পৃথিবীর সর্বপ্রথম নারী হযরত হাওয়া (আ) এবং সর্বপ্রথম পুরুষ হযরত আদম (আ)।
স্ত্রী দোষ করলে স্বামীর করণীয় ক্ষমা করে দেওয়া। স্ত্রীর দোষ ত্রুটি হাসি মুখে ক্ষমা করে দেওয়াই স্বামীর কর্তব্য। কেননা দৈনন্দিন জীবনে ছোটখাটো দোষত্রুটি হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। এমতাবস্থায় ঐ দোষত্রুটি না ধরে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত। মহানবি (স) বলেছেন, 'স্ত্রীর কোনো আচরণে অসন্তুষ্ট হলে, অন্য আচরণ বা গুণের কথা স্মরণ করে সন্তুষ্ট হবে।'
বাবুর আচরণ মোটেও ইসলামসম্মত নয়। ইসলামি পরিবারে ভাইয়ের প্রতি ভাইয়ের বা ভাইয়ের প্রতি বোনের কিংবা বোনের প্রতি ভাইয়ের অথবা বোনের প্রতি বোনের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের বিধান দেওয়া হয়েছে। এ দায়িত্ব পালন করা একজন ভাই বা বোনের যেমন কর্তব্য অপরজনের তা হলো অধিকার।
উদ্দীপকে বাবু তার ভাইয়ের প্রতি এমন আচরণ করে তার ভাইয়ের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। বড় ভাই পরিবারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ভালো মন্দ দেখা শোনা করা, ছোট ভাই-বোনদের আদরযত্ন করা বড় ভাইয়ের দায়িত্ব। পিতার অবর্তমানে তার সম্পত্তি অংশিদারদের মাঝে বুঝিয়ে দেওয়াও অন্যতম দায়িত্ব। ইসলামি সমাজব্যবস্থায় ভাই- বোনের পারস্পরিক দায়-দায়িত্বের মধ্যে আর একটি বড় দায়িত্ব হচ্ছে ভাই-বোনের মধ্যে পিতার রেখে যাওয়া সহায়-সম্পত্তি ইনসাফভিত্তিক বণ্টন করবে এবং যার যা প্রাপ্য তাকে তা বুঝিয়ে দেবে। কেউ কারও সম্পত্তির প্রতি লোভ করবে না। বাবুর উচিত ছিল পিতার সম্পদ যথাযথভাবে তার ছোট ভাই টিটুকে বণ্টন করে দেওয়া কিন্তু সে সেটাও করেনি। বাবু তার ছোট ভাইয়ের সাথে অসদাচারণ করেছে যা সম্পূর্ণ ইসলাম পরিপন্থি।
বাবু ও টিটুর মায়ের উক্তিটি যথার্থ ও সঠিক। পরিবার মানব সভ্যতার আদিরূপ। মানব জাতির সৃষ্টিলগ্ন থেকেই পরিবারের অস্তিত্ব বিদ্যমান। আর ইসলাম যেহেতু মানবতার ধর্ম তাই ইসলামের সাথে পরিবারের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। মানুষের জীবনের সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধির সাথে পারিবারিক সাফল্যের সম্পর্ক বিদ্যমান।
ইসলামি শিক্ষার প্রাথমিক চর্চা কেন্দ্র হলো পরিবার। পরিবার থেকে শিশুরা ইসলামের সুমহান শিক্ষা লাভ করে। ইসলাম মানুষকে পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ব ও নির্ভরশীলতা শেখায়। কেননা পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতা ও একে অন্যের ওপর নির্ভরশীলতার এক নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হলো পরিবার। ইসলামি শিক্ষা অর্থাৎ মুসলিম পারিবারিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভাই-বোনের অধিকার ও কর্তব্য। ইসলাম কাউকে ঠকায়নি। সকলকে তার প্রাপ্য অনুযায়ী অধিকার প্রদান করেছে। মুসলিম পরিবারের মধ্যে ভাই-ভাই, বোন-বোনের মিল-মহবত এক স্বর্গীয় ব্যাপার। তারা একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। তাই ইসলামি শিক্ষা পরিবারে বাস্তবায়িত হলে ভাই-ভাইয়ে বা ভাই-বোনের মধ্যে যে কোনো প্রকার দ্বন্দ্ব বা মনোমালিন্য বিদূরিত হবে এবং পারস্পরিক শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় থাকবে।
Related Question
View Allইসলামি পরিবারের প্রধান পিতা।
সন্তানের জন্য পিতার শ্রেষ্ঠ দান হলো সুন্দর আদব-কায়দা শিক্ষা দেওয়া।
ইসলামি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও কর্তব্যপরায়ণতা বজায় থাকায় সেখানে সুখ-শান্তি বিরাজ করে। ইসলামের আদর্শ ও মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে ইসলামি পরিবার গড়ে উঠে। এ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা-স্নেহ, মায়া-মমতা ও ভালোবাসা বজায় থাকে। ইসলামি পরিবারে স্বামী-স্ত্রী, পিতামাতা, সন্তান এবং ভাইবোন প্রত্যেকেই নিজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকে। ইসলামি শরিয়তের আলোকে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। এসব কারণে ইসলামি পরিবারে শান্তি বজায় থাকে।
স্বামীর প্রতি ইহসান বলতে যথাযথভাবে স্বামীর অধিকার আদায় করাকে বোঝায়। স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি অনুগত থাকবেন এবং তার সাথে সদাচরণ করবেন। স্বামীর অক্ষমতার জন্য স্ত্রী তার অবাধ্য হবেন নাবা তাকে গালমন্দ করবেন না। স্বামীর বিপদে-আপদে ধৈর্যধারণ এবং তাকে সহযোগিতা করবেন। প্রয়োজনে স্বামীর বিপদ কাটানোর জন্য স্ত্রী মোহরানা থেকে অর্থ সাহায্য করবেন। এগুলোই স্বামীর প্রতি স্ত্রীর ইহসান।
ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের আচরণে পিতামাতার প্রতি কর্তব্য পালনের বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে। ইসলামি পরিবারে মাতাপিতার প্রতি সন্তানকে অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। মাতাপিতার জীবদ্দশায় তাদের প্রতি সন্তানের কর্তব্যসমূহ হলো- তাদের সাথে সদাচরণ করা, তাদের অবাধ্য না হওয়া, অসুস্থ হলে তাদের সেবাযত্ন ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা ইত্যাদি। পিতামাতার মৃত্যুর পর সন্তানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য হলো তাদের দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা, ওয়াসিয়ত পূর্ণ করা, ঋণ পরিশোধ করা এবং তাদের জন্য দোয়া ও ইসতিগফার করা ইত্যাদি। ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের আচরণে মাতাপিতার প্রতি এসব কর্তব্যে অবহেলার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
উদ্দীপকের ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষা অর্জন করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পরিবার নিয়ে আলাদা বসবাস করে। তারা ফরহাদ সাহেবের কোনো খোঁজখবর রাখে না। তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সন্তানরা তার কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এমনকি তার মৃত্যুর সংবাদ তাদেরকে জানালে তারা ব্যস্ততার কথা বলে বাবার লাশ 'আনজুমানে মুফিদুল ইসলাম'কে দিয়ে দিতে বলে। তাদের এ ধরনের আচরণে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, তারা তাদের পিতার প্রতি সঠিকভাবে কর্তব্য পালন করেনি। অথচ মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য পালন করতে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং বলা যায়, ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য পালনে অবহেলা করে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করেছে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত তালিকার ১ম ও ৪র্থ দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো মাতাপিতার মৃত্যুর পর তাদের মাগফিরাত কামনা এবং ওয়াদা পূরণ করা। মাতা বা পিতা কিংবা তারা দুজনই যদি ইন্তেকাল করেন তাহলে সন্তানের কর্তব্য হলো তাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। আল্লাহ তায়ালা পিতামাতার জন্য দোয়া করতে মুসলিম সন্তানদের শিখিয়েছেন- 'হে আমাদের প্রতিপালক! হিসাব- নিকাশের দিন আমাকে, আমার মাতাপিতা ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করুন' (সুরা ইবরাহিম: ৪১)। আরেকটি দোয়া হলো- 'হে আমার প্রতিপালক! তাদের প্রতি তেমনই সদয় আচরণ করুন, যেমন তারা শৈশবে আমার প্রতি সদয় আচরণ করেছেন' (সুরা বনি ইসরাইল: ২৪)।
জীবদ্দশায় মাতাপিতা যদি কোনো দান বা ওয়াকফের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন কিংবা কাউকে উত্তরাধিকারী মনোনয়নের অঙ্গীকার করে থাকেন, তাহলে সন্তানের কর্তব্য হবে তাদের সে ওয়াদা পূরণের ব্যবস্থা করা। সুতরাং বলা যায়, পিতামাতার মৃত্যুর পর সন্তানের অন্যতম কর্তব্য হলো তাদের জন্য মাগফিরাত কামনা এবং তাদের ওয়াদা পূরণ করা।
ইসলাম শিক্ষার অভাব ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের পিতামাতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলার জন্য দায়ী। পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। যেমন- পিতামাতা, ভাইবোন, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর প্রতি মানুষের বিশেষ কর্তব্য রয়েছে। ইসলাম শিক্ষা একজন ব্যক্তিকে এসব দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন ও নিষ্ঠাবান করে তোলে। এসব কর্তব্য পালনে অবহেলার পরিণতি সম্পর্কেও সতর্ক করে। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় প্রত্যেক ব্যক্তিকে - তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে - হবে। যারা ইসলামের সঠিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয় তারা - নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে উদাসীন থাকে। ইসলাম শিক্ষার অভাবে তারা পিতামাতা, পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্বহীন হয়ে উঠে, যেমনটি ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকের ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পরিবার নিয়ে আলাদা বসবাস করে। তারা তাদের পিতার প্রতি কোনো কর্তব্য পালন করে না। ফরহাদ সাহেব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সন্তানরা তার কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এমনকি তার মৃত্যুর সংবাদ সন্তানদের জানালে তারা ব্যস্ততার কথা বলে বাবার লাশ 'আনজুমানে মুফিদুল ইসলাম'কে দিয়ে দিতে বলে। তাদের এ ধরনের আচরণে পিতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলা বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। আর এর মূল কারণ হলো ইসলাম শিক্ষার অভাব। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ইসলামের সঠিক শিক্ষা একজন ব্যক্তিকে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন করে তোলে। ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা ইসলাম শিক্ষার অভাবে তাদের পিতার প্রতি কর্তব্য পালনে অবহেলা করেছে।
শিক্ষকের নির্দেশনা অনুযায়ী রাইসা পিতামাতার মৃত্যুর পর তাদের প্রতি সন্তানের কর্তব্যের যে তালিকা প্রস্তুত করেছে সেখানে ১ম ও ৪র্থ কর্তব্য ছাড়া আরও কিছু কর্তব্য স্থান পেয়েছে। পিতামাতার ঋণ পরিশোধ, ওয়াসিয়ত, পূরণ এবং পিতামাতার আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখাও সন্তনের দায়িত্ব। মাতাপিতা যদি এমন কোনো ঋণ করে থাকেন যা তারা শোধ করেননি এবং তারা যে সম্পদ রেখে গেছেন তা থেকে যদি সে ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হয়- তাহলে সন্তানের কর্তব্য হবে মাতাপিতার পক্ষে তাদের সে ঋণ শোধ করে দেওয়া। সন্তানের সামর্থ্য থাকলে নিজের সম্পদ দিয়ে হলেও তাদেরকে দায়মুক্ত করা উচিত। আর মাতাপিতার পরিত্যক্ত সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত সম্পদ দিয়ে তাদের ওয়াসিয়াত পূর্ণ করা সন্তানের দায়িত্ব। এমনকি তাদের ওয়াসিয়াত পূর্ণ না করে মাতাপিতার পরিত্যক্ত সম্পদের মিরাস বণ্টন করা উচিত নয়। মাতাপিতার মৃত্যুর পর সন্তানের আরেকটি কর্তব্য হলো তাদের আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। তাদের খোঁজ-খবর নেওয়া এবং তাদের প্রতি সদাচরণ করা।
সুতরাং বলা যায়, পিতামাতার মৃত্যুর পর তাদের মাগফিরাত কামনা, ঋণ পরিশোধ, ওয়াসিয়াত পূরণ করা, ওয়াদা ইত্যাদি পূর্ণ করা সন্তানের জন্য আবশ্যক।
ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য।
কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা অনুযায়ী যে পরিবার গড়ে ওঠে এবং পরিচালিত হয় তাকে ইসলামি পরিবার বলে।
ইসলামি পরিবারব্যবস্থায় মোহরানার গুরুত্ব অপরিসীম। মোহরানা মুসলিম স্ত্রীর ন্যায়সংগত ও আল্লাহ প্রদত্ত অধিকার। ইসলামি বিবাহরীতিতে স্বামীর প্রথম কর্তব্য হলো স্ত্রীর মোহরানা আদায় করা। স্বামী নিজের সামর্থ্য ও স্ত্রীর যোগ্যতা অনুযায়ী মোহরানা নির্ধারণ করবে এবং খুশি মনে তা পরিশোধ করবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন- 'তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে স্ত্রীদের মোহরানা আদায় করো' (সুরা আন-নিসা: ৪)।
স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার ও মর্যাদার প্রতি গুরুত্বারোপ করে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "তারা তোমাদের ভূষণ এবং তোমরা তাদের ভূষণ" (সুরা আল বাকারা: ১৮৭)। ইসলামি পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর অধিকার ও মর্যাদা সমান। তারা একে অন্যের পরিপূরক। স্বামী ও স্ত্রী পরস্পরকে যথাযথ সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার দেবে। তারা যেন পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে এবং কেউ যেন অন্যকে হেয় প্রতিপন্ন না করে এজন্য আল্লাহ তায়ালা স্বামী-স্ত্রীকে পরস্পরের পোশাক বা ভূষণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!