বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের সেলিম এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এমিল চাকমা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল বিভাগে পড়াশুনা করে। দু'জনের আলাপচারিতা থেকে তাদের বসবাসকারী এলাকার ভূপ্রকৃতির ভিন্নতা সম্পর্কে জানা যায়।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

গুরুমণ্ডলের নিম্নভাগ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত যে বিস্তৃত স্তর রয়েছে তাকে কেন্দ্রমণ্ডল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বরেন্দ্রভূমির মৃত্তিকায় লোহার উপাদান বেশি থাকায় এ অঞ্চলে মাটির রং লালচে হয়। সাধারণত যে অঞ্চলের মাটির মধ্যে লোহার পরিমাণ বেশি থাকে সে অঞ্চলের মাটির রং লাল হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে এমিল চাকমার নিজ অঞ্চল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। এ অঞ্চল মূলত টারশিয়ারি যুগে গঠিত হয়েছে।
প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে উত্থিত হওয়া টারশিয়ারি যুগের হিমালয় পর্বত গঠিত হয়েছে বলে একে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলে। এ পাহাড়সমূহ বেলে, স্লেট জাতীয় পাথর ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলা ও চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এ পাহাড়সমূহ বিশাল পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত। এ জাতীয় পাহাড়ের গড় উচ্চতা ৬০০ মিটার। পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে পাহাড়সমূহের উচ্চতা ক্রমশ বেড়েছে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত তাজিনডং এ অঞ্চলের পাহাড়সমূহের অন্তর্ভুক্ত যা বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। এ অঞ্চলের পাহাড়ের মধ্যে বহু সংকীর্ণ উপত্যকা রয়েছে।
এ উপত্যকা দিয়ে কর্ণফুলী, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, হালদা, কাসালং, নাফ প্রভৃতি নদী প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশে গেছে। নদীগুলো খুবই খরস্রোতা। এমিলি চাকমার এলাকার ভূমির গঠন প্রকৃতির বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রচুর পরিমাণে বাঁশ ও বৃক্ষ জন্মে এবং প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা
খনিজ রয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, ভূমিরূপ বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় দেখা যায় টারশিয়ারি যুগের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চলের যে ভূমিরূপ বৈচিত্র্য ফুটে উঠে তা অন্য কোনো অঞ্চলে পরিলক্ষিত হয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সেলিমের নিজ অঞ্চল হলো মধ্যাঞ্চল যা ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি এবং এমিল চাকমার নিজ অঞ্চল হলো দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল যা ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমির অন্তর্ভুক্ত। নিচে এ দুই অঞ্চলের বনভূমির তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-
সেলিমের অঞ্চলটি বাংলাদেশের ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমির অন্তর্গত। বাংলাদেশের গ্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এই বনভূমি রয়েছে। ক্রান্তীয় অঞ্চলে যেসব গাছের পাতা বছরে একবার সম্পূর্ণ ঝরে যায় সেগুলোকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছ বলা হয়। এই বনভূমি অঞ্চলে শাল, কড়ই, হিজল, বহেরা, হরিতকি, কাঁঠাল, নিম প্রভৃতি বনজ সম্পদ দেখা যায়। অন্যদিকে, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকের পাহাড়ি এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলব্যাপী ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি অবস্থিত। এ বনভূমির আয়তন প্রায় ১৫,৩২৬ বর্গকিলোমিটার। বেলে পাথর ও কর্দম শিলা হতে গঠিত বাংলাদেশের পাহাড়ি মৃত্তিকায় পরিমিত উত্তাপ (৩৪° সে.), অত্যধিক বৃষ্টিপাত (৩০০ সেন্টিমিটারের বেশি), স্বল্প জনবসতি, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি বিদ্যমান থাকায় এ বনভূমি গড়ে উঠেছে। পাহাড়ি বনভূমিতে বহু মূল্যবান বৃক্ষ জন্মে থাকে। চিরহরিৎ বৃক্ষের মধ্যে চাপালিশ, তেলসুর, ময়না প্রভৃতি প্রধান। বন্য পশুর মধ্যে হাতি, হরিণ, চিতাবাঘ, বাইসন, বন্য কুকুর প্রভৃতি প্রধান। এসব জন্তুর চামড়া, শিং, দাঁত খুবই মূল্যবান। অন্যান্য বনজ সম্পদের মধ্যে বাঁশ, বেত, ঔষধি গাছ, মোম, মধু ইত্যাদিও বিশেষ উল্লেখযোগ্য। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে আলোচিত দুটি অঞ্চলের বনভূমির মধ্যে গঠনগত পার্থক্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
64
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত। প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
146
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' ভূপ্রকৃতিটি হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।

রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের পাহাড়ী এলাকাগুলো নিয়ে টারশিয়ারি অঞ্চল গঠিত। সম্ভবত টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় মিয়ানমারের দিক হতে আগত গিরিজনি আলোড়নের ধাক্কায় ভাঁজগ্রস্ত হয়ে এসব পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে। তাই এদের টারশিয়ারি পাহাড় বলা হয়। এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মায়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ী অঞ্চলের আয়তন ১০,৩২৪ বর্গ কি.মি.। এ পাহাড়গুলো বেলে পাথর, স্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত। পাহাড়গুলোর গায়ে
ক্ষুদ্র-বৃহৎ বৃক্ষরাজির বন এবং অসংখ্য ঝোপজঙ্গল রয়েছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলা এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত বিচ্ছিন্ন ছোট-বড় পাহাড় নিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চল অবস্থিত। যা টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের অন্তর্ভুক্ত। আর এ অঞ্চলটি দেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
124
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক', 'খ' ও 'গ' ভূপ্রকৃতি হলো যথাক্রমে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চল। এদের মধ্যে সাম্পতিক কালের প্লাবন সমভূমির ভূপ্রকৃতি সর্বাধিক।টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। অসংখ্য ছোট-বড় নদী, বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। সমতলভূমির উপর দিয়ে এ নদীগুলো প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।

এ সমভূমি বাংলাদেশের উত্তর অংশ থেকে উপকূলের দিকে ক্রমনিম্ন। সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত। সমুদ্র সমতল থেকে বাকি অঞ্চলগুলো যেমন- দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার, বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার, ময়মনসিংহের উচ্চতা ১৮ মিটার এবং নারায়ণগঞ্জ ও যশোরের উচ্চতা ৮ মিটার। এই অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি ছড়িয়ে আছে। এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওর বলে। এদের মধ্যে চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওরসমূহ বর্ষার পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে হ্রদের আকার ধারণ করে। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভুমি খুবই উর্বর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
121
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে সুউচ্চ শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
98
উত্তরঃ

ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের স্থানচ্যুতি ঘটে। ভূত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কখনো নিম্নগামী হয়।
চ্যুতি বরাবর ঊর্ধ্বগামী শিলাস্তূপকে স্তূপ পর্বত বলে। এ ধরনের পর্বতের অন্তত একপাশে উঁচু কোণবিশিষ্ট স্বাভাবিক চ্যুতি থাকে। ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, ভোজ, নীলগিরি ও আন্ন্যামালি এ পর্বতের অন্তর্ভুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
148
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews