ব্যবস্থাপনার সর্বজনীনতা বলতে সকল ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার আবশ্যকতা বা ব্যবস্থাপনা জ্ঞানের প্রয়োগযোগ্যতাকে বোঝানো হয়ে থাকে।
ব্যবস্থাপনার কাজের ধরন ও প্রকৃতি অবস্থাভেদে কিছুটা ভিন্ন হলেও মৌলিকত্বের বিচারে তেমন কোনো ভিন্নতা নেই। পরিবার, রাষ্ট্র এমনকি বিশ্বের সকল দেশের সকল প্রতিষ্ঠানে, সকল সাংগঠনিক স্তর, সংগঠনের সকল কাজের ক্ষেত্রে, ক্ষুদ্রায়তন-বৃহদায়তন সকল প্রতিষ্ঠানে উদ্দেশ্য অর্জনের প্রধান হাতিয়ার হলো ব্যবস্থাপনা। ব্যবস্থাপনার সর্বজনীনতা বলতে মূলত বিশ্বজুড়ে সর্বক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার প্রয়োগযোগ্যতা ও কার্যকারিতাকে বোঝানো হয়। তাই বলা যায় ব্যবস্থাপনা একটি সর্বজনীন বিষয়।
সংঘবদ্ধ মানব জীবনে ব্যবস্থাপনা এক অতি অপরিহার্য বিষয় । কতিপয় ব্যক্তি যখন কোনো সাধারণ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য একত্রিত হয় তখন তাদের সঠিকভাবে পরিচালনার প্রয়োজন পড়ে। সেখানে যদি কেউ পরিচালক না থাকেন, যদি কেউ নেতৃত্ব না দেন তবে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়াই স্বাভাবিক । আর এরূপ বিশৃঙ্খলা মানুষসহ সকল উপকরণের কার্যকর ব্যবহার অসম্ভব করে তোলে । তাই একদল মানুষকে তাদের লক্ষ্যপানে এগিয়ে নেয়ার কার্যকর প্রয়াস বা শক্তিই হলো ব্যবস্থাপনা । আর যে বা যারা এ প্রয়াস চালান তাদেরকে ব্যবস্থাপক, প্রশাসক, নির্বাহী, পরিচালক ইত্যাদি নামে অভিহিত করা হয় । এরূপ প্রয়াস শুধু ব্যবসায়ের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা ইত্যাদি সর্বক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তাই এরূপ প্রয়াস- প্রচেষ্টা সম্পর্কে সবারই সম্যক জ্ঞান থাকা প্রয়োজন ।
এ অধ্যায় শেষে শিক্ষার্থীরা (শিখন ফল)
১. ব্যবস্থাপনার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে ।
২. ব্যবস্থাপনার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ বর্ণনা । করতে পারবে ।
৩. ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে ।
৪. ব্যবস্থাপনার কার্যাবলি ব্যাখ্যা করতে পারবে
৫. ব্যবস্থাপনার আওতা সনাক্ত করতে পারবে ।
৬. ব্যবস্থাপনা চক্র বর্ণনা করতে পারবে ।
৭. ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন স্তর ব্যাখ্যা করতে পারবে ।
৮. পেশা হিসেবে ব্যবস্থাপনার অবস্থান বিশ্লেষণ করতে পারবে।
৯. ব্যবস্থাপনার সর্বজনীনতা বিশ্লেষণ করতে পারবে ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!