যিনি দান করেন তাকে দাতা বলে।
দান নিঃস্বার্থ ও শর্তহীন হতে হয়। অর্থাৎ দান বলতে সাধারণত শর্তহীনভাবে অন্য কিছু দেওয়াকে বোঝায়। যদি কিছু পাওয়ার আশায় দেওয়া হয় তাবে সেটিকে দান বলা যায় না। তাই নিঃস্বার্থভাবে দান দেওয়া উচিত। তাহলে একটি মহৎ কর্ম ও মহাফল অর্জিত হবে।
বিজলী বড়ুয়া দানীয় বস্তুর ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় বিবেচনা করে দান করেছেন। নিচে তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করা হলো-
বস্তু সম্পত্তি : সৎ উপায়ে অর্জিত সম্পত্তি দান করা উচিত। এতে বেশি ফল ভোগ করা যায়।
চিত্ত সম্পত্তি: লোড, ঈর্ষা, হিংসা, মোহ ও সংকীর্তনমুক্ত হয়ে দান করার ইচ্ছাই চিত্ত সম্পত্তি। দান করার সময় মৈত্রীপূর্ণ কুশল চেতনা নিয়ে দান করতে হয়। এরূপ দান উত্তম।
প্রতিগ্রাহক সম্পত্তি: দান করার সময় দানের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচিত করা উচিত। শীলবান হলেন দান গ্রহণের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি।
উপরিউক্ত তিনটি বিষয় বিজলী বড়ুয়ার দানীয় বস্তুর ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়।
বিজলী বড়ুয়ার দান মহাফলদায়ক। নিচের উত্তরের সপক্ষে, পাঠ্যবইয়ের আলোকে যুক্তি প্রদান করা হলো-
বিজলী বড়ুয়া দানের ক্ষেত্রে বস্তু সম্পত্তি, চিত্ত সম্পত্তি ও প্রতিগ্রাহক সম্পত্তি বিবেচনা করে। তিনি শ্রদ্ধাযুক্ত হয়ে দান করেন। এছাড়াও তিনি শীলবান ও উত্তম ব্যক্তিকে দান করেন। উর্বর ভূমিতে চারা রোপণ করলে যেমন উত্তম ফসল পাওয়া যায়, তেমনি শীলবান ও উত্তম ব্যক্তিকে দান করলে মহাফল অর্জিত হয়। তাই বলা যায়, রিজলী বড়ুয়ার দানটি মহাফলদায়ক।
Related Question
View Allযিনি দান করেন তাঁকে দাতা বলা হয়। অর্থাৎ দাতা বলতে যিনি শর্তহীন ও নিঃস্বার্থভাবে দান করেন তাকেই বোঝায়।
অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, ওষুধ, টাকা ইত্যাদি নিজ প্রয়োজনীয় সম্পদ থেকে শুরু করে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, কিডনি, রক্ত এমনকি চোখও দান করা হয়।
যে দাতা নিজে যা খান তার চেয়ে খারাপ খাবার দান করেন, তাকে দানদাস বলা হয়।
যা দেওয়া হয় তা-ই দান। তবে তা নিঃস্বার্থ হতে হয়। অর্থাৎ শর্তহীনভাবে কাউকে কোনো কিছু দেওয়াকে বলা হয় দান। মানুষ যেসব ভালো কাজ করে তার মধ্যে দান অন্যতম। যেমন- ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে খাদ্য কিংবা শীতার্ত ব্যক্তিকে বস্ত্র দান করা, যেগুলো নিঃস্বার্থভাবে দান করা হয়ে থাকে।
দান করার সময় মৈত্রীপূর্ণ কুশল চেতনা নিয়ে দান করতে হয়। বুদ্ধ বলেছেন, চেতনা থেকে উৎপন্ন সৎ কাজই উত্তম কর্ম। লোভ, হিংসা, ঈর্ষা, মোহ ও সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে দান করার ইচ্ছাই হচ্ছে চিত্ত সম্পত্তি। আর এরূপ দানই হচ্ছে উত্তম দান।
শীলবান গ্রহীতাকে প্রতিগ্রাহক সম্পত্তি বলা হয়। শীলবান দান গ্রহীতা হচ্ছেন দান গ্রহণের উপযুক্ত পাত্র। অর্থাৎ দান করার সময় দানের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচিত করা উচিত। নৈতিক চারিত্রিক গুণসম্পন্ন শীলবান ব্যক্তিকে দান করলে তা উত্তম দান হিসেবে বিবেচিত হয়। আর শীল পালন দানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
