বৈশাখী পূর্ণিমার পূর্বে গৌতম বুদ্ধ মল্লদের শালবনে উপস্থিত হন, সেখানে তিনি শিষ্য আনন্দকে উপদেশ দেন, "হে আনন্দ নিজেই নিজের দীপ হয়ে বিচরণ করো, আত্ম শরণ, অনন্য শরণ, ধর্মদীপ হয়ে বিচরণ করো, ধর্মের শরণই অনন্য শরণ।" তিনি আরও বলেন, তাঁর অবর্তমানে ধর্ম-বিনয়কে শাড়া বলে জানতে। তিনি তাঁর শেষ উপদেশে বলেন "হে ভিক্ষুগণ! সংস্কারসমূহ ব্যয় ও ক্ষয়শীল। অপ্রমাদের সঙ্গে নিজ নিজ কর্তব্য পালনে তৎপর হও। এরপর তিনি ধ্যানে নিমগ্ন হয়ে শান্তভাবে মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন। তখন তাঁর বয়স হয়েছিল আশি বছর।
Related Question
View Allত্রিপিটক পালি ভাষায় রচিত।
বুদ্ধ প্রথম ধর্ম দেশনায় চতুরার্য সত্য তত্ত্বটি সর্বপ্রথম উল্লেখ করেন।
দুঃখ নিরোধ আর্যসত্য হলো দুঃখ থেকে পরিত্রাণ 1
সর্বদা নৈতিক আচরণ অনুশীলন করাই হলো সম্যক কর্ম।
চিত্তের একাগ্রতা সাধনই সম্যক সমাধি।
প্রথম বর্ষাবাসের পর গৌতমবুদ্ধ উরুবেলা সেনানী করেন। গ্রামে যাত্রা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!