পরীক্ষণ হলো বৈজ্ঞানিক জ্ঞান অর্জন বা পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। কারণ এই পদ্ধতিতে কোন বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য একজন বিজ্ঞানী প্রথমে জানা বা বিদ্যমান তথ্যের আলোকে একটি আনুমানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি পরীক্ষণের মাধ্যমে ঐ অনুমিত সিদ্ধান্ত সঠিক হয়েছে কি না যাচাই করেন।
Related Question
View Allআমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিমাপের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কারণ জীবনধারণের জন্য প্রতিনিয়তই আমাদেরকে বিভিন্ন জিনিসের আদান-প্রদান করতে হয়। যেমন- কেনাকাটা, কোনো কিছুর পরিমাণ নির্ণয় করা, এমনকি বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও পরিমাপের প্রয়োজন। কারণ পরিমাপ ব্যতীত এ কাজগুলো কোনোভাবেই সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে পরিমাপের প্রয়োজন হয়।
উদ্দীপক থেকে পাই,
ফারহানের পড়ার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গমিটার
এবং দৈর্ঘ্য = ১০ মিটার
আমরা জানি,
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য প্রস্থ
প্রস্থ= ক্ষেত্রফল/দৈর্ঘ্য
= ৪০ বর্গমিটার/১০ মিটার== ৪ মিটার
অতএব, ফারহানের পড়ার ঘরের প্রস্থ ৪ মিটার।
উদ্দীপক থেকে পাই,
ফারহানের পড়ার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গমিটার
পড়ার টেবিলের দৈর্ঘ্য = ১ মিটার
পড়ার টেবিলের প্রশ্ন = ৫০ সে. মি.
মি. [ ১০০ সে. মি. = ১ মি.]
= ০.৫ মি
পড়ার টেবিলের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য প্রস্থ) বর্গএকক
= (১ ০ ০.৫) বর্গমিটার
= ০.৫ বর্গমিটার
অতএব, একটি টেবিলের ক্ষেত্রফল = ০.৫ বর্গমিটার
ঘরের ফাঁকা জায়গার ক্ষেত্রফল = (৪০ ১) বর্গমিটার
= ৩৯ বর্গমিটার
অতএব, টেবিল দুটি রাখার পর ঘরে ৩৯ বর্গমিটার ফাঁকা জায়গা থাকবে
ক্যান্ডেলা হলো দীপন ক্ষমতা অর্থাৎ আলোক ঔজ্জ্বল্য পরিমাপের একক।
যেসব একক একাধিক মৌলিক এককের সমন্বয়ে গঠিত - তাদেরকে যৌগিক একক বলে। যেমন, আয়তনের একক ঘনমিটার, যা তিনটি মৌলিক দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতার একক মিটার এর গুণফল। -তাই আয়তনের একক একটি যৌগিক একক।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
