বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি।
বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ ১১টি
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি।
বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ আছে।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি ।
- মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি: অ,আ, ই, উ, এ, অ্যা, ও।
- পূর্ণমাত্রা ৬টি : অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ
- অর্ধমাত্র ১টি : ঋ
- মাত্রহীন ৪টি : এ, ঐ, ও, ঔ
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০ টি বর্ণ আছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। স্বরধ্বনি দ্যোতক সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় স্বরবর্ণ।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ মোট ১১টি। এই স্বরবর্ণগুলো হলো:
- অ (অকার)
- আ (আকার)
- ই (ইকার)
- ঈ (ঈকার)
- উ (উকার)
- ঊ (ঊকার)
- ঋ (ঋকার)
- এ (একার)
- ঐ (ঐকার)
- ও (ওকার)
- ঔ (ঔকার)
এই স্বরবর্ণগুলো বাংলা ভাষার শব্দ গঠনে মৌলিক ভূমিকা পালন করে।
বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ আছে।
এগুলো হল:
- অ
- আ
- ই
- ঈ
- উ
- ঊ
- ঋ
- এ
- ऐ
- ও
- ঔ
এই স্বরবর্ণগুলো মিলে বাংলা ভাষার শব্দ গঠিত হয়।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি।
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০ টি বর্ণ আছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। স্বরধ্বনি দ্যোতক সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় স্বরবর্ণ। যথাঃ অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ(১১টি)। অন্যদিকে ব্যঞ্জনধ্বনি দ্যোতক সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় ব্যঞ্জনবর্ণ। যেমন - ক, খ, গ ইত্যাদি । উল্লেখ্য, বাংলা বর্ণমালার ৫০ টি বর্ণের মধ্যে ৩২ টিতে পূর্ণমাত্রা, ৮ টিতে অর্ধমাত্রা ও ১০ টিতে কোনো মাত্রা ব্যবহৃত হয় না।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১ টি।
যে কোনো ভাষায় ব্যবহৃত লিখিত বর্ণসমষ্টিকে সে ভাষার বর্ণমালা বলে। বাংলা ভাষার বর্ণ সম্পর্কিত চিহ্ন বা প্রতীককে বাংলা বর্ণমালা বলে।
বাংলা বর্ণমালা
বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশ (৫০)টি বর্ণ রয়েছে। তার মধ্যে স্বরবর্ণ এগার (১১)টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ঊনচল্লিশটি (৩৯)টি।
১. স্বরবর্ণ : অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ(১১টি)
২. ব্যঞ্জনবর্ণ : ক খ গ ঘ ঙ (৫টি)
চ ছ জ ঝ ঞ (৫টি)
ট ঠ ঢ ঢ ণ (৫টি)
ত থ দ ধ ন (৫টি)
প ফ ব ভ ম (৫টি)
য র ল (৩টি)
শ ষ স হ (৪টি)
ড় ঢ় য় ৎ (৪টি)
মোট ৫০টি
বিশেষ জ্ঞাতব্য : ঐ, ঔ - এ দুটি দ্বিস্বর বা যৌগিক স্বরধ্বনির চিহ্ন। যেমন – . অ + ই = ঐ, অ + উ =ঔ
বর্ণ এর প্রকারভেদঃ
বাক প্রত্যঙ্গজাত প্রত্যেকটি ধ্বনি এককের জন্য প্রত্যেক ভাষায়ই লেখার সময় এক একটি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বাংলায় এ প্রতীক বা চিহ্নকে বলা হয় বর্ণ। ধ্বনি নির্দেশক প্রতীককে বর্ণ বলে বা ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বলা হয় বর্ণ। যেমন: অ, আ, ক, খ।
বর্ণ দুই প্রকার। যথা: ক. স্বরবর্ণ খ. ব্যঞ্জনবর্ণ।
স্বরবর্ণ: স্বরধ্বনি দ্যোতক লিখিত সাংকেতিক চিহ্নকে স্বরবর্ণ বলে।
যেমন: অ, আ, ই, উ ইত্যাদি।
ব্যঞ্জনবর্ণ: ব্যঞ্জন ধ্বনি দ্যোতক চিহ্নকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে।
যেমন: ক, খ, গ, ঘ ইত্যাদি।
| ভাষার মূল উপাদান | ধ্বনি (শব্দও হতে পারে) |
| ভাষার বৃহত্তম একক | বাক্য |
| ভাষার মূল উপকরণ | |
| ভাষার ছাদ বলা হয় | |
| বাক্যের মৌলিক উপাদান | শব্দ |
| বাক্যের মূল উপাদান | |
| বাক্যের মূল উপকরণ | |
| বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক | |
| ধ্বনির উপকরণ | |
| বর্ণের উপকরণ | |
| শব্দের মূল উপাদান | ধ্বনি |
| শব্দের মূল উপকরণ | |
| ভাষার ক্ষুদ্রতম একক | |
| শব্দের ক্ষুদ্রতম একক | |
| ভাষার স্বর বলা হয় | |
| শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ | বর্ণ (ধ্বনিও হতে পারে) |
| শব্দের অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রতম অংশ | রূপ |
| ভাষার অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রতম একক | রূপমূল |
| ধ্বনি নির্দেশক চিহ্ন | বর্ণ |
| ভাষার ইট বলা হয় |
মাত্রার উপর ভিত্তি করে বর্ণ তিন প্রকার। যথা:
বর্ণের নাম | সংখ্যা | স্বরবর্ণ | ব্যঞ্জনবর্ণ |
| মাত্রাহীন বর্ণ | ১০টি | ৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ) | ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ,ঁ) |
| অর্ধমাত্রার বর্ণ | ৮টি | ১টি (ঋ) | ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ) |
| পূর্ণমাত্রার বর্ণ | ৩২টি | ৬টি (অ, আ, ই, ঈ, উ, উ) | ২৬টি |
Related Question
View All৫০টি (১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ)।
বাংলা ভাষার ব্যঞ্জন বর্ণ ৩৯টি ।
'ঐ, ং, ঃ, ঙ' এগুলো বাংলা শব্দের শুরুতে বসে না।
বাংলা ভাষায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে। এর মধ্যে ৩২টি পূর্ণ মাত্রার, ১০টি মাত্রাহীন এবং ৮টি অর্ধমাত্রার।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!