বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর গুলো উত্তর

Updated: 3 weeks ago
উত্তরঃ

মহান আল্লাহর সৃষ্টিজগতের সবকিছু একই নিয়মে চলে। নিচে একই নিয়মে চলে এমন সৃষ্টি সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো-
১. সূর্য: প্রতিদিন পূর্বদিকে সূর্য ওঠে এবং পশ্চিম দিকে অস্ত যায়।
২.দিন ও রাত: নিয়মিতভাবে একটির পর একটি আসে। যেমন- দিনের পর রাত এবং রাতের পরে আবার দিন আসে।
৩. ঋতু: বাতুর ক্ষেত্রে গ্রীষ্মের পরে আসে বর্ষা, তারপর আসে শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত।

৪. চাঁদ: নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিচালিত হচ্ছে।
৫. তারকারাজি : রাতের আকাশে দেখা যায় তারকারাজি যা অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

একত্ববাদ মানে হলো- মহান আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়।
মহান আল্লাহ নিজ সত্তা, গুণাবলি ও কর্মে এক ও অদ্বিতীয়- এই বিশ্বাসকে তাওহিদ বলে। তাওহিদ (تزجين) আরবি শব্দ। এর অর্থ একত্ববাদ। তাওহিদ ইমানের মূলভিত্তি। এর তাৎপর্য হলো এরূপ বিশ্বাস করা যে. মহান আল্লাহই একমাত্র উপাস্য। এই বিশ্ব পরিচালনার ক্ষেত্রে তাব কোনো অংশীদার বা সমকক্ষ কেউ নেই। অন্য কেউ তার মর্যাদায় আসীন হতে পারে না। তিনি সবক্ষেত্রে পূর্ণতার অধিকারী। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে সূরা ইখলাসে তার একত্ববাদের পরিচয়সমূহ বর্ণনা করে বলেন- "(হে নবি) আপনি বলুন! তিনিই আল্লাহ এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাকেও জন্ম দেওয়া হয়নি। আর তার কোনো সমকক্ষও নেই।" (সূরা আল-
ইখলাছ, আয়াত: ১-৪)এ বিশ্বজগতের সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা ও নিয়ন্ত্রক মহান আল্লাহ। মহাজগতের নিয়ম শৃঙ্খলা তারই দান। এ সবকিছুতে যদি একের বেশি নিয়ন্ত্রণ থাকত, তবে নানারকম বিশৃঙ্খলা দেখা দিত। মহান আল্লাহ বলেন, "যদি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে আল্লাহ ব্যতীত বহু ইলাহ (উপাস্য) থাকত তবে উভয়ে (আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী) ধ্বংস হয়ে যেত।" (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ২২)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

সাওম (اَلضَّوْمُ)শব্দের অর্থ 'বিরত থাকা'। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও রোজা ভঙ্গ হয় এমন সকল কাজ থেকে বিরত থাকাই সাওম বা রোজা।
পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালন করা ফরজ। সাওম পালনের মাধ্যমে মানুষ তাকওয়া অর্জন করে। সাওম পালনের মাধ্যমে পাপাচার ও লোভ-লালসা থেকে সহজে বিরত থাকা যায়। সাওম আত্মসংযমও আত্মশুদ্ধির উৎকৃষ্ট উপায়। সাওম পালনকালে মুমিন ব্যক্তি কুপ্রবৃত্তি, কামনা-বাসনা ও লোভ-লালসা থেকে নিজেকে বিরত রাখে। সাওম পালনের সময় মিথ্যা, প্রতারণা, হিংসা-বিদ্বেষ, পরনিন্দা, পরচর্চা, ধূমপান ইত্যাদি ত্যাগ করতে হয়। সাওম পালনের মাধ্যমে মানুষ পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে ওঠে। পানাহার ত্যাগের মাধ্যমে ধনীরা দরিদ্রদের অনাহারে-অর্ধাহারে জীবনযাপনের কষ্ট বুঝতে পারে। তাই ইসলামে সাওম অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ইবাদত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে জাকাত অন্যতম। জাকাত আদায় করা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এর মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জিত হয়। আত্মার পরিশুদ্ধি লাভ হয়। সমাজে সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত হয়। দারিদ্র্য বিমোচন হয়। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হয়। জাকাত শব্দের অর্থ বৃদ্ধি পাওয়া। নিসাব পরিমাণ ধনসম্পদ পূর্ণ এক বছর কোনো মুসলমানের মালিকানায় থাকলে জাকাত আদায় করতে হয়। মহান আল্লাহ জাকাতদাতার আত্মা এবং তার ধনসম্পদ উভয়কেই শুদ্ধ ও পবিত্র করে দেন।

জাকাতের মাধ্যমে দরিদ্র ও অভাবী মানুষদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে ধনী ও দরিদ্রদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায়। দরিদ্ররা তাদের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয় বলে সমাজে চুরি-ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ কমে যায়। ফলে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। তাই জাকাত মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

হজ (الحجه) শব্দের আভিধানিক অর্থ সংকল্প করা ও ইচ্ছা করা। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে জিলহজ মাসের নির্ধারিত দিনসমূহে নির্ধারিত পদ্ধতিতে বাইতুল্লাহ (আল্লাহর ঘর) ও সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহ জিয়ারত করাকে হজ বলে।
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি হলো হজ। হজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। প্রত্যেক সুস্থ, প্রাপ্তবয়স্ক, বুদ্ধিমান ও সামর্থ্যবান মুসলিম নর-নারীর ওপর জীবনে একবার হজ করা ফরজ। হজের ফরজ কাজ ৩টি। আর হজের ওয়াজিব কাজ ৬টি।
হজের ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্ব অনেক। হজ পালনের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জিত হয়। হজ আদায়কারী নবজাতক শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে যায়। হজ বিশ্ব মুসলিমের মহাসম্মেলন। প্রতিবছর বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ মুসলমান হজ পালনের জন্য সমবেত হন। হজ ধনী-গরির, বর্ণ-গোত্র ও জাতীয়তার সব ভেদাভেদ ভুলিয়ে মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হতে শেখায়। হজে রাজা-প্রজা, মালিক-ভৃত্য সকলে একই উদ্দেশ্যে মহান প্রভুর দরবারে উপস্থিত হয়। ফলে হজ তাঁদের মধ্যে সাম্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও শৃঙ্খলাবোধের শিক্ষা দেয়। তাই আমরা হজ থেকে শিক্ষালাভ করে বিশ্বজনীন ভ্রাতৃত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হব।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ইসলামে কুরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। আরবি কুরবুন (قُرْبٌ) বা কুরবান(قُرْبَان) শব্দটি ফারসিতে কুররানি( قربان)শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে'। ঈদুল আযহার সময় এই ইবাদতটি করতে হয়। কুরবানি শব্দের অর্থ 'উৎসর্গ করা'। অর্থাৎ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্যলাভের জন্য নির্দিষ্ট শ্রেণির পশু তার নামে জবেহ করাকে কুরবানি বলে।

বাস্তব জীবনে কুরবানির ত্যাগের শিক্ষা-

১. মহান আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন: কুরবানি আমাদের আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করতে শেখায়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মহান আল্লাহর ইচ্ছা ও নির্দেশ
অনুযায়ী আমাদের সব কাজ করা উচিত।
২.আত্মার পরিশুদ্ধি: কুরবানির মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ করতে শিখি। এতে করে আমাদের আত্মা পরিশুদ্ধ হয়। লোভ ও অহংকার দূর হয়।
ইসলাম
৩. ত্যাগের মানসিকতা: কুরবানির মাধ্যমে আমরা শিখি কীভাবে নিজের প্রিয় বস্তু মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগ করা যায়। এই মানসিকতা আমাদেরকে স্বার্থপরতার পরিবর্তে বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করতে শেখায়।
৪. সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ: কুরবানির গোশত গরিব ও দুস্থদের মধ্যে বণ্টন করতে হয়। এর মাধ্যমে সমাজের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। এটি আমাদের মধ্যে উদারতা ও সহানুভূতির অনুভূতি জাগ্রত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

গুন্নাহ তিন প্রকার। যথা- ১. ওয়াজিব গুন্নাহ, ২. মিম সাকিন গুন্নাহ ও ৩. নুন সাকিন গুন্নাহ বা তানবিন গুন্নাহ।
১. ওয়াজিব গুন্নাহ: ওয়াজিব গুন্নাহ হলো নুন বা মিমের উপর তাশদিদ থাকলে গুন্নাহ করে পড়া। যেমন- أن هُم

২. মিম সাকিন গুন্নাহ: মিম সাকিন গুন্নাহ হলো মিম সাকিনের পরে ب (বা) থাকলে অথবা م (মিম) থাকলে গুন্নাহ করে পড়া। যেমন- যেমন- رَبَّهُمْ  (রাব্বাহুম্ বিহিম্)

৩. নুন সাকিন গুন্নাহ বা তানবিন গুন্নাহ: নুন সাকিন বা তানবিনের পর যখন ইখফার ১৫টি হরফ আসে, তখন গুন্নাহ করে পড়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ইসলামের কুরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কুরবানি
শব্দের অর্থ উৎসর্গ করা। অর্থাৎ মহান আল্লাহর সন্তুষ্ট ও নৈকট্য লাভের জন্য নির্দিষ্ট শ্রেণির পশু তার নামে জবেহ করাকে কুরবানি বলে। কুরবানি ত্যাগের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমার করণীয় হলো-আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করা, তাঁর আদেশ মেনে চলা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করা। দরিদ্র ও অভাবীদের "সাহায্য করা, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের সাথে কুরবানির আনন্দ ভাগাভাগি করা আমার কর্তব্য। এছাড়া কুরবানি ত্যাগের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সর্বদা উদারতা ও সহানুভূতি মানসিকতা নিয়ে জীবনযাপন করাও আমার কর্তব্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

মহান আল্লাহ একাই এই বিশাল বিশ্বজগৎ পরিচালনা করেন। আমাদের পৃথিবী এই বিশাল বিশ্বজগতের সামান্য অংশমাত্র। বড়ো বড়ো গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, নীহারিকা, গ্যালাক্সি এ বিশ্বজগতে বিরাজমান। এগুলোর প্রত্যেকটিই সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এই শৃঙ্খলার পেছনেও আছেন মহান আল্লাহ। তিনি একাই নিয়ন্ত্রণ করেন এই বিশ্বজগৎ। ফলে এখানে কোনো বিশৃঙ্খলা নেই এভাবেই সবকিছু সুশৃঙ্খলভারে পরিচালিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

তাওহিদ অর্থ একত্ববাদ। মুহান আল্লাহ নিজ সত্তা, গুণাবলি ও কর্মে এক ও অদ্বিতীয় এই বিশ্বাসকে তাওহিদ বলে। তাওহিদ ইমানের মূলভিত্তি। এর তাৎপর্য হলো এরূপ বিশ্বাস করা যে, মহান আল্লাহই একমাত্র উপাস্য। এই বিশ্ব পরিচালনার ক্ষেত্রে তার কোনো অংশীদার বা সমকক্ষ নেই। অন্য কেউ তার মর্যাদায় আসীন হতে পারে না। তিনি সব ক্ষেত্রে পূর্ণতার অধিকারী। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে সূরা ইখলাসে তার একত্ববাদের বিষয়টি বর্ণনা করে বলেন- (হে নবি) আপনি বলুন! তিনিই আল্লাহ এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাকেও জন্ম দেওয়া হয়নি। আর তার কোনো সমকক্ষও নেই। (সূরা আল-ইখলাছ, আয়াত: ১-৪)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

এই বিশ্বজগতের নিয়ন্ত্রক হলেন মহান আল্লাহ তায়ালা।
তাওহিদ বা মহান আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস আমাদেরকে এক আল্লাহর সৃষ্টি হিসেবে এক হতে শেখায়; মিলেমিশে বসবাস করতে প্রেরণা জোগায়। এক আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন। একমাত্র তিনিই আমাদের প্রভু। আমরা সবাই একমাত্র তারই উপাসনা করি। এ ধরনের চেতনা আমাদের মধ্যে এক হওয়ার প্রেরণা নিয়ে আসে। ফলে আমরা এক জাতি হিসেবে বসবাস করতে উদ্বুদ্ধ হই। সুতরাং আমরা আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন করব। এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একে অন্যের সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

শিরক শিরক (اَلشِّرْك) আরবি শব্দ। এর অর্থ অংশীদার করা, একাধিক স্রষ্টা বা উপাস্যে বিশ্বাস করা। মহান আল্লাহর সঙ্গে তার ইবাদতে কাউকে শরিক করা বা তার গুণাবলিতে কাউকে অংশীদার করা হলো শিরক। যে কোনো দিক থেকে কাউকে তার সমতুল্য মনে করাকে শিরক বলে।

শিরকের প্রকারভেদ: শিরক দুই প্রকার। যথা-
১. বড়ো শিরক ও
২. ছোটো শিরক

১. বড়ো শিরক: বড়ো শিরক হলো প্রকাশ্যে ও স্পষ্টভাবে মহান আল্লাহর সঙ্গে অন্য কারো উপাসনা করা। যেমন- মূর্তিপূজা, মৃত ব‍্যক্তির কাছে কিছু চাওয়া, ভাগ্য গণনা করা ইত্যাদি।
২. ছোটো শিরক: ছোটো শিরক হলো সূক্ষ্মভাবে মহান আল্লাহর
সঙ্গে অন্য কাউকে অংশীদার করা। যেমন- রিয়া করা বা লোক দেখানো ইবাদত করা, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করা ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

শিরক অত্যন্ত ঘৃণ্য অপরাধ। মানবজাতিকে শিরক থেকে রক্ষা করার জন্য মহান আল্লাহ যুগে যুগে অসংখ্য নবি ও রাসুল প্রেরণ করেছেন। পূর্ববর্তী সকল নবি ও রাসুল শিরক পরিহার করার জন্য তাঁদের উম্মতদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। মহানবি হজরত মুহাম্মদ (স.) নিজেও শিরক পরিহার করার জন্য আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তোমরা সাতটি ধ্বংসকারী বস্তু থেকে বেঁচে থাক। এর মধ্যে প্রথমটি হলো আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা। (সহিহ বুখারি) মহানবি (স.) আমাদের শিরক থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে বলেছেন এবং দু'আ পড়তে বলেছেন। শিরক পরিহার করে একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করার শিক্ষা দিয়েছেন সকল নবি ও রাসূল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ওয়াজিব )واجب( আরবি শব্দ। এর অর্থ অপরিহার্য কাজ।
সালাতের ওয়াজিব ১৪টি। সালাতের ৬টি ওয়াজিব। যথা-
১.০ প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা।
২. সূরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য সূরা অথবা ন্যূনতম ছোটো তিন আয়াত বা বড়ো এক আয়াত তিলাওয়াত করা।
৩. ফরজ ও ওয়াজিবসমূহের মধ্যে ধারাবাহিকতা (তারতিব) রক্ষা করা।
৪. রুকুর পর সোজা হয়ে দাঁড়ানো।
৫. দুই সিজদার মাঝে সোজা হয়ে বসা।
৬. তিন বা চার রাকাতবিশিষ্ট সালাতে দ্বিতীয় রাকাতের পর তাশাহহুদ পাঠ করার জন্য বসা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

তাশাহহুদ আরবি শব্দ। এর অর্থ- সাক্ষ্য। এটি আত্তাহিয়‍্যাতু নামে পরিচিত, যার অর্থ শুভেচ্ছা বা অভিবাদন। একজন সালাত আদায়কারী যখন দ্বিতীয় ও শেষ রাকাতে বৈঠকে বসেন তখন তাশাহহুদ পাঠ করে থাকেন।
তাশাহহুদ-এর অর্থ:
সকল অভিবাদন, ইবাদত ও পবিত্রতার আল্লাহর জন্য।
হে নবি! আপনার প্রতি শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।
আমাদের ও আল্লাহর পুণ্যবান বান্দাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।
'আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।
আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (স.) তার বান্দা ও রাসুল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

সাওম: ইসলামের পাঁচটি রোকন বা স্তম্ভের মধ্যে একটি
সাওম। সাওম (الصَّرْمُ) শব্দের অর্থ 'বিরত থাকা'। সাওমকে ফারসিতে রোজা বলা হয়। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও রোজা ভঙ্গ হয় এমন সকল কাজ থেকে বিরত থাকাই সাওম বা রোজা।

সাওম ভঙ্গের কারণ: বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে রোজা ভেঙে যায়।
রোজা পালনরত অবস্থায় যে সকল কাজ করলে রোজা ভেঙে যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো-
১.. ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করলে।
২. ভুলবশত কোনো কিছু খেয়ে রোজা ভেঙ্গে গেছে ভেবে ইচ্ছে করে আরও কিছু খেয়ে ফেললে।
৩. দাঁতের ফাঁক থেকে ছোলা পরিমাণ কোনো কিছু বের করে খেয়ে ফেললে।
৪. ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে।
৫. ইচ্ছাকৃতভাবে ওষুধ সেবন করলে।
৬. ইফতারের সময় হয়েছে মনে করে সূর্যাস্তের আগেই ইফতার করে ফেললে ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

জাকাত আরবি শব্দ। এর অর্থ বৃদ্ধি, শুদ্ধিকরণ, পবিত্রকরণ। নিসাব পরিমাণ ধনসম্পদ পূর্ণ এক বছর কোনো মুসলমানের মালিকানায় থাকলে জাকাত আদায় করতে হয়। জাকাত আদায় করা প্রত্যেক ধনী মুসলমানের ওপর ফরজ। এর জন্য নিসাব পরিমাণ ধনসম্পদ তার কাছে থাকতে হবে। নিসাব আরবি শব্দ। এর দ্বারা এমন ন্যূনতম পরিমাণ সম্পদ বোঝায় যা থাকলে একজন মুসলমানের ওপর জাকাত ফরজ হয়।
জাকাতের নিসাবের পরিমাণ হলো- বিভিন্ন প্রকার সম্পদে
জাকাতের বিভিন্ন নিসাব রয়েছে। স্বর্ণের ক্ষেত্রে জাকাতের নিসাব হল্যে 'সাড়ে সাত তোলা'। রূপার ক্ষেত্রে নিসাব হলো 'সাড়ে বাহান্ন তোলা'। এই পরিমাণ সোনা-রূপা থাকলে জাকাত আদায় করতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিঞ্জ টাকা-পয়সা বা বাণিজ্য দ্রব্যের মূল্য যদি ৭.৫ তোলা স্বর্ণ বা ৫২.৫ তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়, তাহলে জাকাত দিতে হবে।
নিসাব পরিমাণ সম্পদের ৪০ ভাগের ১ ভাগ জাকাত দিতে হয়।
অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকার জাকাত হয় ২.৫ টাকা। উৎপাদিত ফসল, অন্যান্য দ্রব্যাদি, পশু ইত্যাদির জাকাতও নির্ধারিত হারে প্রদান করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

মাসারিফ আরবি শব্দ। এর অর্থ ব্যয় করার খাত।
জাকাতের মাসারিফ বা খাতগুলো হলো-
১. ফকির ব্যক্তি;
২. মিসকিন ব্যক্তি;
৩. জাকাত সংগ্রহ, বিতরণ ও ব‍্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি;
৪. ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য বা ইমানের ওপর দৃঢ় রাখার জন্য নওমুসলিম ব্যক্তি:
৫. ক্রয়কৃত গোলাম বা দাস মুক্তির জন্য;
৬. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি;
৭. আল্লাহর পথে নিয়োজিত ব্যক্তি;
৮. মুসাফির ব্যক্তি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

জাকাত আদায়ের সুফল:
জাকাত আদায়ের নানা সুফল রয়েছে। জাকাত আদায়কারী ও গ্রহীতার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে জাকাতের প্রভাব রয়েছে। জাকাত প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ সুফলগুলো হলো-
১. জাকাত সম্পদ পরিশুদ্ধ করে:
২. জাকাত দারিদ্র্য বিমোচন করে;

৩. জাকাত উৎপাদন বৃদ্ধি করে;
৪. জাকাত অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে;
৫. জাকাত সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে ইত্যাদি।
৬. ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

হজের ওয়াজিব কাজ ৬টি। যথা-
১. মুযদালিফা নামক স্থানে অবস্থান করা (আরাফাত ময়দান থেকে মিনায় ফেরার পথে মুযদালিফা নামক স্থানে কিছু সময় অবস্থান করা)।

২. ১০, ১১ ও ১২ জিলহজ জামারায় পর্যায়ক্রমে তিনটি নির্ধারিত স্থানে শয়তানের উদ্দেশে কংকর নিক্ষেপ করা।
৩. কুরবানির পর মাথা কামানো বা চুল কেটে ছোটো করা।
৪. সাফা ও মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সা'ঈ করা (দৌড়ানো)।
৫. বিদায়ী তাওয়াফ করা (এটি মক্কার বাইরের লোকদের জন্য ওয়াজিব)।
৬. কুরবানি করা (উমরাসহ হজের ক্ষেত্রে)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

তাজবিদের প্রয়োজনীয়তা: তাজবিদের নিয়ম অনুযায়ী
কুরআন পড়া আবশ্যক। পবিত্র কুরআনকে ধীরে ধীরে ও সুস্পষ্টভাবে তিলাওয়াত করার জন্য মহান আল্লাহ আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি পবিত্র কুরআনে বলেন, 'কুরআন তিলাওয়াত করুন ধীরে ধীরে ও সুস্পষ্টভাবে।' (সূরা আল-মুয্যাম্মিল, আয়াত: ৪) মহানবি (স.) সুরেলা কণ্ঠে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করার জন্য নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, "তোমরা কুরআনকে তোমাদের সুর দিয়ে সৌন্দর্যমণ্ডিত করো।" (সুনানে ইবনে মাজাহ)
তাজবিদ অনুসারে কুরআন তিলাওয়াত না করলে কুরআনের অর্থ পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সুতরাং আমরা তাজবিদের নিয়মাবলি অনুসারে সঠিকভাবে ও সুরেলা কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াতের জন্য সচেষ্ট হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ইদগাম (إدغام) আরবি  শব্দ। এর অর্থ 'মিলিয়ে পড়া'। নুন সাকিন বা তানবিনের পর ইদগামের ছয়টি হরফ ( ي-ر-ل-مو-ن) থেকে কোনো একটি হরফ থাকলে নুন সাকিন বা তানবিনের সঙ্গে ঐ হরফকে সন্ধি করে মিলিয়ে পড়াকে ইদগাম বলা হয়।
ইদগামের প্রকারভেদ: ইদগাম দুই প্রকার। যেমন-

ইদগামের প্রকারভেদ: ইদগাম দুই প্রকার। যেমন-
১.ইদগামে বা-গুন্নাহ (গুন্নাহসহ)
২.ইদগায়ে বেলা-গুন্নাহ (গুন্নাহ ছাড়া)
১. ইদগামে বা-গুন্নাহ: ইদগামে বা-গুন্নাহ হলো গুন্নাহসহ মিলিয়ে পড়া। নুন সাকিন অথবা তানবিনের পরে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ইদগাম (إدغام) আরবি শব্দ। এর অর্থ 'মিলিয়ে পড়া'। নুন সাকিন বা তানবিনের পর ইদগামের ছয়টি হরফ ( ي-ر-ل-مو-ن) থেকে কোনো একটি হরফ থাকলে নুন সাকিন বা তানবিনের সঙ্গে ঐ হরফকে সন্ধি করে মিলিয়ে পড়াকে ইদগাম বলা হয়।
ইদগামের প্রকারভেদ: ইদগাম দুই প্রকার। যেমন-

ইদগামের প্রকারভেদ: ইদগাম দুই প্রকার। যেমন-
১.ইদগামে বা-গুন্নাহ (গুন্নাহসহ)
২.ইদগায়ে বেলা-গুন্নাহ (গুন্নাহ ছাড়া)
১. ইদগামে বা-গুন্নাহ: ইদগামে বা-গুন্নাহ হলো গুন্নাহসহ মিলিয়ে পড়া। নুন সাকিন অথবা তানবিনের পরে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

সূরা আল-কাওসার হলো পবিত্র আল-কুরআনের ১০৮তম এবং সবচেয়ে ছোট সূরা। মাত্র ৩টি আয়াত, ১টি রুকু এবং ১০টি শব্দ নিয়ে গঠিত এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের এক অত্যন্ত কঠিন ও দুঃখময় মুহূর্তে তাঁকে সান্ত্বনা দিতে আল্লাহ তাআলা এই সূরাটি নাজিল করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
46

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews