বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা যুদ্ধবিধ্বস্ত বিভিন্ন দেশের কার্যক্রম পরিচালনা করে। তেমনি একটি সংস্থা 'অ'। 'অ' প্রতিষ্ঠানটির ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচটি বৃহৎ শক্তিধর রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের বাইরে নিজস্ব কোনো উদ্যোগ বা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার ক্ষমতা অতি সীমিত।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানী

উত্তরঃ

সাইমন ড্রিং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গর্বিত নাম।
লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফের ২৭ বছর বয়সী সাংবাদিক সাইমন ড্রিং নিজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর লোমহর্ষক নির্যাতন ও গণহত্যার কথা পত্রিকায় প্রকাশ করেন। বিশেষ করে The Daily Telegraph-এ প্রকাশিত প্রত্যক্ষদর্শী ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিংয়ের প্রতিবেদন (২৭ মার্চ, ১৯৭১) বিশ্বমিডিয়ায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনায় 'অ' প্রতিষ্ঠানটির অর্থাৎ জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।
ভারতে আশ্রিত শরণার্থীদের ভরণ-পোষণের ক্ষেত্রে জাতিসংঘ অনন্য অবদান রাখে। মুক্তিযুদ্ধকালীন শরণার্থী সমস্যা সমাধানে ইন্দিরা গান্ধীর তৎপরতায় এ বিষয়টি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সংকট থেকে আন্তর্জাতিক একটি ইস্যুতে পরিণত হয়। ইন্দিরা গান্ধী শরণার্থী সমস্যাকে জাতিসংঘে মানবিক বিপর্যয় সংক্রান্ত সমস্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। ফলে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (UNHCR) শরণার্থী সমস্যাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়। মানবিক বিপর্যয় রোধকল্পে জাতিসংঘের দুটি মিশন কাজ শুরু করে। একটি ভারতের শরণার্থী শিবিরগুলোতে, অন্যটি পূর্ব পাকিস্তানে। এছাড়া জাতিসংঘের সহযোগী সংগঠন 'ইউনিসেফ' শিশু খাদ্য কর্মসূচি হাতে নিয়ে মানবিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করে।

উদ্দীপকে আমরা লক্ষ করি, 'অ' সংস্থাটি যুদ্ধবিধ্বস্ত বিভিন্ন দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে। যা জাতিসংঘের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধে মানবিক বিপর্যয় রোধে জাতিসংঘ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ভারতে রম অবস্থানকারী বাংলাদেশের শরণার্থীদের বিভিন্ন অর্থ ও ত্রাণ সাহায্য দিয়ে জাতিসংঘ অবদান রাখে। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘ কার্যকর ভূমিকা পালন করতে না পারলেও মানবিক বিপর্যয় রোধে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ জাতিসংঘের রাজনৈতিক উদ্যোগ বাংলাদেশের স্বার্থে নয়, ভোটো ক্ষমতাধারী রাষ্ট্রগুলোরই স্বার্থসংশ্লিষ্ট ছিল।
বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় জাতিসংঘ। ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘে গণহত্যা নিবৃত্তি ও শান্তিবিষয়ক সনদ গ্রহণ করা হয়। কিন্তু ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলাদেশে যে গণহত্যা সংঘটিত করে সে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ ও মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। জাতিসংঘ বৃহৎ শক্তিসমূহের রাবার স্ট্যাম্প হিসেবেই কাজ করেছে। জাতিসংঘ সনদ এমনভাবে প্রণীত হয়েছে যে 'ভেটো' ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচটি বৃহৎ শক্তিধর রাষ্ট্রের পারস্পরিক সমঝোতা ব্যতীত কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা সম্ভব নয়। সুতরাং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নিলে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানের ক্ষেত্রেও নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মুসলিম দেশগুলো পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার প্রশ্নে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে। জাতিসংঘ 'রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার যুক্তির প্রশ্নে' বিজয় অর্জনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি।
উদ্দীপকে 'অ' সংস্থার কথা বলা হয়েছে, যেটি ভেটো ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো দ্বারা নির্ধারিত। যা জাতিসংঘের ইঙ্গিতবহ।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের রাজনৈতিক কার্যক্রম ভেটো ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ছিল।

208

Role of Bengalies Living Abroad and Other Countries in Our War of Independence

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অবস্থায় বাঙালির ওপর পাকিস্তানি সৈন্যদের নারকীয় তাণ্ডব এবং তাদের দোষরদের লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, হত্যাযজ্ঞের ভয়াবহতায় বিশ্ব বিবেক থমকে দাঁড়ায়। বিশ্বের বিবেকবান প্রতিটি মানুষ ও বিভিন্ন দেশ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এগিয়ে আসে, আবার কিছু কিছু দেশ বিরোধিতা করে। মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ, ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম প্রহরে যে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তাতে প্রবাসী বাঙালিরা ব্যাপকভাবে সাড়া দেয়। প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন দিয়ে সহযোগিতার বিভিন্ন স্রোতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন আদায়ে বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্টে সদস্যদের নিকট আবেদন করা, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে প্রেরণ এবং পাকিস্তান যাতে বহির্বিশ্ব থেকে আর্থিক সাহায্য, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করতে না পারে সে ব্যাপারে বিভিন্ন দেশের সরকারের নিকট আবেদনসহ জনমত গঠনে প্রবাসী বাঙালি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন। প্রবাসী বাঙালিদের এসব উদ্যোগের উদ্যোগের ফলে পাকিস্তানের কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন দেশ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে।

পাকিস্তানি আমলে বাংলা ভাষা আন্দোলন ও এর গতি-প্রকৃতি-ড. মোঃ ওয়াহেদুল ইসলাম স্যার এর লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে মুজিবনগর থেকে সর্বপ্রথম 'দৈনিক জয়বাংলা' নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

459
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারত সরকার বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক, সামরিক দিক দিয়ে নানাভাবে সহায়তা করে।
পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে ভারত মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি শরণার্থী সমস্যা মোকাবিলাসহ সামরিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন দিয়ে সাহায্য করে। এছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন, বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র ও মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও ভারত সরকার ব্যাপকভাবে সহায়তা করেছিল।

519
উত্তরঃ

রিফাতের লেখাটি মূলত চীনকে ইঙ্গিত করে লেখা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে চীনের প্রথম পর্যায়ের ভূমিকা হলো স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরু থেকে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
মুক্তিযুদ্ধের শুরু হতে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধ শুরুর পূর্ব পর্যন্ত চীন পাকিস্তানপন্থি থাকলেও মোটামুটিভাবে বাঙালির সংগ্রাম বিরোধী কোনো মন্তব্য করেনি। তবে গোপনে সে পাকিস্তানের সামরিক চক্রকে নৈতিক শক্তি ও সাহস যুগিয়েছিল এবং সরাসরি সামরিক উপকরণ সরবরাহ করেছিল। ১৯৭১ সালের ৯ আগস্ট ভারত- েচুক্তি স্বাক্ষরের পর চীনের পাকিস্তানপন্থি নীতি আরও প্রকট হয়ে ওঠে। সেপ্টেম্বর মাসে চীন-পাকিস্তানকে এই বলে আশ্বস্ত করে যে, জাতীয় স্বার্থরক্ষায় চীন পাকিস্তানকে সাহায্য করবে। তখন পর্যন্তও চীনের বক্তব্যে বাঙালি বিরোধী তেমন কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি। ১৯৭১ সালের ৫ নভেম্বর চীনাদের আস্থাভাজন ভুট্টোর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল চীন সফরে যায় চীন থেকে অতিরিক্ত অঙ্গীকার বা সাহায্য পাওয়ার আশায়। কিন্তু চীনের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী চি পেঙ ফি পূর্ব পাকিস্তানের সমস্যার একটি ন্যায়সঙ্গত সমাধান খুঁজে বের করার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। বাঙালিবিরোধী বক্তব্য না রাখলেও পশ্চিম পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে চীন নিয়মিতভাবে পাকিস্তানকে সমরাস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করে।
তাই বলা যায়, রিফাতের ইঙ্গিতকৃত দেশটি হলো চীন।

406
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্যায়ে এই দেশটি অর্থাৎ চীনের বিরোধিতার কোনো ছাপ না পাওয়া গেলেও দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিকা স্বাধীনতা যুদ্ধের পুরোপুরি বিরোধী ছিল।
পাকিস্তান ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ভারতের পূর্বাঞ্চলে সামরিক হামলা করলে শুরু হয় সরাসরি পাক-ভারত যুদ্ধ। এ সময় হতে চীন জাতিসংঘে সরাসরি বাঙালিবিরোধী ভূমিকা পালন করতে শুরু করে। পাক-ভারত যুদ্ধের জন্য চীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে দায়ী করে। যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য একটি রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার ফলে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করার লক্ষ্যে ৫ ও ৭ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘে দুটি প্রস্তাব উপস্থাপন করে। কিন্তু প্রস্তাব দুটোর বিরুদ্ধে চীন প্রথম ভেটো প্রয়োগ করে এবং চীনের নিজস্ব প্রস্তাবে ভারতকে আগ্রাসী পক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এখানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, চীন জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের মাত্র ৪০ দিনের মাথায় নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী আসন লাভের পর প্রথম প্রস্তাবেই ভেটো প্রয়োগ করেছিল। এছাড়া, ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হলে চীন এক বিবৃতিতে 'তথাকথিত' বাংলাদেশের সৃষ্টির জন্য সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারতের তীব্র সমালোচনা করে। তবে পরবর্তীতে চীন তার নীতি পরিবর্তন করে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
পরিশেষে বলা যায়, এই দেশটির অর্থাৎ চীনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিকা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পুরোপুরি বিরোধী উক্তিটি যথার্থ।

275
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার জন্য। পরিচালিত হত্যাকাণ্ডই হলো বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড।
ঢাকার মিরপুরের শিয়ালবাড়ি, মোহাম্মদপুরের রায়ের বাজার বদ্ধভূমিসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। জাতির সূর্য সন্তানদের তারা অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করে। যুদ্ধের পর বিভিন্ন বধ্যভূমিতে যেসব লাশ পাওয়া যায় তাদের কারও হাত-পা বাঁধা ছিল, কারও জিহ্বা কাটা ছিল, চক্ষু উপড়ানো ছিল কিংবা হাত-পা ভাঙা ছিল। বুদ্ধিজীবী হত্যার দিনটিকে অর্থাৎ ১৪ ডিসেম্বর 'বুদ্ধিজীবী দিবস' ঘোষণা করা হয়।

649
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews