বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের অন্যতম কারণ- উক্তিটি যথার্থ।
জলবায়ু পরিবর্তন হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে আবহাওয়ার পরিবর্তিত রূপ। অর্থাৎ- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে সব প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হচ্ছে তার মূলে রয়েছে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে হিমবাহ গলে যাবার হার দ্রুত হারে বেড়ে গেছে। পরিসংখ্যানুযায়ী, বরফগলার এই হার ১৯৮০-১৯৯০ সালের তুলনায় ২০০০-২০১০ সালে ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে জলোচ্ছ্বাস ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিচ্ছে, যা সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশগুলোর জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রার ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। যার ফলে অনাবৃষ্টি বা অতিবৃষ্টি কিংবা এসিড বৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিচ্ছে। দাবানলের মতো ভয়াবহ দুর্যোগের কারণও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। যদিও অমনকে মনে করেন, দাবানল পুরোপুরি অনিশ্চিত ঘটনা, তবুও এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, খরাভাব, কার্বন ডাই- অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি ইত্যাদি হচ্ছে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফল। আর এসবের ফলে জলবায়ু পরিবর্তিত হয়ে দাবানল সৃষ্টি করে।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, পরিবেশ তার ভারসাম্য হারিয়ে যে বিপর্যয়ের মুখে পতিত হয়েছে, তার ফলে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য বৈশ্বিক উষ্ণায়নই মূলত দায়ী।
Related Question
View Allজ্ঞাতিসম্পর্ককে সামাজিক সংগঠনের মূল বিষয় বলা হয়।
নগর সমাজের মানুষেরা ধর্মকে একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় বলে গণ্য করে।
বাংলাদেশ সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ মন্তব্যটি করেছিলেন প্রখ্যাত ফরাসি নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস।
পঞ্চাশের দশকে ক্লদ লেডি স্ট্রসের নেতৃত্বে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ মিশন বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও সামাজিক নৃবিজ্ঞান পঠন- পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন। লেভি স্ট্রস সেখানকার বিভিন্ন উপজাতির আদিম স্বতন্ত্র জীবনধারা দেখে এতই বিস্মিত হন যে, তিনি বাংলাদেশকে সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ বলে মন্তব্য করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!