ব্যবসায়িক সফলতা অর্জনের জন্য 'এনাম ফুড প্রডাক্ট'-এর তুলনায় 'সোহান ফুড প্রডাক্ট' কর্তৃক গৃহীত প্রযুক্তিগত পরিবেশের অন্তর্গত অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি
ব্যবহারের কৌশল অধিকতর যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।
প্রযুক্তিগত পরিবেশ ঐসকল উপাদান নিয়ে গঠিত যার মাধ্যমে প্রযুক্তি প্রভাবিত হয়ে একদিকে যেমন নতুন নতুন পণ্য উদ্ভাবন করে, অন্যদিকে তেমনি বিপণনে নতুন সুযোগ ও হুমকি সৃষ্টি করে।
সাধারণত প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে ভোক্তাদের নতুন নতুন পণ্য ও সেবা ভোগের সুযোগ তৈরি হয়। আর নতুন নতুন পণ্য ভোগের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়। প্রযুক্তিগত পরিবেশের ফলে কখনও কখনও পুরাতন পণ্যের পরিবর্তে নতুন পণ্য বাজার দখলের চেষ্টা চালায়। যেমন- উদ্দীপকের 'সোহান ফুড প্রডাক্টস' গতানুগতিক জুস, জ্যাম ও জেলির পরিবর্তে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আনারসের আরও উন্নতমানের জুস, জ্যাম ও জেলি তৈরি করে বিপণন শুরু করেছে। তাই কোনো প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তি পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে বিপণন কার্যক্রম সম্পাদন করতে ব্যর্থ হলে সে প্রতিষ্ঠান বাজার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হবে।
পরিশেষে বলা যায়, 'সোহান ফুড প্রডাক্টস' অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত পরিবেশের সর্বোত্তম ব্যবহার করে বিপণনকার্যে সফলতা লাভ করেছে।
Related Question
View Allযে সকল পক্ষ, শক্তি বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা প্রতিষ্ঠানের বিপণন কর্মকাণ্ডকে পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করে তাকে সামষ্টিক পরিবেশ বলে।
যে সকল পক্ষ, শক্তি অথবা উপাদান বিপণন কার্যক্রমকে সরাসরি প্রভাবিত করে তাকে ব্যষ্টিক পরিবেশ বলে।
বিপণনের ব্যষ্টিক পরিবেশের উপাদানগুলো হলো- কোম্পানি, সরবরাহকারী, বিপণন মধ্যস্থব্যবসায়ী, ক্রেতা, প্রতিযোগী ও জনগোষ্ঠী। ব্যষ্টিক পরিবেশের এ উপাদানগুলো বিপণন কার্যক্রমে সরাসরি প্রভাববিস্তার করে। এসকল উপাদান সাধারণত নিয়ন্ত্রণযোগ্য। যেমন- একটি কোম্পানির প্রতিটি বিভাগ ও উপবিভাগের ওপর কোম্পানির সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা থাকে।
এমনিভাবে অন্যান্য উপাদানগুলোও নিয়ন্ত্রণযোগ্য। তাই বলা যায়, বিপণনের ব্যষ্টিক পরিবেশ নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
সামষ্টিক পরিবেশের অর্থনৈতিক উপাদানের কারণে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে।
পরিবেশের যে সকল শক্তি, পক্ষ বা উপাদানসমূহ ভোক্তার ক্রয় ক্ষমতা ও বায়ের ধরনকে প্রভাবিত করে তাকে অর্থনৈতিক পরিবেশ বলে।
সাধারণত ভোক্তার আয়ের পরিবর্তনসমূহ, ব্যয়ধাঁচের পরিবর্তনশীলতা এবং সঞ্চয়ের হার ও ঋণের পরিমাণ অর্থনৈতিক পরিবেশের উপাদান হিসেবে গণ্য হয়।
উদ্দীপকের 'লিলি কেমিক্যালস লিমিটেড' একটি রং ফর্সাকারী ক্রিমের বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের পণ্যের মান ভালো হওয়ায় এবং দাম কম হওয়ায় বেশ সুনাম অর্জন করেছে। কিন্তু সম্প্রতি দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের ভোগের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। অর্থাৎ ভোক্তারা আরও মানসম্মত ও বেশি মূলোর পণ্য ভোগ করতে চাচ্ছে। কেননা মানুষের আয় যখন বেড়ে যায় তখন স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি ব্যয়ের মাধ্যমে নিজের ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদাকে ফুটিয়ে তুলতে চায়। সুতরাং একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, সামষ্টিক পরিবেশের অর্থনৈতিক উপাদানের অন্তর্গত ভোক্তাদের আয় ও ব্যয়ধাঁচের পরিবর্তনের কারণেই উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে।
উদ্দীপকে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গৃহীত স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি ব্যবহার করে
পণ্যমান উন্নত করার চিন্তা-ভাবনা যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।
পণ্যমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ অবদান
রাখে। বর্তমানে আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্যের মান
উন্নয়ন ও উৎকৃষ্ট সাধনে অবিরাম চেষ্টা চালাচ্ছে। কারণ এর মাধ্যমে
প্রতিযোগিতা মোকাবিলা ও ক্রেতাসন্তুষ্টি অর্জন অনেকটাই সহজ হয়।
উদ্দীপকের 'লিলি ক্যামিক্যালস লিমিটেড' একটি রং ফর্সাকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের পণ্যের মান ভালো এবং দাম কম হওয়ার কারণে প্রথম দিকে বেশ মুনাফা ও সুনাম অর্জন করে। কিন্তু দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে তাদের ক্রয় ধাঁচের মধ্যে পরিবর্তন দেখা দেয়। তারা আলাদা রং, ডিজাইন, বৈশিষ্ট্য ও ভ্যালুকে গুরুত্ব দিতে থাকে। এক্ষেত্রে পণ্যের মূল্য বেশি হলেও তাদের কোনো আপত্তি নেই। এমতাবস্থায় 'লিলি কেমিক্যালস লিমিটেড' তাদের বর্তমান পণ্যের আরও মানোন্নয়ন এবং নতুন নতুন বৈশিষ্টা যুক্ত করে পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন পদ্ধতি ব্যবহারের চিন্তা-ভাবনা করে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গৃহীত সমস্যা সমাধানের পদ্ধতিটি অত্যন্ত যৌক্তিক ও সময়োপযোগী।
কোনো পণ্য বা সেবা বিপণনে যে সকল পক্ষ, শক্তি বা পারিপার্শ্বিক উপাদানসমূহ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাববিস্তার করে তাকে বিপণন পরিবেশ বলে।
বিপণন পরিবেশের সামষ্টিক উপাদানগুলো অনিয়ন্ত্রণযোগ্য।
যে সকল অনিয়ন্ত্রণযোগ্য শক্তি বিপণন কার্যক্রমে পরোক্ষভাবে প্রভাববিস্তার করে সেগুলোর সম্মিলিত প্রভাবকে সামাষ্টিক পরিবেশ বলে। সামষ্টিক পরিবেশের প্রধান উপাদানগুলো হলো- জনসংখ্যাগত পরিবেশ, অর্থনৈতিক পরিবেশ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, প্রযুক্তিগত পরিবেশ, রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশ। এই বাহ্যিক উপাদানগুলো বৃহত্তর সামাজিক শক্তিসমূহের সমন্বয়ে গঠিত হওয়ায় কোম্পানির কার্যক্রমে প্রভাববিস্তার করে; যা কোম্পানির পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। তাই সামষ্টিক পরিবেশের উপাদানগুলোকে অনিয়ন্ত্রণযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!