বর্তমানে বংশগতিবিদ, কোষতত্ত্ববিদ এবং শ্রেণিবিদগণ নতুন প্রজাতির উৎপত্তির বিষয়ে বংশগতিবিদ্যা মতবাদের এবং অভিব্যক্তি তত্ত্বের ভিত্তিতে বলেন, তিনটি ভিন্ন উপায়ে নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হতে পারে:
১. মূল প্রজাতির থেকে পৃথক হয়ে যাওয়ার ফলে,
২. সংকরায়নের ফলে এবং
৩. সংকরায়ন প্রজাতিতে কোষ বিভাজনের সময় ঘটনাক্রমে কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে। এর ফলে নতুন জীবটির অভিযোজন ঘটবে এবং প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা একটি নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হবে।
Related Question
View Allজীববিজ্ঞানের বংশগতি বিদ্যা শাখায় বংশগতি সমন্ধে আলোচনা করা হয় ।
পিতা-মাতার বৈশিষ্টগুলো বংশানুক্রমে সন্তান সন্ততিতে সঞ্চারিত হয় বংশগতি বস্তুর মাধ্যমে ।
বংশগতির প্রধান উপাদান ক্রোমোজোম ।
সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন Strasburger বিজ্ঞানী ।
বিজ্ঞানী Strasburger 1875 সালে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন ।
বংশগতির ভৌতভিত্তি বলা হয় ক্রোমোজোমকে ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!