স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর অবদান
বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান অপরিসীম। এদেশের মানুষের আজন্ম লালিত অধরা স্বপ্ন ধরা দেয় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে। বাঙালি জাতির মুক্তির লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) লক্ষ লক্ষ মুক্তিকামী মানুষের সামনে বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"। এই ভাষণই তখন সমগ্র বাঙালি জাতিকে করেছিল উদ্দীপ্ত, অনুপ্রাণিত। ১৮ মিনিটের এই ভাষণে তিনি তুলে ধরেন ১৯৪৮-৭১ সাল পর্যন্ত সকল বঞ্চনা ও বাঙালির মনোবেদনা। এরপর পাকিস্তান সামরিক বাহিনী ২৫ মার্চ, ১৯৭১ সালে রাতে পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র জনগণের বিরুদ্ধে অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনা করলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। মুক্তিযুদ্ধের এক পর্যায়ে এ যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মেহেপুরের বৈদ্যনাথতলায় (মুজিবনগর) স্বাধীন বাংলা অস্থায়ী সরকার গঠন করে। এ সরকারে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি (পদাধিকার বলে সশস্ত্র ও মুক্তি বাহিনীর সর্বাধিনায়ক) ঘোষণা করা হয় এবং তাঁর নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশক্রমে মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। দীর্ঘ ৯ মাসব্যাপী চলা যুদ্ধে প্রায় ৩০ লক্ষ বাঙালি শহিদ হন। ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আত্মসমর্পণ করলে মুক্তিযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। বিশ্বদরবারে জায়গা করে নেয় নতুন এক দেশ, বাংলাদেশ। বস্তুত বাঙালি জাতির ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ অর্জন বাংলাদেশের স্বাধীনতা। আর এ স্বাধীনতা অর্জনের অগ্রদূত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
Related Question
View All'অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ এবং ‘আমার দেখা নয়াচীন’। উল্লেখ্য, ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা ২০১২ সালের জুন মাসে প্রকাশিত হয়। ‘আমার দেখা নয়াচীন' জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর তৃতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয়। ‘আমার দেখা নয়াচীন' বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ড. ফকরুল আলম ।
৩০ অক্টোবর ২০১৭ সালে ‘মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল' রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অক্টোবর ২৪-২৭ তারিখ ২০১৭ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির আন্তর্জাতিক পরামর্শক কমিটি (IAC) বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পাঠানো ১৩০টি ঐতিহাসিক এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিল, নথি ও বক্তৃতাকে যাচাই-বাছাই করে ৭৮টি বিষয়কে সংস্থার Memory of the World Register এ অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করে। এরপর ৩০ অক্টোবর ২০১৭ সালে UNESCO'র মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা ঐ ৭৮টি বিষয়কে Memory of the World Register এ অন্তর্ভূক্তির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ অন্যতম। এটাই UNESCO'র এ যাবৎ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ৪২৭টি প্রামাণ্য ঐতিহ্যের মধ্যে প্রথম অলিখিত ভাষণ ।
'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' এবং আমার দেখা না'। উল্লেখ্য, 'অनাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা ২০১২ সালের জুন মাসে প্রকাশিত হয়। আমার দেখা নয়াচীন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর তৃতীয় গ্রন্থ যা ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মানে প্রকাশিত হয়। "আমার দেখা নয়াচীন' বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ড. ফকরুল আলম।
বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার হতে ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে মুক্তি লাভ করেন এবং ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে আসেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত ২টি বই 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' এবং "কারাগারের রোজনামচা'।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
