SWAT-এর পূর্ণরূপ হলো- Special Weapons And Tactics
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলতে ঐ সকল সংস্থাকে বোঝায়, যারা দেশের প্রচলিত আইন যথাযথ প্রয়োগ করে, নাগরিকদের নিরাপত্তা দেয় ও কল্যাণ নিশ্চিত করে।
যেসব সংস্থার মাধ্যমে আইন বিভাগ কর্তৃক প্রণীত আইন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা বিধানে প্রয়োগ করা হয়, তাদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলা হয়। এক্ষেত্রে যারা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আইনের প্রতি অনুগত থেকে সমাজের নিয়ম ও আদর্শ ভঙ্গকারীদের খুঁজে বের করে এবং শাস্তি প্রদান করে তাদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলে।
উদ্দীপকে যে প্রতিষ্ঠানের ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে তা হলো ধর্ম।
ধর্ম একটি মৌল ও সর্বজনীন সামাজিক প্রতিষ্ঠান। বাংলা 'ধর্ম শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে সংস্কৃত 'ধৃ' ধাতু থেকে। যার অর্থ হচ্ছে ধারণ করা। সুতরাং ধর্ম বলতে আমরা এক বিশেষ শক্তিকে বুঝি, যা মানুষের সমগ্র জীবনকে ধারণ এবং পরিচালনা করে।
ধর্ম হচ্ছে স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস এবং কিছু বিধি-বিধান যা মানুষের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে। এ বিশ্বাস মানুষের চেয়ে অধিকতর শক্তিসম্পন্ন অতিপ্রাকৃত শক্তিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। এটি সমাজে সম্প্রীতি স্থাপন, সামাজিক নিয়ন্ত্রণ ও আর্তমানবতার সেবাসহ ইতিবাচক আদর্শ ও মূল্যবোধ গঠনে সহায়তা করে। উদ্দীপকেও একটি প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে, যা মানবজীবন ও প্রকৃতির ধারা নিয়ন্ত্রণ, সমাজে সম্প্রীতি স্থাপন, সামাজিক নিয়ন্ত্রণ ও আর্তমানবতার সেবাসহ ইতিবাচক আদর্শ ও মূল্যবোধ গঠনে সহায়তা করে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রতিষ্ঠানটি হলো ধর্ম।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ ধর্ম নামক সামাজিক প্রতিষ্ঠানকে বোঝানো হয়েছে। সমাজজীবনে ধর্মের গুরুত্ব অপরিসীম।
ধর্ম একটি মৌল ও সার্বজনীন প্রতিষ্ঠান। মানবসমাজের সাথে ধর্মের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। এছাড়া ধর্মের নিয়ন্ত্রণমূলক ভূমিকা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি, সামাজিক নিয়ন্ত্রণ, আর্তমানবতার সেবা এবং মূল্যবোধ গঠনে ধর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ধর্ম মানব জীবনের সবদিক নিয়ন্ত্রণ করে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ও মৃত্যু থেকে পরবর্তী জীবন সম্পর্কেও ধর্মের বিধান। আছে। এসব বিধান মানবজীবন ও প্রকৃতির ধারাকে নিয়ন্ত্রণ করে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত যাতায়াতের ফলে মানুষের মধ্যে পরিচিতি, সম্পর্ক, বন্ধন, সহানুভূতি, সহযোগিতা, সম্প্রীতি সৃষ্টি হয়। ধর্মীয় অনুপ্রেরণাতেই মানুষ দুঃস্থ, অসহায়, এতিম, বিধবা, প্রবীণ, অসুস্থ ও দরিদ্র শ্রেণির সহায়তায় এগিয়ে আসে।ধর্ম মূল্যবোধ বিকাশের মাধ্যমে মানুষকে সমস্যামুক্ত জীবনযাপনে অভ্যস্ত করে তোলে। যেমন-মিথ্যা কথা বলা, দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা, চুরি করা, মানুষের মনে কষ্ট দেওয়া ইত্যাদি মূল্যবোধ পরিপন্থী কাজ। ধর্ম এসব কাজকে ধর্মবিরোধী আখ্যা দেয়। এর ফলে মানুষ সচরাচর এসব কাজে উদ্বুদ্ধ হয় না।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের মানুষের আদর্শ ও সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে। এখানে মানুষ নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী মসজিদ, মন্দির, গীর্জায় গিয়ে প্রার্থনা তথা ইবাদত করে। এভাবে নিজ নিজ কর্মকাণ্ডগুলো আমাদের সঠিক ও সুশৃঙ্খল পথে পরিচালিত করে। উদ্দীপকের এসব তথ্য দ্বারা ধর্মকে বোঝানো হয়েছে। যার গুরুত্ব অপরিসীম। সুতরাং বলা যায় সমাজজীবনের সহজ ও সুন্দর করতে ধর্ম ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে।
Related Question
View Allরাজনৈতিক অস্থিরতা বেকারত্ব সৃষ্টির অন্যতম একটি কারণ।
রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিতিশীল হলে মানুষের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ দেখা দেয়। এর ফলে মানুষ কর্মবিমুখ হয়ে পড়ে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ব্যাহত হয়। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প, বিনিয়োগ, আমদানি-রপ্তানি প্রভৃতি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি সম্ভব হয় না। এর ফলে বেকারত্ব সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে পুষ্টিহীনতা সমস্যার চিত্র পাওয়া যায়।
মৌলিক চাহিদা পূরণের ব্যর্থতা থেকেই সৃষ্টি হয় পুষ্টিহীনতা। খাদ্য তালিকায় ছয়টি পুষ্টি উপাদানের যেকোনো একটি পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকলে স্বাভাবিক পুষ্টি প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এর ফলে অপুষ্টি দেখা দেয়। বাংলাদেশের পুষ্টিহীনতার চিত্র উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' ইউনিয়নের অনুরূপ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১১ তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে ১১.৫ ভাগ শিশু স্বাভাবিক এবং ৮৮.৫ ভাগ শিশু অপুষ্টির শিকার হচ্ছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান। ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে শতকরা ৩৬ ভাগ শিশু কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করে এবং ৯০ ভাগ শিশু রক্তশূন্যতার শিকার হয়। অপুষ্টির প্রভাবে শিশু মৃত্যু হার বৃদ্ধি, অন্ধত্ব, রাতকানা, বিকলাঙ্গতা, স্বাস্থ্যহীনতা প্রভৃতি সমস্যা দেখা দেয়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'ক' ইউনিয়নের শিশুদের মধ্যে যে লক্ষণগুলো পাওয়া যায় তা পুষ্টিহীনতাজনিত সমস্যার লক্ষণ।
আমি মনে করি, উদ্দীপকের চেয়ারম্যানের উদ্যোগ পুষ্টিহীনতাজনিত সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম।
পুষ্টিহীনতা বাংলাদেশের একটি মৌলিক চাহিদার অপূরণজনিত সমস্যা। মানবদেহের স্বাভাবিক অবস্থা টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যের গুণগত ও পরিমাণগত অভাবজনিত অবস্থাকে অপুষ্টি বলে। খাদ্যের আমিষ, শর্করা, স্নেহ পদার্থ, পানি, খনিজ লবণ ও ভিটামিন এর অভাব হলে অপুষ্টি জনিত সমস্যা শুরু হয়। প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে শিশুর কম ওজন, অন্ধত্ব, বিকলাঙ্গতা, স্বাস্থ্যহীনতা প্রভৃতি সমস্যা দেখা দেয়।
উদ্দীপকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অপুষ্টি সমস্যা সমাধানে বাবা-মায়ের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। প্রকৃতপক্ষে অভিভাবকদের সচেতনতা অপুষ্টি সমস্যা মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বাবা-মা শিশুর জন্য পুষ্টিকর বা সুষম খাদ্যের ব্যবস্থা করলে তারা কম ওজন, অন্ধত্ব প্রভৃতি সমস্যা থেকে রক্ষা পাবে। গর্ভাবস্থায় মাকে পুষ্টিকর খাদ্য তথা আয়োডিন, ক্যালসিয়াম, লৌহ ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে। অপুষ্টিজনিত সমস্যা সমাধানে কমিউনিটি পর্যায়ে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করতে হবে। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের ও সন্তানের খাদ্যাভ্যাসের ব্যাপারে সচেতন হবে।
সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বাবা মার সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিশুদের পুষ্টিহীনতা হ্রাসে চেয়ারম্যানের উদ্যোগ কার্যকর
হবে।
বিবাহের প্রধান ভূমিকা পরিবার গঠন।
জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে পরিবারের ভূমিকা অপরিসীম।
সাম্প্রদায়িকতা, উগ্র ধর্মান্ধতা, মুক্ত চিন্তা-চেতনা ও সুষ্ঠু
সামাজিকীকরণের অভাব জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস সৃষ্টির অন্যতম কারণ। পরিবার মানুষকে সুষ্ঠু বিকাশ, ব্যক্তিত্ব গঠন, উদার আদর্শ, রীতি-নীতি, মূল্যবোধ, দৃষ্টিভঙ্গি ও সাংস্কৃতিক ধ্যান-ধারণা প্রদান করে সুষ্ঠু সামাজিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে যা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে ভূমিকা রাখে। পরিবার দায়িত্ব-কর্তব্য, শৃঙ্খলাবোধ, শিষ্টাচার, দেশপ্রেম, আইনের প্রতি আনুগত্য ইত্যাদি গুণ শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করে। আবার সামাজিক নিরাপত্তা বিধানসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিবার জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!