বিজয়ের চাকরিস্থলের খামারটি বিক্ষিপ্ত বসতির অন্তর্গত।
অবস্থানের প্রেক্ষিতে ও বাসগৃহসমূহের পরস্পরের ব্যবধানের ভিত্তিতে গ্রামীণ বসতিকে তিনটি ভাগ করা যায়। বিক্ষিপ্ত বসতি এর মধ্যে একটি। এ ধরনের বসতিতে পরিবারগুলো ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় বসবাস করে।
উদ্দীপকের বিজয় তার চাকরিস্থলে এরূপ বসতিই দেখেছে। পৃথিবীর অধিকাংশ বিক্ষিপ্ত বসতি বন্ধুর ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলে গড়ে উঠেছে। এ ধরনের বসতির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- i. দুটি বাসগৃহ বা বসতির মধ্যে যথেষ্ট ব্যবধান, ii. অতি ক্ষুদ্র পরিবারভুক্ত বসতি, iii. অধিবাসীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা প্রভৃতি।
Related Question
View Allমুসলিম সভ্যতায় (অষ্টম শতাব্দী থেকে) নগরায়ণের প্রসার ঘটে।
মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়।
উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। মানুষ কৃষিজমির পাশে বসতি গড়ে তোলে যাতে করে সহজে ও কম খরচে ফসল ফলাতে পারে এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারে। যেমন- যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল। কিন্তু মাটি অনুর্বর বা অসমতল হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। যেমন- চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!