বাংলাদেশ কেন দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP) থেকে সরে এলো তা ব্যাখ্যা করুন।

Updated: 1 week ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ নিজস্ব দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন রূপকল্প বাস্তবায়ন, অর্থনৈতিক স্বকীয়তা রক্ষা এবং দাতা সংস্থাগুলোর শর্তযুক্ত সাময়িক কাঠামোর সীমাবদ্ধতা কাটাতে দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP) থেকে সরে আসে।

পিআরএসপি (PRSP) থেকে সরে আসার প্রধান কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো :

  • দাতাগোষ্ঠীর কঠোর শর্ত ও নীতি চাপিয়ে দেওয়া: বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ (IMF) উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ঋণ দেওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে এই PRSP প্রণয়ন বাধ্যতামূলক করেছিল। এর সাথে যুক্ত থাকত কাঠামোগত সমন্বয় কর্মসূচি, যার অধীনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সারে ভর্তুকি কমানো, রাষ্ট্রায়ত্ত খাত বেসরকারীকরণ এবং রাজস্ব নীতিতে বড় পরিবর্তনের চাপ ছিল। এই শর্তগুলো বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছিল এবং দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীন নীতি নির্ধারণের ক্ষমতাকে পুরোপুরি ক্ষুণ্ণ করছিল।
  • স্বল্পমেয়াদি ও খণ্ডিত কৌশলগত সীমাবদ্ধতা: PRSP-এর মেয়াদ ছিল মাত্র ৩ বছর, যা ছিল মূলত একটি অন্তর্বর্তীকালীন জোড়াতালির রূপরেখা। বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ ও নীতি-নির্ধারকরা দ্রুত বুঝতে পারেন যে, দারিদ্র্যের মতো একটি গভীর, বহুমাত্রিক ও দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সমস্যা মাত্র ৩৬ মাসের পরিকল্পনা দিয়ে স্থায়ীভাবে দূর করা সম্ভব নয়। তাছাড়া গভীর সমুদ্র বন্দর, যমুনা বা পদ্মা সেতুর মতো মেগা অবকাঠামো নির্মাণ, যা দীর্ঘমেয়াদে দারিদ্র্য দূরীকরণে ভূমিকা রাখে, তা এই ৩ বছরের সংক্ষিপ্ত বাজেটের ফ্রেমে বাস্তবায়ন করা অসম্ভব ছিল।
  • উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পায়নে ব্যর্থতা: PRSP-এর মূল দর্শন ছিল নব্য-উদারবাদী অর্থনৈতিক মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে শুধু দরিদ্রদের জন্য কিছু সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী (যেমন: নগদ টাকা বা খাদ্য সাহায্য) বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হতো। এই কৌশলটি সাময়িকভাবে দারিদ্র্যের তীব্রতা কিছুটা কমালেও দেশে বড় ধরনের শিল্পায়ন, কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশ এবং টেকসই উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। সরকার উপলব্ধি করে যে, কেবল অনুদান দিয়ে দারিদ্র্য দূর করা যাবে না, বরং উৎপাদন বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে, যা পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল শক্তি।
  • জাতীয় মালিকানা ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার অভাব: আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একে 'কান্ট্রি ওনারশিপ' বলা হলেও বাস্তবে PRSP-এর মূল লক্ষ্য ও কৌশলগুলো তৈরি হতো ওয়াশিংটন এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের ফর্মুলা অনুযায়ী। এতে দেশের জাতীয় সংসদ, স্থানীয় সরকার এবং তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের বা রাজনৈতিক দলগুলোর নিজস্ব উন্নয়ন ভাবনার প্রতিফলন ছিল না বললেই চলে। একটি গণতান্ত্রিক দেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের রাজনৈতিক এজেন্ডা এবং দায়বদ্ধতা থাকে, যা এই আমলাতান্ত্রিক ও দাতা-নিয়ন্ত্রিত
    দলিলের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল।
  • দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় রূপকল্প বাস্তবায়নের তাগিদ: ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর তৎকালীন সরকার দেশকে একটি সুনির্দিষ্ট দীর্ঘমেয়াদি গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য 'রূপকল্প ২০২১' (ডিজিটাল বাংলাদেশ) এবং পরবর্তীতে 'রূপকল্প ২০৪১' (স্মার্ট বাংলাদেশ) ও 'ডেল্টা প্ল্যান ২১০০'-এর মতো মহাপরিকল্পনা বা পার্সপেক্টিভ প্ল্যান হাতে নেয়। এই সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপকল্পগুলোর সাথে ৩ বছরের খণ্ডিত PRSP-এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক মিল বা ধারাবাহিকতা ছিল না। এই রূপকল্পগুলোকে বার্ষিক বাজেট ও মধ্যমেয়াদি কাঠামোর সাথে সমন্বয় করতে ২০১০ সালে ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চালুর মাধ্যমে চজঝচ-এর অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটানো হয়।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 days ago
11

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধানে নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার নিশ্চিতকরণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী উল্লেখ করা হয়েছে, যা রাষ্ট্র ও সমাজের সকল স্তরে নারীর সমান অংশগ্রহণ ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।

সংবিধানের ১০ অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনে মহিলাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও, ১৯(৩) অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ আছে। ২৮(১) অনুচ্ছেদে ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, লিঙ্গ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং ২৮(২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।

বিশেষভাবে, ২৮(৪) অনুচ্ছেদে নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে বাধা দেওয়া যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, ৬৫(৩) অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষিত রাখার বিধান রয়েছে, যা নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই বিধানগুলো বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করেছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
8
উত্তরঃ

খেলাপি ঋণ (Non-Performing Loans - NPLs) হলো এমন ঋণ যা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পরিশোধিত হয় না অথবা যার কিস্তি বকেয়া থাকে। বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি শুধু ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতাকেই দুর্বল করে না, বরং এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং জনগণের আস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই ক্রমবর্ধমান ঋণ ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, সুদের হার বাড়াতে বাধ্য করে এবং তারল্য সংকট সৃষ্টি করে।

খেলাপি ঋণের এই লাগামহীন বৃদ্ধি মূলত নিয়ন্ত্রক গুণমান (Regulatory Quality) এর ব্যর্থতাকে প্রতিফলিত করে। একটি শক্তিশালী ও কার্যকর নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার অভাবে ব্যাংকগুলো যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই ঋণ বিতরণ করে। ঋণের ঝুঁকি মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণে দুর্বলতা, ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং জবাবদিহিতার অভাব খেলাপি ঋণ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকিতে দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয়, যা ঋণ ব্যবস্থাপনার মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

এছাড়া, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ (Control of Corruption) এর ব্যর্থতা খেলাপি ঋণ বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। ঋণ বিতরণে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, প্রভাব খাটিয়ে ঋণ অনুমোদন এবং ঋণের অর্থ আত্মসাৎ খেলাপি ঋণের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক সময় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয় না। ঋণগ্রহীতা ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সৃষ্ট জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের ঘটনাও খেলাপি ঋণের সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে, যা দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুর্বল অবস্থানের সুস্পষ্ট প্রতিফলন।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
9
উত্তরঃ

বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপের অংশ এবং এর বেশিরভাগ অঞ্চলই নিম্নভূমি ও সমতল। এটি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নদীর পলি দ্বারা গঠিত এক উর্বর প্লাবনভূমি। এই উর্বর ভূমির কারণে দেশের কৃষি অর্থনীতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ এবং সাম্প্রতিককালের প্লাবনভূমিসমূহ। দেশের প্রায় ৮০% অঞ্চলই সাম্প্রতিককালের প্লাবনভূমি দ্বারা গঠিত, যা এর প্রধান ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলো দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (যেমন: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম), উত্তর-পূর্বাঞ্চল (যেমন: সিলেট) এবং উত্তরাঞ্চলে (যেমন: ময়মনসিংহ, শেরপুর) অবস্থিত। প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহের মধ্যে বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড় উল্লেখযোগ্য। অবশিষ্ট বিশাল অংশই নদী বিধৌত উর্বর প্লাবনভূমি, যা কৃষি ও জনবসতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
7
উত্তরঃ বাংলাদেশে শিল্পোন্নয়নের পথে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা বিদ্যমান, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে ব্যাহত করছে। প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলো নিম্নরূপ:
      
  • ১. দুর্বল অবকাঠামো: বিদ্যুৎ, গ্যাস, যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি করে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটায়। বিশেষ করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অভাব একটি বড় সমস্যা।
  •   
  • ২. রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও নীতিগত ধারাবাহিকতার অভাব: ঘন ঘন রাজনৈতিক পরিবর্তন, হরতাল, অবরোধ এবং শিল্পনীতিতে ধারাবাহিকতার অভাব দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে।
  •   
  • ৩. মূলধনের অভাব ও উচ্চ সুদের হার: শিল্প খাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত মূলধনের অভাব এবং ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের হার নতুন শিল্প স্থাপন ও বিদ্যমান শিল্পের সম্প্রসারণে বাধা সৃষ্টি করে।
  •   
  • ৪. দক্ষ শ্রমিকের অভাব: আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শ্রমিকের অভাব একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিবন্ধকতা। কারিগরি শিক্ষার অভাব এর অন্যতম কারণ।
  •   
  • ৫. প্রশাসনিক জটিলতা ও দুর্নীতি: শিল্প স্থাপন, লাইসেন্স প্রাপ্তি এবং অন্যান্য সরকারি অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা ও দুর্নীতি বিনিয়োগের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
  •   
  • ৬. সীমিত বাজার ও বিপণন সমস্যা: অভ্যন্তরীণ বাজারের আকার তুলনামূলকভাবে ছোট হওয়া এবং কার্যকর বিপণন ব্যবস্থার অভাব অনেক শিল্পের পণ্য বিক্রিতে সমস্যা তৈরি করে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতার অভাবও একটি কারণ।
  •   
  • ৭. আধুনিক প্রযুক্তির অভাব: আধুনিক উৎপাদন পদ্ধতি ও প্রযুক্তির ব্যবহার অপ্রতুল হওয়ায় অনেক শিল্প আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে এবং প্রতিযোগিতামূলক পণ্য উৎপাদনে ব্যর্থ হয়। গবেষণা ও উন্নয়নের অভাবও এর সঙ্গে জড়িত।
  •   
  • ৮. কাঁচামালের অভাব: অনেক শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, যা উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি করে এবং সরবরাহ শৃঙ্খলকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।
  •   
  • ৯. জমির দুষ্প্রাপ্যতা ও উচ্চ মূল্য: শিল্প স্থাপনের জন্য উপযুক্ত জমির অভাব এবং উচ্চ মূল্য শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
7
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews