বারবার ফিরে আসে রক্তাপ্লুত শার্ট

ময়দানে ফিরে আসে, ব্যাপক নিসর্গে ফিরে আসে

ফিরে আসে থমথমে শহরের প্রকাণ্ড চোয়ালে।

হাওয়ায় হাওয়ায় ওড়ে, ঘোরে হাতে হাতে,

মিছিলে পতাকা হয় বারবার রক্তাপ্লুত শার্ট।

বিষম দামাল দিনগুলি ফিরে আসে বারবার,

বারবার কল্লোলিত আমাদের শহর ও গ্রাম।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্‌বুদ স্মৃতিগন্ধে ভরপুর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট' বলতে বাঙালির উপর সর্বক্ষেত্রে পাকিস্তানিদের শোষণের বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।
দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান ও ভারত নামক দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হলেও পশ্চিম পাকিস্তানিরা ক্ষমতা লাভ করে বাঙালির উপর শোষণ-নিপীড়ন, অন্যায়-অত্যাচার চালাতে থাকে। বাঙালির জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের শোষণের কালো থাবা বিস্তার লাভ করে। উল্লিখিত চরণে সেই বিষয়কেই বোঝানো হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রক্তাপ্লুত শার্ট 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ভাষা আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।`
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি বাংলার দামাল ছেলেদের সংগ্রামী চেতনা ধারণ করে আছে। বিশেষ করে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গটিও উঠে এসেছে আমাদের চেতনার রং হিসেবে। ভাষা শহিদদের রক্তকে প্রতীকায়িত করে তোলা হয়েছে থরে থরে সাজানো কৃষ্ণচূড়া ফুলের লাল রঙের মধ্য দিয়ে।-
উদ্দীপকের কবিতাংশে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে দামাল ছেলেদের ভূমিকার দিকটি উঠে এসেছে। ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দাবিতে রাজপথে নেমেছিল এদেশের দামাল ছেলেরা। বাংলার গ্রাম ও শহরে ছড়িয়ে পড়েছিল প্ল্যাকার্ড হাতে সাহসী তরুণেরা। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সেদিনের থমথমে পরিবেশ কল্লোলিত করেছিল এদেশের ছাত্র-জনতা। তাদের সে মিছিলে গুলি চালিয়ে ঢাকার রাজপথ রক্তান্ত করে পাকিস্তানি শাসকরা। রক্তাপ্লুত শার্ট সে কথাই আমাদের বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়। উদ্দীপকের এই রক্তাপ্লুত শার্ট 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত ইতিহাসই নির্দেশ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত সংগ্রামী মানুষের আত্মদান ও আত্মাহুতির বিষয়টি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সমগ্র বিষয় প্রতিফলিত করতে পারেনি।"- মন্তব্যটি যথার্থ বলেই প্রতীয়মান হয়।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি উনসত্তরের গণ আন্দোলনের সংগ্রামী চেতনার কবিতা। এ কবিতায় ভাষা আন্দোলন চেতনা হিসেবে উঠে এসেছে। তবে মূল আলোচ্য বিষয় হলো, ১৯৬৯ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা গণ আন্দোলন।
উদ্দীপকে ভাষাআন্দোলনের ঐতিহাসিক ও সংগ্রামী চেতনার প্রতিবিম্ব ফুটে উঠেছে। সেখানে ভাষার দাবিতে সংগ্রামী মানুষ যে আত্মদান ও আত্মাহুতি দিয়েছে তাই প্রকাশ পেয়েছে। রাজপথে দামাল ছেলেদের নীরবতা ভেঙে উত্তাল আন্দোলনের চিত্রই সেখানে দৃশ্যমান। রক্তাপ্লুত শার্ট ভাষা শহিদদের রক্তাক্ত দেহকেই যেন ইঙ্গিত করে। উদ্দীপকের এই বিষয়টি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সমগ্র বিষয় নয়।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি মূলত ১৯৬৯ সালে পাকিস্তানি শাসকদের জাতিগত শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালির বিদ্রোহী চেতনার দলিলস্বরূপ। সেসময় পাকিস্তানের অন্যায়ের বিরুদ্ধে এদেশের সাধারণ মানুষ ফুঁসে উঠেছিল। প্রত্যন্ত গ্রাম-গঞ্জ, হাট-বাজার, কলকারখানা, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অসংখ্য ছাত্র-জনতা ঢাকার রাজপথে জড়ো হয়েছিল। বিচিত্র শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ চিত্র ফুটে উঠেছে এ কবিতাটিতে। দেশকে ভালোবেসে মানুষের আত্মদান ও আত্মাহুতির বিষয়টি এখানে ফুটে উঠেছে। মানুষের এই চেতনা যে ঐতিহাগত সে বিষয়টি বোঝাতে ভাষা আন্দোলনের চেতনা কবিতায় মূর্ত করা হয়েছে। উদ্দীপকে এই ভাষা আন্দোলনের চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে মাত্র, যা কবিতার সামগ্রিক বিষয় তুলে ধরতে পারেনি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
22

আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে 

কেমন নিবিড় হয়ে । কখনো মিছিলে কখনো-বা

 একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয়-ফুল নয়, 

ওরা শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর । 

একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রংকে

এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রং, 

যে-রং লাগে না ভালো চোখে, যে-রং সন্ত্রাস আনে 

প্রাত্যহিকতায় আমাদের মনে সকাল-সন্ধ্যায়- 

এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট, সারা দেশ 

ঘাতকের অশুভ আস্তানা ।

আমি আর আমার মতোই বহু লোক

রাত্রি-দিন ভূলুণ্ঠিত ঘাতকের আস্তানায়, কেউ মরা, আধমরা কেউ, 

কেউ বা ভীষণ জেদি, দারুণ বিপ্লবে ফেটে পড়া । চতুর্দিকে

মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে তছনছ

বুঝি তাই উনিশশো উনসত্তরেও

আবার সালাম নামে রাজপথে, শূন্যে তোলে ফ্ল্যাগ,

বরকত বুক পাতে ঘাতকের থাবার সম্মুখে।

সালামের চোখ আজ আলোচিত ঢাকা,

সালামের মুখ আজ তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা ।

দেখলাম রাজপথে, দেখলাম আমরা সবাই

জনসাধারণ

দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো মতো *

ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা |

আর বরকত বলে গাঢ় উচ্চারণে

এখনো বীরের রক্তে দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে

ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে

হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায় । সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,

 শিহরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায় । [সংক্ষেপিত]

Related Question

View All
183
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews