথাযথ ব্যবহারই পারে এ সম্পদকে রক্ষা করতে।
Related Question
View Allতিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়ে আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ১৭৮৭ সালের পূর্বে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর- পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। আর এ শাখা নদীটি যমুনা নামে পরিচিতি।
অনুচ্ছেদে বর্ণিত বনভূমিটি হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা।
সাধারণ উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোপঝাড় ও গুল্ম জন্ম নেয়। এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, ঝরেও না। ফলে সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। অবশ্য সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলা হয়। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। তবে বর্তমানে এসব বনভূমি রাবার চাষও হচ্ছে। তাছাড়া এ বনগুলো অনেক সৌন্দর্যের রূপ পরিগ্রহ করে।
উদ্দীপকের জাহিদ তার বিদেশি বন্ধুদের সাথে নিয়ে এই চিরহরিৎ বনভূমিতে বেড়াতে গিয়ে বনের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়। প্রায় প্রতিনিয়তই সেখানে দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা যাওয়া-আসা করে থাকেন।
উদ্দীপকে জাহিদের করা মন্তব্যটি যথার্থ।
উদ্দীপকে বর্ণিত নদীটির নাম কর্ণফুলী। কর্ণফুলি নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী। এ নদীর উৎপত্তিস্থল লুসাই নামক পাহাড়ে। ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব নিকট দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। তাছাড়া এ নদীটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। উদ্দীপকে জাহিদ ছুটিতে তার বিদেশি সহপাঠীদের নিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলে ফেরার পথে বেড়াতে গিয়ে সে অঞ্চলের প্রধান নদীটি সম্পর্কে যে মন্তব্যটি করে তা কর্ণফুলি নদীকেই বুঝিয়েছে যা আলোচনায় স্পষ্ট।
তাই আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, উদ্দীপকে জাহিদের মন্তব্যটি যথার্থ।
বঙ্গোপসাগরের তলদেশে গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে।
নিরক্ষীয় নিম্ন অক্ষাংশ অঞ্চলে সূর্য বছরের প্রায় সব সময়ই লম্বভাবে কিরণ দেয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অপরাপর দেশগুলো নিরক্ষীয় বা ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত। আর তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রচুর সৌরশক্তি পাওয়া যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!