বেগম রোকেয়ার মাতার নাম মোসাম্মৎ বাহাতন্নেসা সাবেরা চৌধুরানী।
সৈয়দ আমির আলি পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ও বৈষয়িক উন্নতি করতে চেয়েছিলেন।
তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় শিক্ষা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুসলমানদের পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি করতেন। ফলে ১৮৮৫ সালে সরকার মুসলমানদের শিক্ষার অগ্রগতির জন্যে কতকগুলো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন। এ কারণে তিনি ১৮৮৪ সালে কলকাতা মাদ্রাসায় কলেজ পর্যায়ের ইংরেজি শিক্ষা এবং করাচিতে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠায় উৎসাহিত করেন।
মুসলমানদের উন্নয়নে সৈয়দ আমির আলি 'সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন বলে রিমি উপস্থান করে।
বাংলা তথা ভারতে সৈয়দ আমির আলিই প্রথম মুসলমান নেতা, যিনি বিশ্বাস করতেন মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন। তাছাড়া তিনি বিশ্বাস করতেন, মুসলমানদের স্বার্থরক্ষা এবং তাদের দাবি-দাওয়ার প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নিজস্ব রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন। এ উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৭ সালে কলকাতায় 'সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' নামে একটি সমিতি গঠন করেন।
উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন, তিনি হলেন সৈয়দ আমির আলি। তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক উন্নতি করতে চেয়েছেন।
সৈয়দ আমির আলি মুসলমানদের অগ্রগতির জন্য 'সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা ছাড়াও তিনি মুসলমানদের জন্য আরও অনেক কাজ করেছেন।
সৈয়দ আমির আলি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় শিক্ষা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুসলমানদের পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি করেন। ফলে ১৮৮৫ সালে সরকার মুসলমানদের শিক্ষার অগ্রগতির জন্য কতকগুলো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এ কারণে তিনি ১৮৮৪ সালে কোলকাতা মাদ্রাসায় কলেজ পর্যায়ে ইংরেজি শিক্ষা এবং করাচিতে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠায় উৎসাহিত করেন।
তার বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ 'The Spirit of Islam' এবং A Short History of the Saracens'-এ ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা ও ইসলামের অতীত গৌরবের কথা তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করতেন, আধুনিক ভারতের উন্নতির জন্য হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের একযোগে কাজ করা প্রয়োজন। তিনি ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠাকে স্বাগত জানান। ১৯১২ সালে তিনি মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। সৈয়দ আমির আলি নারী অধিকারের বিষয়েও সচেতন ছিলেন।
Related Question
View Allরাজা রামমোহন রায়কে ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ বলা হয়।
ইসলাম ধর্মকে কুসংস্কার ও অনৈসলামিক রীতিনীতি থেকে মুক্ত করাই ছিল ফরায়েজি আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য।
মূলত মক্কা থেকে দেশে ফিরে হাজী শরীয়তউল্লাহ বুঝতে পারেন যে, বাংলার মুসলমানেরা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। মুসলমানদের মধ্যে অনৈসলামিক আচার-আচরণ, অনুষ্ঠান, অনাচার প্রবেশ করেছে। ইসলাম ধর্মকে এসব অনাচারমুক্ত করাই ছিল ফরায়েজি আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য।
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলো আমার পাঠ্যপুস্তকের 'নীল বিদ্রোহের' কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
ব্রিটেনের নীলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলার ইংরেজ বণিকগণ এদেশের কৃষকদের নীলচাষে বাধ্য করে। তারা কৃষকদের নীলচাষের জন্য অগ্রীম অর্থ গ্রহণে (দাদন) বাধ্য করত। আর একবার এ দাদন গ্রহণ করলে সুদ- আসলে কৃষকরা যতই ঋণ পরিশোধ করুক না কেন, বংশ পরম্পরায় কোনো দিনই ঋণ শেষ হতো না। নীলকরদের কাছ থেকে নীলচাষিদের প্রাপ্ত মূল্য উৎপাদন খরচের তুলনায় কম হওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হতো। অবশেষে নীলচাষিরা নীলকরদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। যশোরে এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন নবীন মাধব ও বেণী মাধব। তাছাড়াও হুগলী এবং নদিয়ার নীলচাষিরাও বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
উদ্দীপকে আমরা দেখি যে, কৃষকদের প্রাপ্ত মূল্য উৎপাদন খরচের তুলনায় কম হওয়ায় তামাক চাষিরা কোম্পানির রাহুগ্রাস থেকে বের হতে না পেরে করিম ও জলিলের নেতৃত্বে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। এ বিষয়গুলোর সাথে বাংলার নীল বিদ্রোহের মিল রয়েছে।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনাটি অর্থাৎ নীল বিদ্রোহ কৃষকদের স্বার্থরক্ষার জন্য অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত ছিল বলে আমি মনে করি।
ব্রিটিশ কোম্পানির লোকজন এদেশের কৃষকদের নীলচাষে বাধ্য করত এবং নানা ধরনের নির্যাতন, শোষণ ও অত্যাচার করত। শেষ পর্যন্ত দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া চাষিরা ১৮৫৯ সালে প্রচন্ড ক্ষোভে ফেটে পড়ে। যশোর হুগলী, নদীয়াতে বিদ্রোহের দাবানল জ্বলে ওঠে। কৃষকরা নীলচাষ না করার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেয়। অবশেষে বাংলার সংগ্রামী কৃষকদের জয় হয়।
১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার ইন্ডিগো কমিশন গঠন করে। এ কমিশনের সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে নীলচাষকে কৃষকদের 'ইচ্ছাধীন' বলে ঘোষণা করা হয়। তাছাড়া নীলকর কর্তৃক আরোপিত 'ইন্ডিগো কন্ট্রাক্ট' বাতিল করা হয়। এর ফলে কৃষকরা তাদের স্বাধীনতা ফিরে পায়। তারা তাদের জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন করার সুযোগ পায়। ফলে তারা জমিতে লাভজনক ফসল উৎপাদন করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়।
উদ্দীপকের রূপপুর অঞ্চলের জনগণ তামাক চাষের কারণে কোম্পানির রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত হতে পারে না। এ অবস্থায় তারা আন্দোলন গড়ে তোলে। আর এ আন্দোলনে নীল বিদ্রোহের প্রতিফলন দেখা যায়। বস্তুত ব্রিটিশদের কঠোর শাসনের যাতাকলে পিষ্ঠ হয়ে বাঙালি চাষিদের যখন নাভিশ্বাস বইছে তখন তারা তাদের স্বার্থ রক্ষায় নীল বিদ্রোহ করে। এ বিদ্রোহ ছিল তৎকালীন কৃষকদের স্বার্থরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ও শতভাগ যুক্তিযুক্ত।
তাই বলা যায়, নীল বিদ্রোহের মাধ্যমে বাংলার কৃষকদের স্বার্থরক্ষা হয়েছিল।
'The Spirit of Islam' বইটির লেখক হচ্ছেন সৈয়দ আমির আলি।
'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' গঠনের উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের রাজনৈতিক স্বার্থরক্ষা।
সৈয়দ আমির আলি বিশ্বাস করতেন, মুসলমানদের স্বার্থরক্ষা এবং তাদের দাবি দাওয়ার প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নিজস্ব রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন। এ উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৭ সালে কলকাতায় 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' নামে একটি সমিতি গঠন করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!