বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত কী কী বিষয়াবলী বাংলাদেশের সংবিধানে উল্লেখিত আছে তা সংক্ষেপে লিখুন।

Updated: 1 week ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি অংশে নারীর ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ অত্যন্ত চমৎকারভাবে সন্নিবেশিত রয়েছে, যা নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো :

  • অনুচ্ছেদ ১৯(৩): জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে নারীদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবে। এটি নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের প্রধান সাংবিধানিক ভিত্তি।
  • অনুচ্ছেদ ২৮(১): কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবে না।
  • অনুচ্ছেদ ২৮(২): রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
  • অনুচ্ছেদ ২৮(৩): কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।
  • অনুচ্ছেদ ২৮(৪): নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।
  • অনুচ্ছেদ ২৯(১): প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।
  • অনুচ্ছেদ ২৯ (২): কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।
  • অনুচ্ছেদ ৬৫(৩): জাতীয় সংসদে নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে বর্তমানে ৫০টি আসন কেবল নারী সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 days ago
9

Related Question

View All
উত্তরঃ

খেলাপি ঋণ (Non-Performing Loans - NPLs) হলো এমন ঋণ যা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পরিশোধিত হয় না অথবা যার কিস্তি বকেয়া থাকে। বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি শুধু ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতাকেই দুর্বল করে না, বরং এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং জনগণের আস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই ক্রমবর্ধমান ঋণ ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, সুদের হার বাড়াতে বাধ্য করে এবং তারল্য সংকট সৃষ্টি করে।

খেলাপি ঋণের এই লাগামহীন বৃদ্ধি মূলত নিয়ন্ত্রক গুণমান (Regulatory Quality) এর ব্যর্থতাকে প্রতিফলিত করে। একটি শক্তিশালী ও কার্যকর নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার অভাবে ব্যাংকগুলো যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই ঋণ বিতরণ করে। ঋণের ঝুঁকি মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণে দুর্বলতা, ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং জবাবদিহিতার অভাব খেলাপি ঋণ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকিতে দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয়, যা ঋণ ব্যবস্থাপনার মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

এছাড়া, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ (Control of Corruption) এর ব্যর্থতা খেলাপি ঋণ বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। ঋণ বিতরণে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, প্রভাব খাটিয়ে ঋণ অনুমোদন এবং ঋণের অর্থ আত্মসাৎ খেলাপি ঋণের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক সময় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয় না। ঋণগ্রহীতা ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সৃষ্ট জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের ঘটনাও খেলাপি ঋণের সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে, যা দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুর্বল অবস্থানের সুস্পষ্ট প্রতিফলন।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
9
উত্তরঃ

দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্রের (PRSP) কার্যকারিতা ও স্বত্বাধিকার নিয়ে প্রশ্ন এবং জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার (যেমন: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা) প্রতি বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ও নিজস্ব উন্নয়ন কৌশল প্রণয়নের সিদ্ধান্ত।


বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এবং বিশ্বব্যাংকের শর্তসাপেক্ষে ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (Poverty Reduction Strategy Paper - PRSP) গ্রহণ করে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ঋণ সহায়তা প্রাপ্তি এবং দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য একটি সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক কৌশল তৈরি করা। বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রকাশ করে এবং পরবর্তীতে এর দ্বিতীয় সংস্করণও বাস্তবায়ন করে।

তবে, বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি কারণে এই কৌশলপত্র থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়:

        
  • সীমিত কার্যকারিতা: PRSP-এর মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে কিছু অগ্রগতি হলেও এর দীর্ঘমেয়াদী টেকসই প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অনেক ক্ষেত্রে, এটি কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়।
  •     
  • বাহ্যিক প্রভাব: PRSP মূলত আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠীর শর্তসাপেক্ষ একটি প্রক্রিয়া হওয়ায় এটি বাংলাদেশের নিজস্ব উন্নয়ন অগ্রাধিকার ও প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সবসময় পুরোপুরি সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না। দেশের নীতিনির্ধারকরা একটি স্বত্বাধিকারভিত্তিক (Country Ownership) উন্নয়ন কাঠামো চাইছিলেন।
  •     
  • জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতি অগ্রাধিকার: বাংলাদেশ নিজস্ব পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (যেমন: ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা) এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (যেমন: প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১ ও ২০৪১) প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে অধিক গুরুত্ব আরোপ করে। এই পরিকল্পনাগুলো দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসে, যা PRSP-এর তুলনায় অধিকতর বিস্তৃত ও দেশের প্রেক্ষাপটভিত্তিক ছিল।
  •     
  • বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গতি: সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDGs) থেকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs)-এর দিকে বৈশ্বিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ নিজস্ব উন্নয়ন কৌশলকে আরও আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে চেয়েছিল।

এই কারণগুলোর ফলস্বরূপ, বাংলাদেশ PRSP-ভিত্তিক উন্নয়ন কাঠামো থেকে সরে এসে নিজস্ব পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং অন্যান্য জাতীয় কৌশলপত্রের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা দেশের নিজস্ব প্রেক্ষাপট ও আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
11
উত্তরঃ

বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপের অংশ এবং এর বেশিরভাগ অঞ্চলই নিম্নভূমি ও সমতল। এটি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নদীর পলি দ্বারা গঠিত এক উর্বর প্লাবনভূমি। এই উর্বর ভূমির কারণে দেশের কৃষি অর্থনীতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ এবং সাম্প্রতিককালের প্লাবনভূমিসমূহ। দেশের প্রায় ৮০% অঞ্চলই সাম্প্রতিককালের প্লাবনভূমি দ্বারা গঠিত, যা এর প্রধান ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলো দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (যেমন: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম), উত্তর-পূর্বাঞ্চল (যেমন: সিলেট) এবং উত্তরাঞ্চলে (যেমন: ময়মনসিংহ, শেরপুর) অবস্থিত। প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহের মধ্যে বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড় উল্লেখযোগ্য। অবশিষ্ট বিশাল অংশই নদী বিধৌত উর্বর প্লাবনভূমি, যা কৃষি ও জনবসতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
8
উত্তরঃ বাংলাদেশে শিল্পোন্নয়নের পথে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা বিদ্যমান, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে ব্যাহত করছে। প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলো নিম্নরূপ:
      
  • ১. দুর্বল অবকাঠামো: বিদ্যুৎ, গ্যাস, যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি করে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটায়। বিশেষ করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অভাব একটি বড় সমস্যা।
  •   
  • ২. রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও নীতিগত ধারাবাহিকতার অভাব: ঘন ঘন রাজনৈতিক পরিবর্তন, হরতাল, অবরোধ এবং শিল্পনীতিতে ধারাবাহিকতার অভাব দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে।
  •   
  • ৩. মূলধনের অভাব ও উচ্চ সুদের হার: শিল্প খাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত মূলধনের অভাব এবং ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের হার নতুন শিল্প স্থাপন ও বিদ্যমান শিল্পের সম্প্রসারণে বাধা সৃষ্টি করে।
  •   
  • ৪. দক্ষ শ্রমিকের অভাব: আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শ্রমিকের অভাব একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিবন্ধকতা। কারিগরি শিক্ষার অভাব এর অন্যতম কারণ।
  •   
  • ৫. প্রশাসনিক জটিলতা ও দুর্নীতি: শিল্প স্থাপন, লাইসেন্স প্রাপ্তি এবং অন্যান্য সরকারি অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা ও দুর্নীতি বিনিয়োগের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
  •   
  • ৬. সীমিত বাজার ও বিপণন সমস্যা: অভ্যন্তরীণ বাজারের আকার তুলনামূলকভাবে ছোট হওয়া এবং কার্যকর বিপণন ব্যবস্থার অভাব অনেক শিল্পের পণ্য বিক্রিতে সমস্যা তৈরি করে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতার অভাবও একটি কারণ।
  •   
  • ৭. আধুনিক প্রযুক্তির অভাব: আধুনিক উৎপাদন পদ্ধতি ও প্রযুক্তির ব্যবহার অপ্রতুল হওয়ায় অনেক শিল্প আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে এবং প্রতিযোগিতামূলক পণ্য উৎপাদনে ব্যর্থ হয়। গবেষণা ও উন্নয়নের অভাবও এর সঙ্গে জড়িত।
  •   
  • ৮. কাঁচামালের অভাব: অনেক শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, যা উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি করে এবং সরবরাহ শৃঙ্খলকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।
  •   
  • ৯. জমির দুষ্প্রাপ্যতা ও উচ্চ মূল্য: শিল্প স্থাপনের জন্য উপযুক্ত জমির অভাব এবং উচ্চ মূল্য শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
7
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews