বাংলাদেশ খাদ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউট পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের অধিকাংশ কিশোরী বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদানের অভাবে ভুগছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হুমকিস্বরূপ। পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকে নিজের মধ্যে ধারণ এবং পছন্দের শিল্পীর মতো দৈহিক কাঠামো লাভের আকাঙ্ক্ষাই এ পুষ্টিহীনতার মূল কারণ বলে গবেষকরা চিহ্নিত করেছেন। এছাড়া গবেষণায় আরও দেখা গেছে প্রায় ৮০ শতাংশ কিশোরী স্নেহ জাতীয় খাদ্য সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ করেছে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

প্রোটিনকে ভাঙলে প্রথমে অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়।

উত্তরঃ

লৌহ, আয়োডিন, ক্লোরিন, জিংক, ম্যাঙ্গানিজ, কোবাল্ট ইত্যাদি খুব সামান্য পরিমাণে দেহের পুষ্টি কাজে অংশ নেয় বলে এসব মৌলকে লেশ মৌল বলে। এগুলো খুব সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হলেও এদের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তরঃ

উল্লিখিত সমস্যা সমাধানে জনগণকে স্নেহ পদার্থের কাজ সম্পর্কে জানতে হবে। এর কাজগুলো হলো-

১. তাপ ও শক্তি সরবরাহ করে।

২. কোষ প্রাচীরের সাধারণ উপাদান হিসেবে ভূমিকা পালন করে এবং ত্বকের মসৃণতা বজায় রাখে।

৩. ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে দ্রবীভূত করে দেহের গ্রহণ উপযোগী করে তোলে।

৪. দেহ থেকে তাপের অপচয় রোধ করে শরীর গরম রাখে।

৫. চর্মরোগের হাত থেকে রক্ষা করে ও খাদ্যের স্বাদ বৃদ্ধি করে।

স্নেহ পদার্থের এ সকল কাজ সম্পর্কে জনগণ বিশেষ করে কিশোরীদের অবগত করতে পারলে উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যাটি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে বলা হয়েছে দেশের ৮০ শতাংশ কিশোরী তাদের খাদ্য তালিকা থেকে স্নেহ জাতীয় খাদ্যকে সম্পূর্ণরূপে বাদ দিয়েছে। স্নেহ পদার্থের অভাব যেভাবে একটি দেশের জনস্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে তা হলো-

১. স্নেহ পদার্থের অভাবে প্রয়োজনীয় তাপশক্তির ঘাটতি হয়। ফলে জাতি হয় শারীরিকভাবে দুর্বল ও কম জীবনীশক্তি সম্পন্ন।

২. খাদ্যে স্নেহ পদার্থের ক্রমাগত অভাব হলে দেহে চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন-এ, ডি, ই, কে এর ঘাটতি দেখা দেয়। যেমন-ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়, ভিটামিন ডি এর অভাবে অস্টিওম্যালেসিয়া এবং শিশুদের ক্ষেত্রে রিকেট রোগ দেখা দিতে পারে। এছাড়া ভিটামিন ই এর অভাবে নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যে প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

৩. দীর্ঘদিন স্নেহ পদার্থের অভাবের ফলে দেহে পূর্বের সঞ্চিত প্রোটিনের ক্ষয় হয় এবং দেহের ওজন হ্রাস পায়।

৪. শিশুদের একজিমা এবং বয়স্কদের চর্মরোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। 'উপরিউক্ত সমস্যা থেকে জনস্বাস্থ্যকে মুক্ত করতে হলে পুষ্টি শিক্ষার প্রসার ঘটানো অত্যন্ত জরুরি।

52

খাদ্য উপাদানের প্রকারভেদ, উৎস ও কাজ

আমরা জানি যে, খাদ্যকে ভাঙলে যে বিভিন্ন ধরনের জৈব রাসায়নিক উপাদান পাওয়া যায় তাদেরকে খাদ্য উপাদান বলে। এই উপাদানগুলো আমাদের শরীরে পুষ্টি সাধন করে, তাই এদেরকে পুষ্টি উপাদানও বলে। আমাদের খাদ্যে প্রধানত ছয় প্রকারের খাদ্য উপাদান বা পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় যা নিচের ছকে দেখানো হলো।

আমরা এখন উল্লিখিত উপাদানগুলো সম্পর্কে জানব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

খাদ্যের মধ্যে বিভিন্ন প্রকার জটিল জৈব রাসায়নিক যৌগ রয়েছে যা জীবদেহে খুব সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয়, সেগুলোকে ভিটামিন বলে।

88
উত্তরঃ

মানবদেহের যে অঙ্গগুলো পরিপাক ও শোষণের কাজ করে তাদেরকে পরিপাকতন্ত্র বলে। আমরা যে খাবারগুলো খাই সেগুলোকে পরিপাকের মাধ্যমে শরীরের শোষণ উপযোগী করতে পরিপাকতন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

128
উত্তরঃ

১নং চিত্রের খাদ্যগুলো হলো দুধ, ডিম, মাংস ও ভাত।

দুধ, ডিম ও মাংস প্রোটিন জাতীয় খাদ্য। আর ভাত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য। এ খাদ্যগুলো আমাদের দেহের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন। যেমন-

  • আমাদের দেহের অস্থি, রক্তকণিকা হতে শুরু করে দাঁত, চুল, নখ তৈরিতে প্রোটিন প্রয়োজন।
  • ক্ষয়প্রাপ্ত কোষকলার গঠন ও ক্ষতস্থান সারাতে প্রোটিনের ভূমিকা রয়েছে।
  • দেহে ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেটের ঘাটতি থাকলে প্রোটিন তাপ উৎপাদনের কাজ করে থাকে।
  • শরীরে অ্যান্টিবডি (antibody) তৈরি করতে প্রোটিন সাহায্য করে।
  • মানসিক বিকাশ বা মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য প্রোটিন অপরিহার্য।
  • প্রোটিন শিশুদের দেহের বৃদ্ধি ঘটায়।
103
উত্তরঃ

'২' নং চিত্রের খাদ্যগুলো হলো স্নেহজাতীয় খাদ্য। এ খাদ্যগুলো হলো ঘি, মাখন, সরিষার তেল ও নারকেল। এগুলো প্রয়োজনের তুলনায় কম খেলে মানবদেহে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে বলে আমি মনে করি। স্নেহ জাতীয় খাদ্য আমাদের শরীরে তাপ ও শক্তি সরবরাহ করে। এ জাতীয় খাদ্য দেহ হতে তাপের অপচয় রোধ, চর্মরোগ থেকে রক্ষা এবং দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোকে সংরক্ষণ করে। এছাড়া এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো যেমন- এ, ডি, ই ও কে দ্রবীভূত করে দেহের গ্রহণ উপযোগী করে তোলে। এটি কোষ প্রাচীরের সাধারণ উপাদান হিসেবে ভূমিকা পালন করে। এর অভাব হলে শরীরে প্রয়োজনীয় তাপশক্তির ঘাটতি দেখা দেয়। এছাড়া এর অভাবে চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলোর ঘাটতি এবং চর্মরোগ দেখা দিতে পারে। এটি স্বল্প পরিমাণে গ্রহণ করলে যেমন শরীরের ক্ষতি হয় তেমনি প্রয়োজনের অধিক গ্রহণ করলে ওজন খুব তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পায়। তাই এটি পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত।

92
উত্তরঃ

খাবার খাওয়ার পর তা ভেঙে গিয়ে জটিল অবস্থা থেকে সরল অবস্থায় পরিণত হওয়াই হলো পরিপাক।

99
উত্তরঃ

ডায়রিয়া হলে বার বার পাতলা পায়খানা হয়। তখন এর সাথে শরীর থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। তাছাড়া ডায়রিয়ায় বমি হলেও এর সাথে শরীর থেকে পানি বের হয়ে যায়। এর ফলে ডিহাইড্রেশন দেখা দেয়।

121
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews