বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর। বর্তমানে বাংলাদেশে কৃষির পাশাপাশি পোশাক শিল্পে বিপ্লব ঘটেছে, যা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ পোশাক শিল্পে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে। যার ফলে অন্যান্য দেশের সাথে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশও বাজার দখলের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

ফ্লাইং শাটল দ্রুতগতিসম্পন্ন বয়নের জন্য এক ধরনের মাকু।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শিল্প বিপ্লবের অন্যতম একটি কারণ হলো প্রযুক্তির উদ্ভাবন। সতের ও আঠারো শতকে নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন শুরু হলে বহু কারখানার সৃষ্টি হয়। প্রধানত লোহা ও ইস্পাতের ব্যবহার, নতুন চালিকাশক্তির উৎসের আবিষ্কার, বস্ত্র শিল্পের যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে মানুষের কর্মশক্তি বৃদ্ধি, কারখানা প্রথা চালুর মাধ্যমে উৎপাদন পদ্ধতিতে নতুন ধারা চালু, প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ, যোগাযোগ ও পরিবহণ ব্যবস্থাকে গতিশীল এবং শিল্পে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিল্প বিপ্লব অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে পাঠ্যবইয়ের ইংল্যান্ডের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
এ এ দেশটিতে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত অনুকূল পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।ইংল্যান্ড একটি কৃষিনির্ভর দেশ হলেও ক্রমেই কৃষিতে উদ্বৃত্ত ঘটিয়ে শিল্পকারখানার দিকে ধাবিত হয়। কৃষির পাশাপাশি পোশাক শিল্প, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি সাধনসহ সার্বিক দিক দিয়ে উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করছে। একইভাবে পাঠ্যবইয়ের ইংল্যান্ড নামক দেশটিও শিল্প বিপ্লব ঘটায়। শিল্প বিপ্লব ঘটার পশ্চাতে কতিপয় শর্ত তথা অনুকূল পরিস্থিতি থাকা আবশ্যক। সাধারণত একটি দেশে শিল্প বিপ্লব হওয়ার জন্য যেসব অনুকূল পরিস্থিতি থাকা দরকার তা হলো- কৃষিতে উদ্বৃত্ত, সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা শ্রমিক ও বুর্জোয়া শ্রেণির উপস্থিতি, কাঁচামালের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও পণ্যের বাজার নিশ্চয়তা, ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় ইংল্যান্ডের এসব শর্তসমূহ পূরণ করা সহজ ছিল। তারা কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়ে উদ্বৃত্ত দ্রব্যসমূহ শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে গ্রহণ করে। টিউডর আমলে ইংল্যান্ডে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়- যা শিল্প বিপ্লব ঘটাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। শিল্প বিপ্লবের জন্য ভারতীয় উপমহাদেশ ও আমেরিকা মহাদেশ থেকে পর্যাপ্ত কাঁচামাল পাওয়া যায়। এগুলো শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে শিল্পে পরিণত হতো। এসব পণ্য বিক্রি করার জন্যও আবার বিভিন্ন উপনিবেশে বাজার প্রতিষ্ঠান করত।
তাই বলা যায়, ইংল্যান্ড তার অধিকার করা উপনিবেশগুলো শোষণ করে প্রচুর পুঁজি গঠন করেছিল যা তাদের শিল্প বিপ্লব ঘটাতে বিশেষ অবদান রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ন্যায় সংশ্লিষ্ট দেশটির অর্থাৎ ইংল্যান্ডের বাজার দখলের প্রতিযোগিতার ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী।
উদ্দীপকের আলোচনায় বলা হয়, বাংলাদেশে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হলে প্রচুর পরিমাণে পণ্য উৎপাদিত হতে থাকে। নিজের দেশের চাহিদা মিটিয়ে তা বিশ্ববাজারে বিক্রির জন্য বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্য যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হয়। তেমনি উদ্দীপকের ন্যায় সংশ্লিষ্ট দেশ তথা ইংল্যান্ডকে তার উৎপাদিত পণ্যের বাজার নিশ্চিত করতে অন্যান্য শক্তিধর দেশের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে হয়। আমরা জানি, ইংল্যান্ডের প্রায় সাথে সাথেই ইউরোপের অন্যান্য দেশে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয়। ইংল্যান্ডের সঙ্গে ব্যবসায় বাণিজ্য, যোগাযোগ ও কূটনৈতিক সম্পর্কের কারণে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির হাতছানি থেকে ইউরোপের দেশগুলো বিচ্ছিন্ন থাকতে পারেনি। এদিক থেকে এগিয়ে ছিল ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, রাশিয়ার মতো ক্ষমতাধর দেশসমূহ। ইংল্যান্ডের সাথে এসব দেশ বাজার তৈরির প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ইংল্যান্ডের মতো তাদেরও নিজ নিজ উপনিবেশ সৃষ্টি হয়। কিন্তু এসব দেশের তুলনায় ইংল্যান্ডের উপনিবেশ অনেক বেশি থাকায় পণ্যের কাঁচামাল সংগ্রহ ও বিক্রির ব্যাপারে তারা সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে। অন্যান্য দেশ তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য যুদ্ধ পর্যন্ত করেছে। ঔপনিবেশিকে এ বাণিজ্য যুদ্ধের প্রভাব প্রথম বিশ্বযুদ্ধে দেখা যায়।

পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের বাংলাদেশের ন্যায় ইংল্যান্ড ও তার উৎপাদিত পণ্যের বাজার নিশ্চিত করতে যে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়েছিল, যার ফলশ্রুতিতে বিশ্ব ক্রমশ আধুনিক হয়ে ওঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
83

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দে গৌরবময় বিপ্লব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
368
উত্তরঃ

ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হলে সেখানে কল কারখানা গড়ে ওঠে। পুঁজিবাদের উদ্ভব ঘটে। লৌহ ও কয়লার ব্যবহারে নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। কৃষিপ্রধান দেশ হতে শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত হয় ইংল্যান্ড। ব্যাপক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পায়। আর এ শিল্প বিপ্লবের প্রভাব সমগ্র বিশ্বে বিস্তার লাভকরে। তাই ইংল্যান্ডকে পৃথিবীর কর্মশালা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
263
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকের শিল্প বিপ্লবপ্রসূত ইংল্যান্ডের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই শিল্প বিপ্লব ঘটেছে কৃষি বিপ্লবের হাত ধরে। শিল্প বিপ্লবের সূতিকাগার ইংল্যান্ডও এর ব্যতিক্রম নয়। অষ্টাদশ শতকের শেষদিকে ইংল্যান্ডে ঘটে যাওয়া গৌরবময় বিপ্লবের পর থেকেই কৃষি ক্ষেত্রের বিকাশ ঘটতে থাকে। পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা যায়, অষ্টাদশ শতকের শুরুতে ইংল্যান্ডের জনসংখ্যার প্রতি পাঁচ জনের চার জনই গ্রামে বাস করত এবং শতকরা ৮০ ভাগই নিয়োজিত ছিল কৃষিকাজে। শিল্প বিপ্লবের জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপাদান যেমন-

কৃষিকাজে। শিল্প বিপ্লবের কৃষি উৎপাদন তথা কাঁচামাল, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা পুঁজির সংস্থান, বুদ্ধিভিত্তিক সমাজ খনিজ সম্পদের যোগান, যন্ত্রপাতির আবিষ্কার প্রভৃতি অষ্টাদশ শতকে ইংল্যান্ডে বিদ্যমান ছিল। এছাড়া ইংল্যান্ডের সমুদ্র তীরবর্তী কয়লা খনিগুলো একাধিক শিল্পের জ্বালানির যোগান দেয়, অন্যদিকে তা সস্তায় জাহাজে করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাজারে সরবরাহে সহায়তা করে। ইংল্যান্ডে আবিষ্কৃত স্টিম ইঞ্জিন, সুতাকাটার মাকু অনবরত উৎপাদন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে। ফলে শিল্পে বিপ্লব ঘটে।
বাংলাদেশে বর্তমানে বিদ্যুৎ সুবিধা থাকায় ও আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে পাম্পের সাহায্যে সেচ এবং যন্ত্রের সাহায্য ফসল মাড়াই সম্ভব হচ্ছে। পণ্য পরিবহণের সুবিধার কারণে অল্প সময়ে বেশি কাজ করা সম্ভব হচ্ছে। কাজেই মানুষের জীবনযাত্রায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। উদ্দীপকের সাথে ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের সাদৃশ্য রয়েছে।
তাই বলা যায়, শিল্প বিপ্লবের ফলে ইংল্যান্ডের আর্থসামাজিক ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
157
উত্তরঃ

উক্ত ঘটনা অর্থাৎ ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লব সারাবিশ্বে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে- উক্তিটি যথার্থ।

উনবিংশ শতাব্দীতে শিল্প বিপ্লবজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে ইউরোপের বাইরে ইউরোপীয় দেশগুলোর সাম্রাজ্য বিস্তারের চেষ্টা নবউদ্যমে শুরু হয়। দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রকট আকার ধারণ করে। পুঁজিবাদের প্রসারের ফলে ইউরোপীয় দেশগুলোতে যৌথ বণিক সংঘে প্রতিষ্ঠিত হয়। যাদের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। ফলে বণিক সংঘগুলোর মালিক ও অংশীদারগণ পুঁজি সঞ্চয় করে স্ফীত হয়ে ওঠে। এ প্রসঙ্গে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নাম উল্লেখ করা যায়। শুধু শিল্প বিপ্লবজনিত পরিবর্তিত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য ইউরোপীয় দেশগুলো উপনিবেশ বিস্তারের নীতি গ্রহণ করেনি। বরং এর পিছনে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক উদ্দেশ্যও বিদ্যমান ছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের ব্যাখ্যায় বলা যায়, সাম্রাজ্যের বিশালতার ওপরই দেশের শক্তি, মর্যাদা ও গৌরবের মানদণ্ড নির্ভর করে। এ মনোবৃত্তিই ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে উপনিবেশ বিস্তারের প্রতিযোগিতা তীব্রতর করে তোলে। পাশ্চাত্য সভ্যতা ও খ্রিষ্টধর্ম প্রচারের মনোভাব তাদেরকে উপনিবেশ স্থাপনে আগ্রহী করে তোলে। প্রত্যেক দেশের উদ্বৃত্ত জনসংখ্যার - জীবিকার সন্ধানে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো সাম্রাজ্য বিস্তারের নীতি গ্রহণ করে। ১৮৭০ পরবর্তী শিল্প সমৃদ্ধ ইউরোপীয় জাতিগুলো এশিয়া ও । আফ্রিকার দেশগুলোকে গিলে ফেলে। শকুন যেমন মৃতদেহের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং মৃতদেহের দখল নিয়ে পরস্পর কাড়াকাড়িতে লিপ্ত হয়, তেমনি উপনিবেশ দখলও রক্ষার জন্য ইউরোপীয় জাতিগুলো এশিয়া ও আফ্রিকার কৃষিপ্রধান দেশগুলোর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত এ অবস্থা চলতে থাকে। এজন্য ১৮৭০-১৮১৪  রসময়কালকে ঐতিহাসিকগণ নাম দিয়েছেন সাম্রাজ্যবাদের যুগ।
শিল্প বিপ্লবপ্রসূত পুঁজিবাদ এশিয়া, আফ্রিকা, আমেরিকা মহাদেশে উপনিবেশ বিস্তারে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা করে।
তাই বলা যায়, ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের ঘটনা সারাবিশ্বে ব্যাপক প্রভাব ফেলে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
178
উত্তরঃ

ডিজেল ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন রুডলফ ডিজেল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
276
উত্তরঃ

অষ্টাদশ শতকের শেষার্ধে ইংল্যান্ডে নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি আবিষ্কার ও ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যবস্থায় যে ব্যাপক ও যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হয় তাকে সামগ্রিকভাবে শিল্প বিপ্লব বলে। মূলত কৃষি বিপ্লব ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবে গতি আনতে সহায়তা করে। ধীরে ধীরে শিল্প বিপ্লব ইউরোপের অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ে। এর সাথে সাথে পণ্যের বাজারের জন্য উপনিবেশ দখলের প্রতিযোগিতাও শুরু হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
223
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews