বিশেষ জাবেদাকে ছয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। যথা- (i) ক্রয় জাবেদা, (ii) বিক্রয় জাবেদা, (iii) ক্রয় ফেরত জাবেদা, (iv) বিক্রয় ফেরত জাবেদা, (v) নগদ প্রাপ্তি জাবেদা, (vi) নগদ প্রদান জাবেদা।
আর্থিক ও অনার্থিক ঘটনা চিহ্নিতকরণের পর, আর্থিক লেনদেনসমূহ প্রাথমিক হিসাবের বইতে ডেবিট ও ক্রেডিট পক্ষ চিহ্নিতপূর্বক লিপিবদ্ধ করা প্রয়োজন। লেনদেনসমূহের মাঝে প্রকৃতিগত পার্থক্য বিদ্যমান, লেনদেনের বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতি বিবেচনা করেই জাবেদার শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে। লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী যে শ্রেণির জাবেদা প্রযোজ্য, ঐ জাবেদাতেই তা লিপিবদ্ধ করতে হবে। লেনদেন লিপিবদ্ধের ক্ষেত্রে প্রমাণপত্র যাচাই করা হলে সংরক্ষিত হিসাবের গ্রহণযোগ্যতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পায় ৷

এই অধ্যায় শেষে আমরা—
- প্রারম্ভিক লিখন হিসেবে জাবেদার ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
- জাবেদার শ্রেণিবিভাগ করতে পারব।
- লেনদেনের সাধারণ জাবেদা দাখিলা প্রদান করতে পারব।
- চালানের ভিত্তিতে ক্রয় ও বিক্রয় জাবেদা, ডেবিট নোটের ভিত্তিতে ব্রুয় ফেরত জাবেদা এবং ক্রেডিট নোটের ভিত্তিতে বিক্রয় ফেরত জাবেদা প্রস্তুত করতে পারব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!