বাংলাদেশের সাঁওতাল ও ম্রো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য নিচে বর্ণনা করা হলো-
১. ভাষা: সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষার নাম সাঁওতাল ভাষা। ম্রোদের নিজস্ব ভাষার নাম মো।
২. পোশাক: সাঁওতাল মেয়েদের পোশাকের নাম- পানচি ও পাড়হাট এবং ছেলেরা ধুতি, লুঙ্গি, গেঞ্জি ও শার্ট পরে। ম্রো পুরুষেরা খাটো সাদা পোশাক বা লেংটি পরে, এর নাম দংকের। মেয়েদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের নাম ওয়াংক্লাই।
৩. খাদ্যাভ্যাস: সাঁওতালদের প্রধান খাবার ভাত। এছাড়াও তারা মাছ, মাংস ও সবজি খাবার হিসেবে গ্রহণ করে। ম্রোদের প্রধান খাবার ভাত, শাকসবজি, শুঁটকি মাছ ও মাছ-মাংস।
৪. উৎসব ও অনুষ্ঠান: সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই। মোরা বর্ষবরণের জন্য চাংক্রান উৎসব পালন করে।
৫. ধর্ম: সাঁওতালরা প্রকৃতিপূজারি ও বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজা করে। ম্রোরা প্রকৃতিপূজারি এবং বৌদ্ধধর্মের অনুসারী।
৬. পরিবার ব্যবস্থা: সাঁওতাল ও ম্রো উভয়ের পরিবার ব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।
Related Question
View Allগারোদের আদি ধর্মের নাম সাংসারেক।
গারো নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের নাম দকবান্দা ও দকসারি।
ওয়ানগালা গারোদের ঐতিহ্যৰাহী উৎসব।
বাংলাদেশের সিলেট বিভাগে খাসি জনগোষ্ঠী বসবাস করে।
খাসিয়া গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!