বাবু ও টিটু দুই ভাই। পাঁচ বছর আগে তাদের পিতা মারা যান। পিতার মৃত্যুর পর বড় ভাই সংসার দেখাশোনা করেন। পৈতৃকসূত্রে তাদের দশ বিঘা জমি আছে। এ জমিতে উৎপাদিত ফসল বিক্রির আয়েই সংসার চালানো হয়। বর্তমানে ছোট ভাই টিটু ব্যবসায় করার জন্য তার সম্পত্তির ভাগ চাওয়ায় তাকে ভাগ না দিয়ে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। তখন তার মা আফসোস করে বলেন, “তোদের যদি ইসলামি শিক্ষায় মানুষ করে তুলতে পারতাম তাহলে আজ আমাকে এমন দৃশ্য দেখতে হতো না। 

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর সর্বপ্রথম নারী হযরত হাওয়া (আ) এবং সর্বপ্রথম পুরুষ হযরত আদম (আ)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

স্ত্রী দোষ করলে স্বামীর করণীয় ক্ষমা করে দেওয়া। স্ত্রীর দোষ ত্রুটি হাসি মুখে ক্ষমা করে দেওয়াই স্বামীর কর্তব্য। কেননা দৈনন্দিন জীবনে ছোটখাটো দোষত্রুটি হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। এমতাবস্থায় ঐ দোষত্রুটি না ধরে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত। মহানবি (স) বলেছেন, 'স্ত্রীর কোনো আচরণে অসন্তুষ্ট হলে, অন্য আচরণ বা গুণের কথা স্মরণ করে সন্তুষ্ট হবে।'

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাবুর আচরণ মোটেও ইসলামসম্মত নয়। ইসলামি পরিবারে ভাইয়ের প্রতি ভাইয়ের বা ভাইয়ের প্রতি বোনের কিংবা বোনের প্রতি ভাইয়ের অথবা বোনের প্রতি বোনের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের বিধান দেওয়া হয়েছে। এ দায়িত্ব পালন করা একজন ভাই বা বোনের যেমন কর্তব্য অপরজনের তা হলো অধিকার। 

উদ্দীপকে বাবু তার ভাইয়ের প্রতি এমন আচরণ করে তার ভাইয়ের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। বড় ভাই পরিবারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ভালো মন্দ দেখা শোনা করা, ছোট ভাই-বোনদের আদরযত্ন করা বড় ভাইয়ের দায়িত্ব। পিতার অবর্তমানে তার সম্পত্তি অংশিদারদের মাঝে বুঝিয়ে দেওয়াও অন্যতম দায়িত্ব। ইসলামি সমাজব্যবস্থায় ভাই- বোনের পারস্পরিক দায়-দায়িত্বের মধ্যে আর একটি বড় দায়িত্ব হচ্ছে ভাই-বোনের মধ্যে পিতার রেখে যাওয়া সহায়-সম্পত্তি ইনসাফভিত্তিক বণ্টন করবে এবং যার যা প্রাপ্য তাকে তা বুঝিয়ে দেবে। কেউ কারও সম্পত্তির প্রতি লোভ করবে না। বাবুর উচিত ছিল পিতার সম্পদ যথাযথভাবে তার ছোট ভাই টিটুকে বণ্টন করে দেওয়া কিন্তু সে সেটাও করেনি। বাবু তার ছোট ভাইয়ের সাথে অসদাচারণ করেছে যা সম্পূর্ণ ইসলাম পরিপন্থি। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাবু ও টিটুর মায়ের উক্তিটি যথার্থ ও সঠিক। পরিবার মানব সভ্যতার আদিরূপ। মানব জাতির সৃষ্টিলগ্ন থেকেই পরিবারের অস্তিত্ব বিদ্যমান। আর ইসলাম যেহেতু মানবতার ধর্ম তাই ইসলামের সাথে পরিবারের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। মানুষের জীবনের সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধির সাথে পারিবারিক সাফল্যের সম্পর্ক বিদ্যমান।

ইসলামি শিক্ষার প্রাথমিক চর্চা কেন্দ্র হলো পরিবার। পরিবার থেকে শিশুরা ইসলামের সুমহান শিক্ষা লাভ করে। ইসলাম মানুষকে পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ব ও নির্ভরশীলতা শেখায়। কেননা পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতা ও একে অন্যের ওপর নির্ভরশীলতার এক নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হলো পরিবার। ইসলামি শিক্ষা অর্থাৎ মুসলিম পারিবারিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভাই-বোনের অধিকার ও কর্তব্য। ইসলাম কাউকে ঠকায়নি। সকলকে তার প্রাপ্য অনুযায়ী অধিকার প্রদান করেছে। মুসলিম পরিবারের মধ্যে ভাই-ভাই, বোন-বোনের মিল-মহবত এক স্বর্গীয় ব্যাপার। তারা একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। তাই ইসলামি শিক্ষা পরিবারে বাস্তবায়িত হলে ভাই-ভাইয়ে বা ভাই-বোনের মধ্যে যে কোনো প্রকার দ্বন্দ্ব বা মনোমালিন্য বিদূরিত হবে এবং পারস্পরিক শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় থাকবে।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
138

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইসলামি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও কর্তব্যপরায়ণতা বজায় থাকায় সেখানে সুখ-শান্তি বিরাজ করে। ইসলামের আদর্শ ও মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে ইসলামি পরিবার গড়ে উঠে। এ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা-স্নেহ, মায়া-মমতা ও ভালোবাসা বজায় থাকে। ইসলামি পরিবারে স্বামী-স্ত্রী, পিতামাতা, সন্তান এবং ভাইবোন প্রত্যেকেই নিজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকে। ইসলামি শরিয়তের আলোকে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। এসব কারণে ইসলামি পরিবারে শান্তি বজায় থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
773
উত্তরঃ

ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের আচরণে পিতামাতার প্রতি কর্তব্য পালনের বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে। ইসলামি পরিবারে মাতাপিতার প্রতি সন্তানকে অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। মাতাপিতার জীবদ্দশায় তাদের প্রতি সন্তানের কর্তব্যসমূহ হলো- তাদের সাথে সদাচরণ করা, তাদের অবাধ্য না হওয়া, অসুস্থ হলে তাদের সেবাযত্ন ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা ইত্যাদি। পিতামাতার মৃত্যুর পর সন্তানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য হলো তাদের দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা, ওয়াসিয়ত পূর্ণ করা, ঋণ পরিশোধ করা এবং তাদের জন্য দোয়া ও ইসতিগফার করা ইত্যাদি। ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের আচরণে মাতাপিতার প্রতি এসব কর্তব্যে অবহেলার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

উদ্দীপকের ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষা অর্জন করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পরিবার নিয়ে আলাদা বসবাস করে। তারা ফরহাদ সাহেবের কোনো খোঁজখবর রাখে না। তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সন্তানরা তার কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এমনকি তার মৃত্যুর সংবাদ তাদেরকে জানালে তারা ব্যস্ততার কথা বলে বাবার লাশ 'আনজুমানে মুফিদুল ইসলাম'কে দিয়ে দিতে বলে। তাদের এ ধরনের আচরণে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, তারা তাদের পিতার প্রতি সঠিকভাবে কর্তব্য পালন করেনি। অথচ মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য পালন করতে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং বলা যায়, ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য পালনে অবহেলা করে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
309
উত্তরঃ

ইসলাম শিক্ষার অভাব ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের পিতামাতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলার জন্য দায়ী। পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। যেমন- পিতামাতা, ভাইবোন, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর প্রতি মানুষের বিশেষ কর্তব্য রয়েছে। ইসলাম শিক্ষা একজন ব্যক্তিকে এসব দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন ও নিষ্ঠাবান করে তোলে। এসব কর্তব্য পালনে অবহেলার পরিণতি সম্পর্কেও সতর্ক করে। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় প্রত্যেক ব্যক্তিকে - তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে - হবে। যারা ইসলামের সঠিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয় তারা - নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে উদাসীন থাকে। ইসলাম শিক্ষার অভাবে তারা পিতামাতা, পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্বহীন হয়ে উঠে, যেমনটি ফরহাদ সাহেবের  সন্তানদের ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।

উদ্দীপকের ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পরিবার নিয়ে আলাদা বসবাস করে। তারা তাদের পিতার প্রতি কোনো কর্তব্য পালন করে না। ফরহাদ সাহেব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সন্তানরা তার কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এমনকি তার মৃত্যুর সংবাদ সন্তানদের জানালে তারা ব্যস্ততার কথা বলে বাবার লাশ 'আনজুমানে মুফিদুল ইসলাম'কে দিয়ে দিতে বলে। তাদের এ ধরনের আচরণে পিতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলা বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। আর এর মূল কারণ হলো ইসলাম শিক্ষার অভাব। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ইসলামের সঠিক শিক্ষা একজন ব্যক্তিকে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন করে তোলে। ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা ইসলাম শিক্ষার অভাবে তাদের পিতার প্রতি কর্তব্য পালনে অবহেলা করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
282
উত্তরঃ

ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
530
উত্তরঃ

ইসলামি পরিবারব্যবস্থায় মোহরানার গুরুত্ব অপরিসীম। মোহরানা মুসলিম স্ত্রীর ন্যায়সংগত ও আল্লাহ প্রদত্ত অধিকার। ইসলামি বিবাহরীতিতে স্বামীর প্রথম কর্তব্য হলো স্ত্রীর মোহরানা আদায় করা। স্বামী নিজের সামর্থ্য ও স্ত্রীর যোগ্যতা অনুযায়ী মোহরানা নির্ধারণ করবে এবং খুশি মনে তা পরিশোধ করবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন- 'তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে স্ত্রীদের মোহরানা আদায় করো' (সুরা আন-নিসা: ৪)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
416
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews