বিজয়া একটি বইয়ে ভারতবর্ষের একজন বিখ্যাত সম্রাট সম্পর্কে পড়েছে। সে জানতে পেরেছে উক্ত-সম্রাটের রাজ্যসীমা পশ্চিম দিকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান, পূর্বদিকে বাংলাদেশ ও আসাম এবং উত্তর-দক্ষিণে কেরালা অন্ধপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তিনি কলিঙ্গ রাজ্যও জয় করেছিলেন। তাঁর রাজধানী ছিল মগধ। কলিঙ্গ যুদ্ধের বিভীষিকা দেখে তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন এবং বৌদ্ধধর্ম প্রচারে অপরিসীম অবদান রাখেন। শান্তিকর্মী ও ধার্মিক রাজা হিসেবে তাঁরা সুখ্যাতি ছিল।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মৌর্যবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন চন্দ্রগুপ্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

কলিঙ্গ ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যে অবস্থিত। কথিত আছে, কলিঙ্গ যুদ্ধে দেড় লাখ লোককে বন্দী করা হয়েছিল। এক লাখ লোককে হত্যা করা হয়েছিল এবং অসংখ্য আহত হয়েছিল। এ যুদ্ধে বহু নিরপরাধ নারী ও শিশু মারা যায়। এ কারণে কলিঙ্গ যুদ্ধকে বিভীষিকাময় যুদ্ধ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

আমি মনে করি, উদ্দীপকের বিজয়া সম্রাট অশোক সম্পর্কে পড়েছে।

অশোক ভারতবর্ষের বিখ্যাত সম্রাট ছিলেন, ভারতবর্ষ এবং বহির্বিশ্বে তাঁর অপরিসীম প্রভাব ছিল। তাঁর রাজ্যসীমা পশ্চিম দিকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান পর্যন্ত, পূর্ব দিকে বাংলাদেশ ও আসাম এবং উত্তর-দক্ষিণ দিকে কেরালা ও অন্ধপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তিনি কলিঙ্গ রাজ্যও জয় করেন। তাঁর রাজধানী ছিল মগধ। যা বর্তমানে ভারতের বিহারে অবস্থিত। কলিঙ্গ যুদ্ধের বিভীষিকা দেখে তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন এবং বৌদ্ধধর্মের প্রচার-প্রসারে তিনি অপরিসীম অবদান রাখেন। অহিংসা, ভালোবাসা, সত্য, ন্যায় ও সহিষ্ণুতা ছিল তাঁর আদর্শ। শান্তিকামী এবং ধার্মিক রাজা হিসেবে তাঁর খুবই সুখ্যাতি ছিল, ধর্ম ও ন্যায়ের সঙ্গে তিনি রাজ্য শাসন করতেন। জনহিতৈষী শাসনব্যবস্থার জন্য তিনি বিশ্বের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নরপতি হিসেবে অমর হয়ে আছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

শান্তিকামী ও ধার্মিক রাজা হিসেবে তাঁর সুখ্যাতি ছিল। উদ্দীপকের এ উক্তিটি সম্রাট অশোকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

সম্রাট অশোক প্রথমদিকে বদমেজাজী এবং দুষ্ট প্রকৃতির ছিলেন, তিনি প্রজাদের প্রচন্ড নির্যাতন করতেন। সিংহাসনে আরোহণের পর থেকে তিনি রাজ্য বিস্তারের নেশায় মত্ত থাকতেন, তিনি বিভীষিকাময় এক যুদ্ধে কলিঙ্গ জয় করেন। কলিঙ্গ যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞ দেখে তিনি দারুণভাবে মর্মাহত হন এবং অনুতাপ, অনুশোচনায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।

একদিন তিনি রাজপ্রাসাদের সিংহদ্বারে দাঁড়িয়ে এরূপ চিন্তা করছিলেন এবং পাটলিপুত্রের শোভা দেখছিলেন, মনে ছিল অশান্তি ও ভাবাবেগ। তখন সৌম্য, শান্ত ও সংযত সাত বছরের এক শ্রমণ ধীরগতিতে রাজঅঙ্গন দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁকে দেখামাত্রই অশোকের মনে শ্রদ্ধা জাগে। তাঁর নাম নিগ্রোধ শ্রমণ। সম্রাট অশোক তাঁর মুখে বুদ্ধের অমৃতময় ধর্মবাণী শুনতে চাইলেন। নিগ্রোধ শ্রমণ ধম্মপদ গ্রন্থের 'অপ্রমাদ বর্গের' একটি গাথা সম্রাট অশোককে ব্যাখ্যা করে শোনান।

এ গাথার মাধ্যমে তিনি বৃদ্ধধর্মের মর্মবাণী উপলব্ধি করেন। পরে তিনি নিগ্রোধ শ্রমণের কাছেই বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেন, বৌদ্ধ উপাসকে পরিণত হন। সেদিন থেকেই তাঁর রাজ্য জয়ের পরিবর্তে মানুষের অন্তর জয় করার বাসনা হয়, দিগ্বিজয়ের প্রবল তৃষ্ণা মন থেকে মুছে ফেলেন, রাজ্য জয়ের পরিবর্তে ধর্মবিজয়কে তিনি সাধনা হিসেবে গ্রহণ করেন, প্রজাদের কল্যাণে সর্বদা নিবেদিত থাকতেন। সকলের প্রতি দয়াশীল আচরণ করতেন, সর্বপ্রাণীর প্রতি ছিল তাঁর অপরিসীম মমত্ববোধ। তিনি অহিংসা, সত্য, ন্যায়পরায়ণতা, দান, সেবা প্রভৃতি আদর্শকে রাষ্ট্রনীতিতে গ্রহণ করে রাজ্য শাসন করতেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
45

অশোক ভারতবর্ষের বিখ্যাত সম্রাট ছিলেন। তিনি প্রায় সমগ্র ভারতবর্ষ আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ২৬৮ অব্দ থেকে ২৩২ অব্দ পর্যন্ত শাসন করেন। তিনি অত্যন্ত শক্তিশালী সম্রাট ছিলেন। ভারতবর্ষ এবং বহির্বিশ্বে তাঁর অপরিসীম প্রভাব ছিল। তাঁর রাজ্যসীমা-পশ্চিম দিকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান পর্যন্ত, পূর্ব দিকে বাংলাদেশ ও আসাম এবং উত্তর-দক্ষিণ দিকে কেরালা ও অন্ধ্র প্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তিনি কলিঙ্গ রাজ্যও জয় করেন। তাঁর রাজধানী ছিল মগধ। মগধ বর্তমানে ভারতের বিহার রাজ্যে অবস্থিত। কলিঙ্গ যুদ্ধের বিভীষিকা দেখে তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন। বৌদ্ধধর্মের প্রচার-প্রসারে তিনি অপরিসীম অবদান রাখেন। অহিংসা, ভালোবাসা, সত্য, ন্যায় ও সহিষ্ণুতা ছিল তাঁর আদর্শ। শান্তিকামী এবং ধার্মিক রাজা হিসেবে তাঁর খুবই সুখ্যাতি ছিল। ধর্ম ও ন্যায়ের সঙ্গে তিনি রাজ্য শাসন করতেন। জনহিতৈষী শাসন ব্যবস্থার জন্য তিনি বিশ্বের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নৃপতি হিসেবে অমর হয়ে আছেন। এ অধ্যায়ে আমরা সম্রাট অশোক সম্পর্কে পড়ব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -

  • সম্রাট অশোকের পরিচয় বর্ণনা করতে পারব।
  • বৌদ্ধধর্মের প্রচার প্রসারে সম্রাট অশোকের কৃতিত্ব মূল্যায়ন করতে পারব।
  • সম্রাট অশোকের আদর্শ ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

নিগ্রোধ শ্রমণ সম্রাট অশোককে ধম্মপদ গ্রন্থের অপ্রমাদ বর্গের যে গাথাটি ব্যাখ্যা করে শুনিয়েছিলেন তার মমার্থ হলো, অপ্রমাদ অমৃত লাভের পথ আর প্রমাদ মৃত্যুর পথ। অপ্রমত্ত ব্যক্তিরা অমরত্ব লাভকরেন। কিন্তু যারা প্রমত্ত তারা বেঁচে থেকেও মৃতবৎ। এ সত্য বিশেষরূপে জেনে তাঁরা অপ্রমত্ত হয়ে আর্যদের পথ অনুসরণ করেন, সেই ধ্যাননিষ্ঠা, সতত উদ্যোগী, দৃঢ়পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ ব্যক্তিগণ পরম শান্তিরূপ নির্বাণ লাভ করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
96
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রাজা জনবমের কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধধর্মের অনুসারী সম্রাট অশোকের সঙ্গে, সাদৃশ্যপূর্ণ। সম্রাট অশোক মৌর্য বংশের সম্রাট ছিলেন। তিনি ছিলেন খুবই বুদ্ধিমান এবং সাহসী। ছোটবেলায় তিনি যুদ্ধবিদ্যা শিক্ষা করেন। দুঃখসাহসী কাজ করতে তিনি খুবই পছন্দ করতেন। তিনি অবন্তীতে দাঙ্গা এবং রাজ অমাত্যদের বিদ্রোহ দমন করে তাঁর শৌর্যবীর্যের পরিচয় দিয়েছিলেন। পিতা বিন্দুসারের মৃত্যুর পর সম্রাট অশোক সিংহাসনে আরোহণ করেন। কথিত আছে যে, তিনি সিংহাসনে আরোহণের জন্য ৯৯ জন ভ্রাতাকে হত্যা করেন। সিংহাসনে আরোহণ করার 'পর থেকে তিনি রাজ্য বিস্তারের নেশায় মত্ত ছিলেন। তিনি বিভীষিকাময় এক যুদ্ধে কলিঙ্গ জয় করেন। যুদ্ধে জয়ী হলেও সম্রাট অশোক সুখী হন না। রাজ্য জয়ের বিনিময়ে দেখলেন রক্তপাত এবং মৃত্যুর বিভীষিকা এতে তিনি দারুণভাবে মর্মাহত হন। এরপর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করে রাজ্য জয়ের পরিবর্তে ধর্মজয়ের সাধনায় মত্ত হন। এগুলো উদ্দীপকের রাজা জনবমের চরিত্র ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
80
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রাজা জনবমের উক্তি। রাজ্য জয়ের চেয়ে ধর্মপ্রচার অতি শ্রেষ্ঠকর্ম। আলোচ্য কর্মটি করতে সক্ষম হয়েছিলেন সম্রাট অশোক। সম্রাট প্রথমদিকে ভয়ঙ্কর এবং নির্দয় যোদ্ধা হিসেবে পরিচিতি লাভকরেন। কিন্তু কলিঙ্গ যুদ্ধের বিভীষিকার কথা চিন্তা করে নিগ্রোধ শ্রমণের নিকট বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি বৌদ্ধ উপাসকে পরিণত হন। সেদিন থেকেই তাঁর রাজ্য জয়ের পরিবর্তে মানুষের অন্তর জয় করার বাসনা জাগে। রাজ্য জয়ের প্রবল তৃষ্ণা মন থেকে মুছে ফেলেন। রাজ্য জয়ের পরিবর্তে ধর্ম বিজয়কে তিনি সাধনা হিসেবে গ্রহণ করেন। প্রজাদের কল্যাণে 'সর্বদা নিবেদিত থাকতেন। সবার প্রতি দয়াশীল আচরণ করতেন। সর্বপ্রাণীর প্রতি ছিল তাঁর অপরিসীম মমত্ববোধ। বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করার পর তিনি 'চণ্ডাশোক' থেকে 'ধর্মাশোকে' পরিণত হন। এমনকি 'দেবনাম প্রিয়দর্শী' উপাধি লাভ করেন।

অতএব বলা যায়, সত্যিকার অর্থে রাজ্য জয়ের চেয়ে ধর্মপ্রচারের কর্ম শ্রেষ্ঠ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
81
উত্তরঃ

সম্রাট অশোক অহিংসা, সত্য, ন্যায়পরায়ণতা, দান, সেবা প্রভৃতি আদর্শকে রাষ্ট্রনীতিতে গ্রহণ করে রাজ্য শাসন করতেন। বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করার পর তিনি 'চন্ডাশোক' থেকে 'ধর্মাশোকে' পরিণত হন। এছাড়া তিনি 'দেবনাম প্রিয়দর্শী' উপাধি লাভ করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
134
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews