বাংলাদেশের অগ্রগতিতে GIS সফট্ওয়্যারের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
Arc Info এর মতো GIS সফট্ওয়্যারের ব্যবহার বাংলাদেশে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃষি সংক্রান্ত কাজ, বনজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনায় GIS এর ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও পরিকল্পনায় GIS ব্যবহার করা যেতে পারে। গ্রামের রাস্তাঘাট, কৃষিজমি, বসতি, ব্যবসা-বাণিজ্যকেন্দ্র ইত্যাদি চিহ্নিতকরণে এই সফট্ওয়্যার অধিক উপযোগী।
বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে GIS ব্যবহৃত হচ্ছে। দুর্যোগের মাত্রা ও মানচিত্রায়নে GIS ভূমিকা পালন করে। পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিশেষকরে পানির অবস্থান, গুণগত মান ইত্যাদির তথ্য সংগ্রহের জন্য GIS ভূমিকা রাখছে। সামরিক ক্ষেত্রে শত্রুর অবস্থান, যোগাযোগ, রসদ ইত্যাদি বিষয় সম্বন্ধে প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে GIS সহায়তা করে থাকে। বাংলাদেশের অগ্রগতিতে পরিবহন ব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন বিষয়ের গবেষণাকার্যে GIS এর সঠিক ব্যবহার ভূমিকা পালন করতে পারে।
পরিশেষে বলা যায়, Arc Info বা GIS এর অন্যান্য সফটওয়্যার এর সঠিক প্রয়োগ বাংলাদেশের অগ্রগতিতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারে।
Related Question
View Allভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলা হয়।
মানচিত্র অভিক্ষেপ বলতে কোনো সমতলের ওপর সৃষ্ট গ্রাটিকুলকে বোঝায়।
কোনো সমতল কাগজের উপর সমগ্র পৃথিবী বা এর কোনো অংশের মানচিত্র অঙ্কন করার জন্য নির্দিষ্ট স্কেলে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলো জালের ন্যায় ছকে প্রকাশ করা হয়। একে অভিক্ষেপ বলে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত অভিক্ষেপটি হচ্ছে সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ।
উক্ত অভিক্ষেপের ক্ষেত্রে ব্যবধানে ১: ১,৪৭,০০,০০০ স্কেলে এবং পরিমিত অক্ষরেখা (এক পরিমিত) নিয়ে অভিক্ষেপটির গাণিতিক হিসাব নিচে নির্ণয় করা হলো-
হিসাব নিরূপণ :
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ, r = পৃথিবীর প্রকৃত ব্যাসার্ধ
প্রদত্ত স্কেল
= ১.৭ ইঞ্চি।
IN.B: পৃথিবীর প্রকৃত ব্যাসার্ধ ৪০০০ মাইল বা () ইঞ্চি যা পূর্ণ সংখ্যায় ২৫০,০০০,০০০ ইঞ্চি ধরা হয়।।

= ০.৪৫% ইঞ্চি।
অতএব, অক্ষরেখাগুলোর মধ্যবর্তী পরস্পর দূরত্ব হবে ০.৪৫ ইঞ্চি। অর্থাৎ ০.৪৫ ইঞ্চি দূরে দূরে অক্ষরেখা নিয়ে একটি সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ আঁকতে হবে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত অভিক্ষেপটি হচ্ছে সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ। নিচে এর বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োগ বিশ্লেষণ করা হলো-
এ অভিক্ষেপে দ্রাঘিমাগুলো সর্বদা সমান এবং একই কেন্দ্র হতে বিচ্ছুরিত। কিন্তু অক্ষরেখাগুলো চাপের ন্যায় দৈর্ঘ্য উত্তরে ক্রমশ কম ও দক্ষিণে বেশি। সকল দ্রাঘিমা বরাবর স্কেল ঠিক থাকে কিন্তু কেবল পরিমিত অক্ষরেখা (Standard Parallel) ছাড়া অন্যান্য অক্ষরেখা বরাবর স্কেল ঠিক থাকে না। পরিমিত অক্ষরেখা তথা অভিক্ষেপের মধ্যভাগে স্কেল ঠিক থাকায় সেখানকার মানচিত্রের বিকৃতি খুবই কম। কিন্তু অন্যান্য অঞ্চলের মানচিত্রে যথেষ্ট বিকৃতি ঘটে। এ অভিক্ষেপে কেবল একটি গোলার্ধ দেখানো সম্ভব হয়। একই সাথে দুটি গোলার্ধ দেখানো সম্ভব নয়।
পরিমিত অক্ষরেখা বরাবর ও তার উভয় পার্শ্বে স্বল্প পরিসর স্থানের আয়তন কিছুটা নির্ভুল হয় বলে এর সাহায্যে কোনো ক্ষুদ্রাকৃতি দেশের বা কোনো দেশের অল্পস্থানের মানচিত্র নির্ভুলভাবে অঙ্কন করা যায়। এ কারণে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ড প্রভৃতি ক্ষুদ্রাকৃতি দেশগুলোর মানচিত্র অঙ্কন করার জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।
সমগ্র পৃথিবী বা তার অংশবিশেষের মানচিত্র অঙ্কন করার জন্য নির্দিষ্ট স্কেলে পৃথিবীর অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলো সঠিকভাবে অঙ্কন করাকে অভিক্ষেপ বলে।
পৃথিবী ও এর অংশবিশেষকে কোনো সমতল ক্ষেত্রে প্রতিরূপ প্রদান করাকে মানচিত্র (Map) বলা হয়। মানচিত্র একজন ভূগোলবিদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এর সাহায্যে ঘরে বসে অল্প সময়ে সমগ্র পৃথিবী সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাওয়া যায়।
মানচিত্র শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Map যা ল্যাটিন শব্দ Mappa থেকে এসেছে; যার অর্থ কাপড়ের টুকরা। অতীতে মূলত কাপড়ের টুকরার উপরই মানচিত্র অঙ্কন করা হতো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!