ইসলামে কুরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। আরবি কুরবুন (قُرْبٌ) বা কুরবান(قُرْبَان) শব্দটি ফারসিতে কুররানি( قربان)শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে'। ঈদুল আযহার সময় এই ইবাদতটি করতে হয়। কুরবানি শব্দের অর্থ 'উৎসর্গ করা'। অর্থাৎ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্যলাভের জন্য নির্দিষ্ট শ্রেণির পশু তার নামে জবেহ করাকে কুরবানি বলে।
বাস্তব জীবনে কুরবানির ত্যাগের শিক্ষা-
১. মহান আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন: কুরবানি আমাদের আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করতে শেখায়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মহান আল্লাহর ইচ্ছা ও নির্দেশ
অনুযায়ী আমাদের সব কাজ করা উচিত।
২.আত্মার পরিশুদ্ধি: কুরবানির মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ করতে শিখি। এতে করে আমাদের আত্মা পরিশুদ্ধ হয়। লোভ ও অহংকার দূর হয়।
ইসলাম
৩. ত্যাগের মানসিকতা: কুরবানির মাধ্যমে আমরা শিখি কীভাবে নিজের প্রিয় বস্তু মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগ করা যায়। এই মানসিকতা আমাদেরকে স্বার্থপরতার পরিবর্তে বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করতে শেখায়।
৪. সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ: কুরবানির গোশত গরিব ও দুস্থদের মধ্যে বণ্টন করতে হয়। এর মাধ্যমে সমাজের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। এটি আমাদের মধ্যে উদারতা ও সহানুভূতির অনুভূতি জাগ্রত করে।
Related Question
View Allএক ও অদ্বিতীয়া আল্লাহর আদেশেই সৃষ্টিজগৎ সৃশৃঙ্খলভাবে চলে।
সালাতের ফয়জ কাজগুলোকে আহকাম ও আরকান বলে।
জাকাতের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
সাওম পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো তাকওয়া অর্জন করা।
কণ্ঠনালির মধ্যভাগ থেকে আইন (ء) উচ্চারণ করতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!